প্রচলিত আইন অস্পষ্ট হলে বিচারকগণ প্রজ্ঞা ও বুদ্ধির ভিত্তিতে মামলার রায় দেন ।
Related Question
View Allরাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যাতে সুখে-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারে, সেজন্য রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন করে। তাছাড়া আইনের দ্বারা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ, সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মঙ্গলের জন্য রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন করেন। আইনের দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়।
আইন বলতে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুনকে বোঝায়, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয়। আইনের দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। রাষ্ট্র বা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়।
আইনবিরোধী কোনো কাজ করলে মানুষকে শাস্তি পেতে হয়। শাস্তির ভয়ে মানুষ এসব অপরাধ থেকে বিরত থাকে। এভাবে আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
আইনের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. আইন কতকগুলো প্রথা, রীতিনীতি এবং নিয়মকানুনের সমষ্টি।
২. আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. আইন সর্বজনীন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।
প্রতিটি রাষ্ট্রের নাগরিকগণ যাতে সুখ-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারে সেজন্য আইন প্রণয়ন করা হয়। সমাজের যেসব নিয়ম রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত হয় সেগুলো আইনে পরিণত হয়। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রত্যক্ষ কর্তৃত্ব থাকে। রাষ্ট্রের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো বিধিবিধান আইনে পরিণত হতে পারে না। আর এটাকেই আইনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অনুমোদন স্বীকৃতি বলে বোঝানো হয়।
আইন ব্যক্তি স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে কাজ করে বলে আইনকে ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তি বলা হয়। এ ধরনের স্বাধীনতা ব্যক্তির একান্ত নিজস্ব বিষয় বলে এ স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। কোনো নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হলে সে আইনের সাহায্য নিতে পারে। আইন তার ক্ষমতাবলে ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!