সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যাতে সুখে-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারে, সেজন্য রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন করে। তাছাড়া আইনের দ্বারা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ, সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মঙ্গলের জন্য রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন করেন। আইনের দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন বলতে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুনকে বোঝায়, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয়। আইনের দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। রাষ্ট্র বা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনবিরোধী কোনো কাজ করলে মানুষকে শাস্তি পেতে হয়। শাস্তির ভয়ে মানুষ এসব অপরাধ থেকে বিরত থাকে। এভাবে আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. আইন কতকগুলো প্রথা, রীতিনীতি এবং নিয়মকানুনের সমষ্টি।
২. আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. আইন সর্বজনীন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিটি রাষ্ট্রের নাগরিকগণ যাতে সুখ-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারে সেজন্য আইন প্রণয়ন করা হয়। সমাজের যেসব নিয়ম রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত হয় সেগুলো আইনে পরিণত হয়। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রত্যক্ষ কর্তৃত্ব থাকে। রাষ্ট্রের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো বিধিবিধান আইনে পরিণত হতে পারে না। আর এটাকেই আইনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অনুমোদন স্বীকৃতি বলে বোঝানো হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ব্যক্তি স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে কাজ করে বলে আইনকে ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তি বলা হয়। এ ধরনের স্বাধীনতা ব্যক্তির একান্ত নিজস্ব বিষয় বলে এ স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। কোনো নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হলে সে আইনের সাহায্য নিতে পারে। আইন তার ক্ষমতাবলে ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন হচ্ছে সমাজস্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুন যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। তবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য। অর্থাৎ সমাজের সকল ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে সমান। এজন্য বলা হয়, আইন সর্বজনীন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের উৎসের ভিত্তিতে আইন ৬ প্রকার। যথা-
১. শাসনতান্ত্রিক আইন, ২. সাধারণভাবে প্রণীত আইন, ৩. প্রথাভিত্তিক সাধারণ আইন, ৪. বিভাগীয় কর্মকর্তা কর্তৃক প্রণীত আইন, ৫. শাসনবিভাগীয় আইন, ৬. আন্তর্জাতিক আইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন সাধারণত ৩ প্রকার। যথা-
১. রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন: রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত ও বলবৎকৃত নিয়মকানুনই হলো রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন।
২. ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন: যে আইনের মাধ্যমে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োগ করা হয় তাকে ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন বলে।
৩. আন্তর্জাতিক আইন: এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক আইন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত ও বলবৎকৃত নিয়মকানুনই হলো রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন। রাষ্ট্র পরিচালনা করতে নানা ধরনের আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে হয়। রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন সাধারণত আইনসভা বা পার্লামেন্টে প্রণীত হয়ে থাকে। রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন আবার ২ প্রকার। যেমন- ১. ফৌজদারি আইন ও ২. প্রশাসনিক আইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের কাজ পরিচালনার জন্য ফৌজদারি আইন প্রণয়ন করা হয়। ফৌজদারি আইন কতকগুলো বিধিবদ্ধ নিয়মনীতির সমষ্টি, যা মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও নিরাপত্তার হুমকি এবং রাষ্ট্রীয় নিয়মশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অপরাধের শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়। অর্থাৎ, নাগরিকের অধিকার ভঙ্গ হলে তা রক্ষার জন্য ফৌজদারি আইন প্রণয়ন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রশাসনিক আইন হচ্ছে শাসন সংক্রান্ত বিধিবিধান। যে আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা হয় ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে প্রশাসনিক আইন বলে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে পুলিশ বিভাগ ও আয়কর বিভাগীয় আইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়ে থাকে তাকে ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন বলে। যেমন- চুক্তি ও দলিলসংক্রান্ত আইন এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এ আইন রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রণীত না হলেও সামাজিকভাবে স্বীকৃত। জনগণের স্বার্থে ও কল্যাণ নির্ধারণকল্পে এ ধরনের আইন প্রবর্তিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক আইন বলে। বিভিন্ন রাষ্ট্র পরস্পরের সাথে কেমন আচরণ করবে, এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের সাথে কেমন আচরণ করবে, কীভাবে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধান করা হবে তা আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। বিভিন্ন রাষ্ট্র পরস্পরের সাথে কেমন আচরণ করবে, এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের সাথে কেমন আচরণ করবে, কীভাবে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধান করা হবে তা আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। এসব দিক বিবেচনায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘকাল যাবৎ সমাজ চলতে থাকা নিয়মনীতিগুলোকে প্রথা বলে। রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে আইন না থাকায় প্রথার মাধামে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হতো। রাষ্ট্র সৃষ্টির পর যেসব প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদন লাভকরে, সেগুলো আইনে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অনেক আইন প্রথার ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের একটি প্রাচীন উৎস হচ্ছে প্রথা। দীর্ঘদিন ধরে যেসব আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি ও অভ্যাস সমাজ কর্তৃক সমর্থিত ও পালিত হয়ে আসছে তাকে প্রথা বলে। সুশৃঙ্খল জীবন লাভের জন্য মানুষ এগুলো যুগ' যুগ ধরে মেনে চলছে। পরবর্তীকালে রাষ্ট্র সেসব নিয়নকানুনকে লিখিতভাবে আইন হিসেবে লিপিবদ্ধ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম একটি উৎস। সকল ধর্মের কিছু অনুশাসন রয়েছে, যা ঐ ধর্মের অনুসারীরা মেনে চলে। এসব অনুশাসন সমাজ জীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে। ফলে এসব ধর্মীয় অনুশাসনের অনেক কিছুই পরবর্তীতে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে আইনে পরিণত হয়। যেমন- মুসলিম আইন, হিন্দু আইন প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস হচ্ছে ধর্ম। প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত ধর্ম মানুষের জীবনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত করে আসছে। যেমন- মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিবাহ, উত্তরাধিকার আইন ইত্যাদি ধর্মের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তাছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুশাসনসমূহ কালক্রমে আইন হিসেবে অনুমোদিত হয়। এজন্য ধর্মকে আইনের অন্যতম উৎস বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিচারকগণ কোনো মামলার বিচারকার্য সম্পাদন করতে গিয়ে আইন সংক্রান্ত কোনো সমস্যায় পড়লে তা সমাধানের জন্য আইন বিশারদদের বিভিন্ন গ্রন্থের সাহায্য নিয়ে এসব আইন ব্যাখ্যা করেন, যা পরবর্তীতে আইনের পরিণত হয়। যেমন- অধ্যাপক এ ভি ডাইসির 'দ্যাল অব দ্যা কনস্টিটিউশন' এবং উইলিয়াম ব্লাকস্টোনের 'কমেনটরিজ অন দ্যা লজ অব ইংল্যান্ড।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিচারকের এই রায় আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আদালতে উত্থাপিত মামলার বিচার করার জন্য প্রচলিত আইন অস্পষ্ট হলে বিচারকগণ তাদের প্রজ্ঞা ও বিচারবুদ্ধির ওপর ভিত্তি করে ওই আইনের ব্যাখ্যা দেন এবং উক্ত মামলার রায় দেন। পরবর্তীকালে বিচারকগণ সেইসব রায় অনুসরণ করে বিচার করেন। এভাবে বিচারকের রায় পরবর্তী সময়ে আইনে পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আদালতে এমন অনেক মামলা উত্থাপিত হয়, যা সমাধানের জন্য অনেক সময় কোনো আইন বিদ্যমান থাকে না। সে অবস্থায় বিচারকগণ তাদের ন্যায়বোধ বা বিবেক দ্বারা উক্ত মামলার বিচারকাজ সম্পাদন করেন এবং পরবর্তী সময়ে তা আইনে পরিণত হয়। এভাবে ন্যায়বোধ আইনে পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিককালে আইনের প্রধান উৎস হচ্ছে আইনসভা। জনমতের সাথে সংগতি রেখে বিভিন্ন দেশের আইনসভা নতুন আইন প্রণয়ন করে। তাছাড়া আইনসভা পুরাতন আইনকেও সংশোধন করে যুগোপযোগী করে তোলে। অতএর, আইনের উৎস হিসেবে আইনসভার গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে- কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, সবাই আইনের অধীন। অন্যকথায় আইনের চোখে সবাই সমান। আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকার প্রাপ্তির সুযোগকে আইনের শাসন বলে। আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান-এর অর্থ, জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে আইনের সমান আশ্রয় লাভ করা। এর ফলে ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল সকলে সমান অধিকার লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সবার উপরে আইন-এর অর্থ আইনের প্রাধান্য। আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান। সুষ্ঠু আইন প্রয়োগের ফলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে সকলে আইনের সমান আশ্রয় লাভ করে। সবার উপরে আইন প্রাধান্য থাকলে সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বিরত থাকবে এবং জনগণ আইনের বিধান মেনে চলবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন হচ্ছে সমাজস্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুন, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে আইন বিরোধী কোনো কাজের জন্য শাস্তি পেতে হয়। আর শাস্তির ভয়েই মানুষ আইনবিরোধী কাজ বা অপরাধ থেকে বিরত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের গুরুত্ব অপরিসীম। আইনের শাসন না থাকলে সমাজে অনাচার অরাজকতা সৃষ্টি হয়। আইনের শাসন অনুপস্থিত থাকলে নাগরিক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সামাজিক মূল্যবোধ, সাম্য কিছুই থাকে না। তাই সাম্য, স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের শাসন অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের দ্বারা শাসন ও শাসিতের সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয়। সরকার স্থায়িত্ব লাভ করে এবং রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজে ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বলের ভেদাভেদ দূর হয়। তাই সামাজিক সাম্য, নাগরিক অধিকার, গণতান্ত্রিক সমাজ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আইনের শাসন অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাগরিক জীবনে আইনের শাসন না থাকলে সমাজে অনাচার অরাজকতা সৃষ্টি হয়। আইনের শাসনের অভাবে অবিশ্বাস, আন্দোলন ও বিপ্লব অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। আর বিশৃঙ্খলা, অশান্তি ও হানাহানি সমাজের শক্ত ভিতকে দুর্বল করে তুলে। ফলে সমাজে ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বলের ভেদাভেদ প্রকট আকার ধারণ করে। তাই সমাজে অনাচার অরাজকতা বন্ধে আইনের শাসন থাকা জরুরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ বা বাঁধা সৃষ্টি না করে নিজের ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করাই হলো স্বাধীনতা। অর্থাৎ স্বাধীনতা এমন সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশ, যেখানে কেউ কারও ক্ষতি না করে সকলেই নিজের অধিকার ভোগ করে। স্বাধীনতা মানুষের জীবনকে নিরাপদ করে। স্বাধীনতা ব্যক্তির জীবনে শান্তি, উন্নতি ও কল্যাণ এনে দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজে বসবাসকারী মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য যে স্বাধীনতা প্রয়োজন তাই সামাজিক স্বাধীনতা। জীবন রক্ষা, সম্পত্তি ভোগ ও বৈধ পেশা গ্রহণ করা সামাজিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের স্বাধীনতা ভোগের মাধ্যমে নাগরিক জীবন বিকশিত হয়। এ স্বাধীনতা এমনভাবে ভোগ করতে হয় যেন অন্যের অনুরূপ স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ না হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করায় স্বাধীনতাকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলা হয়। যেমন- ভোটদান, নির্বাচিত হওয়া, বিদেশে অবস্থানকালীন নিরাপত্তা লাভ, সরকারি চাকরিতে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ লাভের অধিকার ইত্যাদি নাগরিকের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। রাজনৈতিক স্বাধীনতা ব্যক্তির গণতান্ত্রিক অধিকারকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা গ্রহণ এবং উপযুক্ত পারিশ্রমিক লাভকরাকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলা হয়। মূলত আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির জন্য নাগরিকরা অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ করে। এ স্বাধীনতা না থাকলে অন্যান্য স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না। সমাজের অন্য শ্রেণির শোষণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজের অন্যশ্রেণির শোষণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রয়োজন। যোগ্যতা অনুযায়ী পেশাগ্রহণ এবং উপর্যুক্ত পারিশ্রমিক লাভ করাকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলা হয়। মূলত আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য নাগরিকরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে অন্যান্য স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না। এজন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে ধরনের স্বাধীনতার ফলে একটি রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের কর্তৃত্বমুক্ত থাকে তাকে জাতীয় স্বাধীনতা বলা হয়। যেমন- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং অন্য রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত। বাংলাদেশের এ অবস্থাকে জাতীয় স্বাধীনতা বলে। প্রত্যেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র জাতীয় স্বাধীনতা ভোগ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আইন নাগরিকের স্বাধীনতা সম্প্রসারিত করে। সুন্দর, শান্তিময় জীবনযাপনের জন্য যা প্রয়োজন তা আইনের দ্বারা সৃষ্টি। এসব কাজ করতে গিয়ে যদিও আইন স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু বাস্তবে স্বাধীনতা তাতে সম্প্রসারিত হয়। এজন্য বলা হয়, আইন স্বাধীনতাকে সম্প্রসারিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। স্বাধীনতা উপভোগ করতে হলে এর সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। নাগরিকের সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি, সরকার ও জনগণের মধ্যে সহযোগিতা, আইন, গণতন্ত্র, শাসনতন্ত্রের মৌলিক অধিকারের ঘোষণা, ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ, আইনের অনুশাসন, দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রদানের মাধ্যমে স্বাধীনতা রক্ষা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার। স্বাধীনতা উপভোগ করতে হলে এর সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। নাগরিকের সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি, সরকার ও জনগণের মধ্যে সহযোগিতা, আইন, গণতন্ত্র, শাসনতন্ত্রের মৌলিক অধিকারের ঘোষণা, ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ, আইনের অনুশাসন, দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রদানের মাধ্যমে স্বাধীনতা রক্ষা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন স্বাধীনতার রক্ষক। আইন আছে বলেই স্বাধীনতা রক্ষা করা যায়। সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারগুলো সংরক্ষণের ব্যাপারে শাসনতান্ত্রিক আইন রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে বলে সম্ভাব্য যে কোনো হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। ফলে সরকার বা অন্য কেউ নাগরিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এ প্রসঙ্গে জন লক বলেছেন, "যেখানে আইন থাকে না, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন প্রয়োগের মাধ্যমেই অসাম্যকে দূর করা যায়। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসাম্য দূর করতে যুগ যুগ ধরে আইনই মানুষকে সহায়তা করে আসছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হলো আইনের মাধ্যমে বর্ণবাদ নিষিদ্ধ করা। ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে আইনের মাধ্যমেই খনিজ সম্পদের ওপর জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দূর করা হয়েছে ধনী-দরিদ্রের পাহাড়সম ব্যবধান। এভাবে আইন সাম্যকে সার্থক করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ও স্বাধীনতা পৌরনীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আইন নিয়মকানুনের সমষ্টিকে বোঝায়, যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত। আর স্বাধীনতা হলো অন্যের কোনোরূপ ক্ষতি না করে নিজের খুশিমতো কাজ করা। আইন দ্বারা স্বাধীনতা রক্ষা করা হয় আর স্বাধীনতা না থাকলে আইনের কার্যকারিতা সঠিকভাবে করা যায় না। তাই মানুষ আইনের মাধ্যমেই, স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। যে কারণে আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের ন্যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য বলতে আমরা বুঝি, মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ থাকবে. না এবং সকলেই সমান মর্যাদা লাভ করবে। অর্থাৎ সাম্য বলতে এমন সামাজিক পরিবেশকে বোঝায় যেখানে কোনো ব্যক্তি বা শ্রেণির জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ-সুবিধার বন্দোবস্ত নেই, জাতি-ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই সমান সুযোগ লাভ করে এবং যেখানে সকলেই সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে নিজ নিজ দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য বলতে বোঝায় যেখানে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাড়েদ থাকবে না এবং সকলেই সমান মর্যাদা লাভ করবে। সাম্য একদিকে যেমন নাগরিকদের মধ্যে সাম্যতা এনে দেয়, তেমনি নাগরিক জীবনকে পরিপূর্ণরূপে বিকশিত হতে সহায়তা করে। তাই যেকোনো রাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবনকে পরিপূর্ণরূপে বিকশিত করার জন্য সাম্য প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ৬ প্রকার। যথা-

১. সামাজিক সাম্য,
২. রাজনৈতিক সাম্য,
৩. অর্থনৈতিক সাম্য,
৪. আইনগত সাম্য,
৫. স্বাভাবিক সাম্য ও
৬. ব্যক্তিগত সাম্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল সদস্যের সমানভাবে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করাকে সামাজিক সাম্য বলে। এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা শ্রেণিকে কোনো বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় না। এরূপ সাম্যে প্রতিটি ব্যক্তি তার নিজ নিজ যোগ্যতা বিকাশে সমান সামাজিক সুযোগ-সুবিধা পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রীয় কাজে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ-সুবিধা থাকাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে। নাগরিকরা রাজনৈতিক সাম্যের কারণে মতামত প্রকাশ, নির্বাচিত হওয়া এবং ভোট দেওয়ার অধিকার ভোগ করে। রাজনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে প্রত্যেক নাগরিক তার ব্যক্তিসত্তার বিকাশ ঘটিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে। বেকারত্ব থেকে মুক্তি, বৈধ পেশা গ্রহণ ইত্যাদি অর্থনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত। অর্থনৈতিক সাম্য অর্থ উপার্জন ও বণ্টন বিষয়ে বৈষম্য দূর করে সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক সাম্য উৎপাদন ও বণ্টনের ক্ষেত্রে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করে সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে। অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত রাজনৈতিক সাম্য মূল্যহীন। তাই সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বপ্রথম অর্থনৈতিক সাম্য দরকার বিধায় অর্থনৈতিক সাম্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আইনের দৃষ্টিতে সমান মনে করা এবং বিনা অপরাধে গ্রেফতার ও বিনা বিচারে আটক না করার ব্যবস্থাকে আইনগত সাম্য বলে। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য আইনগত সাম্য প্রতিষ্ঠা করা একান্ত আবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক সাম্যের অর্থ হলো জন্মগতভাবে প্রত্যেক মানুষ স্বাধীন এবং সমান। কিন্তু বাস্তবে জন্মগতভাবে প্রত্যেক মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে সমান হতে পারে না। এজন্য বর্তমানে স্বাভাবিক সাম্যের ধারণা প্রায় অচল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ছাড়া স্বাধীনতার কথা এবং স্বাধীনতা ছাড়া সাম্যের কথা কল্পনা করা যায় না। একটি রাষ্ট্র যত সাম্যভিত্তিক হবে সেখানে স্বাধীনতা তত নিশ্চিত হবে। সমাজে স্বাধীনতা না থাকলে সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠন করা যায় না। তাই সাম্যের জন্য যেমন দরকার স্বাধীনতা, তেমনি স্বাধীনতার জন্য আবশ্যক সাম্য। এদের একটি ছাড়া অন্যটি অচল। এভাবে সাম্য ও স্বাধীনতা পরস্পর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ও স্বাধীনতা জনগণের অধিকার রক্ষার মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। সাম্য ও স্বাধীনতা একই সঙ্গে বিরাজ না করলে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা সম্ভব হতো না। সাম্য উঁচু-নিচুর ভেদাভেদ দূর করে আর স্বাধীনতা সকলের সুযোগ-সুবিধাগুলো ভোগ করার অধিকার দান করে। আর এভাবেই সাম্য ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের ভিত্তিরূপে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে না। সমাজের সুবিধাগুলো সকলে মিলে সমানভাবে ভোগ করতে হলে স্বাধীনতার প্রয়োজন। তাই বলা হয়, সাম্য মানেই স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা মানেই সাম্য। এ দুটি একই সঙ্গে বিরাজ না করলে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা সম্ভব হয় না। সাম্য উঁচু-নীচু ভেদাভেদ দূর করে আর স্বাধীনতা সকলের সুযোগ-সুবিধাগুলো ভোগ করায় সমান অধিকার দেয়। তাই প্রকৃত অর্থে এ দুটিকে একে অপরের পরিপূরণ ও সম্পূরক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সুখে-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করার জন্য রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ছাড়া সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের মূলকথা হলো আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Law.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যারিস্টটলের মতে, “সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

"সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন"- উক্তিটি এরিস্টটলের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইন হচ্ছে "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োগ ও বলবৎ করা হয়।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধ্যাপক স্যামন্ড-এর মতে, "আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন হলো সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুন, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়, তাকে বেসরকারি আইন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন কতকগুলো প্রথা, রীতিনীতি এবং নিয়মকানুনের সমষ্টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শাস্তির ভয়ে মানুষ অপরাধ থেকে বিরত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজের যেসব নিয়ম রাষ্ট্র অনুমোদন করে সেগুলো আইনে পরিণত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো আইন ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনকে ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন সর্বজনীন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজের সকল ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনকে দেশ, কাল ও সময়ভেদে পরিবর্তনশীল হতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধ্যাপক হল্যান্ড আইনকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য যেসব আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয় তাকে সরকারি আইন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক আর. এম. ম্যাকাইভারের মতে আইন দুই প্রকার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধ্যাপক আর. এম. ম্যাকাইভার জাতীয় আইনকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি রাষ্ট্রের সংবিধানে আইনসভা কর্তৃক যে আইন প্রণীত হয় তাই সাংবিধানিক আইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উৎসের ভিত্তিতে আইন ৬ প্রকার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত আইনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ১. রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন. ২. ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন ও ৩. আন্তর্জাতিক আইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত ও বলবকৃত নিয়মকানুনই হলো রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের বিচার কাজ পরিচালনার জন্য ফৌজদারি আইন প্রণয়ন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা হয় ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে প্রশাসনিক আইন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রণীত না হলেও সামাজিকভাবে স্বীকৃত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক আইন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের উৎস ৬টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদিন যাবৎ কোনো নিয়ম সমাজে চলতে থাকলে তাকে প্রথা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে প্রথার মাধ্যমে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রিত হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যুক্তরাজ্যের অনেক আইন প্রথার উপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম উৎস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

'ল' অব দ্যা কনস্টিটিউশন গ্রন্থটি অধ্যাপক এ.ভি ডাইসির লেখা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিচারকের রায় আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিককালে আইনের প্রধান উৎস হচ্ছে আইনসভা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়, সবাই আইনের অধীন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সবার উপরে আইন-এর অর্থ আইনের প্রাধান্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান-এর অর্থ হলো জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে আইনের সমান আশ্রয় লাভ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকার প্রাপ্তির সুযোগকে আইনের শাসন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসন একটি সভ্য সমাজের মানদণ্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টি না করে নিজের ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করাই হলো স্বাধীনতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতার রূপ ৫টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্বাধীনতা ভোগ করলে অন্যের কোনো ক্ষতি হয় না তাকে ব্যক্তি স্বাধীনতা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন রক্ষা, সম্পত্তি ভোগ ও বৈধ পেশা গ্রহণ সামাজিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্বাধীনতার মাধ্যমে একজন নাগরিক, রাষ্ট্রীয় শাসনকাজে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে তাকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতা অনুযায়ী পেশাগ্রহণ এবং উপযুক্ত পারিশ্রমিক লাভকরাকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় স্বাধীনতার ফলে একটি রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের কর্তৃত্বমুক্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন স্বাধীনতার অভিভাবক হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জন লক আইন ও স্বাধীনতা সম্পর্কে বলেছেন, যেখানে আইন থাকে না, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

'আইনের নিয়ন্ত্রণ আছে বিধায় স্বাধীনতা রক্ষা পায়'- উক্তিটি উইলোবির।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জার্মানির হিটলারের আইন মানবতাবিরোধী ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্যের অর্থ সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শব্দগত অর্থে সাম্য বলতে সমাজে সবার সমান মর্যাদাকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃত অর্থে সাম্য বলতে এমন এক সামাজিক পরিবেশকে বোঝায়; যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ ইত্যাদি নির্বিশেষে যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই সমান সুযোগ-সুবিধা লাভ করে যেখানে কারও জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নেই এবং সে সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে সকলে নিজ নিজ দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজের সকল মানুষের সমান সুযোগ লাভ করার সমতাকে সাম্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাগরিক জীবনে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের জন্য সাম্যকে ৬ ভাগে ভাগ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল সদস্যের সমানভাবে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করাকে সামাজিক সাম্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রীয় কাজে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ-সুবিধা থাকাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বৈধ পেশা গ্রহণের অধিকার অর্থনৈতিক সাম্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বেকারত্ব থেকে মুক্তি অর্থনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে স্বাভাবিক সাম্যের ধারণা প্রায় অচল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ ও মর্যাদা ইত্যাদি নির্বিশেষে মানুষে মানুষে কোনো ব্যবধান না করাকে ব্যক্তিগত সাম্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ও স্বাধীনতার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে দুটি ধারণা রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের ভিত্তিরূপে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেখানে সমাজের সকল ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ, ধনী, দরিদ্র সবার জন্য যে আইন সমানভাবে প্রযোজ্য তাকে আইনের সর্বজনীনতা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ করে না, কেননা আইন হচ্ছে সর্বজনীন। সমাজের সকল ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে সমান। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ, ধনী, দরিদ্র প্রভৃতি সবার জন্যই আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয় তাকে আন্তর্জাতিক আইন বলে। বিভিন্ন রাষ্ট্র পরস্পরের সাথে কেমন আচরণ করবে, এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের সাথে কেমন ব্যবহার করবে, কীভাবে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধান করা হবে তা আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম. উৎস হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সকল ধর্মের কিছু অনুশাসন রয়েছে, যা ওই ধর্মের অনুসারীরা মেনে চলে। এসব অনুশাসন সমাজ জীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে। ফলে এসব ধর্মীয় অনুশাসনের অনেক কিছুই পরবর্তীতে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে আইনে পরিণত হয়। যেমন- মুসলিম আইন, হিন্দু আইন প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা প্রত্যেকেই কোনো কোনো ধর্মের অনুসারী। সকল ধর্মের কিছু অনুশাসন রয়েছে, যা ওই ধর্মের অনুসারীরা মেনে চলে। ধর্মীয় বিধি-বিধান আমাদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত করে। ধর্মীয় বিধি-বিধান বা ধর্মীয় অনুশাসন আমাদের সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করে। সুতরাং বলা যায়, ধর্ম সমাজজীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জনগণ বিভিন্ন কারণে রাষ্ট্রপ্রদত্ত আইন মেনে চলে। বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি প্রদানের বিধান রয়েছে। আইনভঙ্গের পরিণতি সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা মানুষকে আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করে। আইন মানুষকে সভ্য, সুশৃঙ্খল ও উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। এজন্য জনগণ আইন মেনে চলে। এছাড়াও ধর্মীয়বোধ ও সামাজিক কল্যাণের জন্য মানুষ আইন মেনে চলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ করে না, কেননা আইন হচ্ছে সর্বজনীন। সমাজের সকল ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে সমান। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী-পুরুষ, ধনী, দরিদ্র প্রভৃতি সবার জন্যই আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাগরিক জীবনে আইনের শাসন গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, আইনের শাসন অনুপস্থিত থাকলে নাগরিক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সামাজিক মূল্যবোধ, সাম্য কিছুই থাকে না। সাম্য, স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের শাসন অত্যাবশ্যক। আইনের শাসনের দ্বারা শাসক ও শাসিতের সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয়। সরকার স্থায়িত্ব লাভ করে এবং রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। আইনের শাসন একটি সভ্য সমাজের মানদণ্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজে ন্যায়বিচার ও শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে আইনের শাসন গুরুত্বপূর্ণ। আইনের শাসন না থাকলে সমাজে অনাচার অরাজকতা সৃষ্টি হয়। তাছাড়া আইনের শাসন অনুপস্থিত থাকলে নাগরিক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সামাজিক মূল্যবোধ, সাম্য কিছুই থাকে না। তাই সমাজে সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, সবাই আইনের অধীন। আইনের শাসনের দ্বারা সরকার স্থায়িত্ব লাভ করে, রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। আইন না থাকলে সমাজে অনাচার-অরাজকতা সৃষ্টি হয়। আইনের শাসনের প্রাধান্য থাকলে সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বিরত থাকে এবং জনগণ আইনের বিধান মেনে চলে। এ কারণেই শাসক ও শাসিতের সুসম্পর্কের জন্য আইনের শাসন প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সীমাহীন স্বাধীনতা মানুষকে স্বেচ্ছাচারী করে তোলে। তাই কাউকে ইচ্ছামতো সবকিছু করার স্বাধীনতা দিলে সমাজে অন্যদের ক্ষতি হতে পারে। আবার, ক্ষতিগ্রস্তরা যদি ইচ্ছামতো প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে তবে সমাজে প্রায় প্রত্যেকেই একাধারে ক্ষতিগ্রস্ত এবং অবাধ প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠবে, যা সমাজে চরম আকারে বিশৃঙ্খলা-সৃষ্টি করবে। এভাবে সীমাহীন স্বাধীনতা অপরের অধিকার হরণ করে বলে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তিস্বাধীনতা বলতে এমন স্বাধীনতাকে বোঝায়, যে স্বাধীনতা ভোগ করলে অন্যের কোনো ক্ষতি হয় না। যেমন- ধর্মচর্চা করা ও পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করা। এ ধরনের স্বাধীনতা ব্যক্তির একান্ত নিজস্ব বিষয়। ব্যক্তিস্বাধীনতা রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা বলবৎকৃত ও স্বীকৃত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন আছে বলে স্বাধীনতা উপভোগ করা যায়। সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারগুলো সংরক্ষণের ব্যাপারে শাসনতান্ত্রিক আইন রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে বলে সম্ভাব্য- যেকোনো হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। ফলে সরকার বা অন্য কেউ নাগরিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এ আইন স্বাধীনতাকে রক্ষা করে বিধায় আইনকে স্বাধীনতার রক্ষক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন স্বাধীনতার ক্ষেত্র প্রসারিত করে। সুসভ্য জীবনের জন্য যে সমস্ত অপরিহার্য সামাজিক শর্তাবলির প্রয়োজন সেগুলো আইনের দ্বারা সম্প্রসারিত হয়। যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি সামাজিক সুবিধাদি আইনের দ্বারা নিশ্চিত হয়। তাই বলা যায় যে, "আইন যত বাড়ে স্বাধীনতাও তত বাড়ে।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল সদস্যের সমানভাবে সামাজিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করাকে সামাজিক সাম্য বলে। সামাজিক সাম্য সমাজ/রাষ্ট্র কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ও স্বাধীনতা পরস্পর সম্পূরক বিধায় তারা সম্পর্কযুক্ত। সাম্য ও স্বাধীনতা পরস্পর নির্ভরশীল। একটি ছাড়া অন্যটির কল্পনা করা যায় না। একটি রাষ্ট্র যত সাম্যভিত্তিক হবে স্বাধীনতা তত নিশ্চিত হবে। তাছাড়া সাম্য ও স্বাধীনতা দুটিই গণতন্ত্রের ভিত্তিরূপে কাজ করে বলেও দুটি সম্পর্কযুক্ত। এ দুটি একই সঙ্গে বিরাজ না করলে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা সম্ভব নয়। সাম্য উঁচু-নীচু ভেদাভেদ দূর করে, আর স্বাধীনতা সকলের সুযোগ-সুবিধাগুলো ভোগ করায় সমান অধিকার দেয়। প্রকৃত অর্থে এ দুটি একে অপরের পরিপূরক ও সম্পূরক.।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য ও স্বাধীনতা ব্যতীত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। গণতন্ত্রের মূল কথা হলো সাম্য ও স্বাধীনতার ভিত্তিতে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যেমন সাম্যের দরকার হয়। তেমনি স্বাধীনতারও প্রয়োজন হয়। সাম্য উঁচু-নীচুর ভেদাভেদ দূর করে আর স্বাধীনতা সকল সুযোগ-সুবিধাগুলো ভোগ করার অধিকার দান করে। এভাবে সাম্য ও স্বাধীনতার সহাবস্থান গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ নিশ্চিত করে বলেই সাম্য ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের ভিত্তিস্বরূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
No explanation available yet.
No explanation available yet.
No explanation available yet.
উত্তরঃ

আইনের মূলকথা আইনের চোখে সবাই সমান ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যাতে সুখশান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারে সেজন্য আইন প্রয়োজন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন করার কারণ নাগরিকের সুখশান্তির জন্য

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ছাড়া সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ Law.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

'সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন'- উক্তিটি এরিস্টটল করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজস্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুনকে আইন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন নির্বাহী বিভাগ প্রয়োগ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন মানুষের বাহ্যিক ধরনের কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আরাফাত সব সময় অপরাধ থেকে দূরে থাকে। আরাফাত শাস্তি ভয় পায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের পেছনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে কাজ করে বলে আইনকে স্বাধীনতার ভিত্তি বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজের সকল ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে সমান ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অধ্যাপক হল্যান্ড আইনকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক আর. এম. ম্যাকাইভারের মতে আইন ২ প্রকার প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় আইনকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের উৎসের ভিত্তিতে আইন ৬ প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন সাধারণত ৩ প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাগরিকদের জন্য আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করে রাষ্ট্র ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফৌজদারি আইন সরকারি আইন ধরনের আইনের অন্তর্ভুক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের কাজ পরিচালনার জন্যে ফৌজদারি আইন প্রণয়ন করা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফৌজদারি আইন কারণে ব্যক্তির অধিকার ভঙ্গ হলে কোন আইনের সাহায্যে তার অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রশাসনিক আইন প্রণয়ন করা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রশাসনিক আইনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষার জন্য যেসব আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয় তাকে ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে ব্যক্তি সম্পর্কিত আইন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক কেমন হবে তা নির্ধারণ হয় আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারিত হবে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের উৎস ছয়টি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘকাল যাবৎ প্রচলিত কোনো নিয়মকে প্রথা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রিটেনের সাধারণ আইন প্রথা প্রকৃতির ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধর্মীয় অনুশাসন সমাজ জীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে পারিবারিক ও সম্পত্তি আইনের অধিকাংশই হিন্দু ও মুসলিম ধর্ম থেকে এসেছে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পারিবারিক ও সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনের উৎস ধর্মগ্রন্থ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

'ল অব দ্যা কনস্টিটিউশন' গ্রন্থের রচয়িতা এ. ভি. ডাইসি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

"কমেনটরিজ অন দ্যা লজ অব ইংল্যান্ড" গ্রন্থের রচয়িতা ব্লাকস্টোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রচলিত আইন অস্পষ্ট হলে বিচারকগণ প্রজ্ঞা ও বুদ্ধির  ভিত্তিতে মামলার রায় দেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের অস্পষ্টতা ও দ্ব্যর্থবোধকতা দূর করার জন্য বিচারকগণ নতুন নতুন আইন তৈরি করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আধুনিককালে আইনের প্রধান উৎস আইনসভা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস আইনসভা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নতুন আইন তৈরি ও পুরাতন আইন সংশোধনের সবচেয়ে উপযোগী উৎস আইনসভা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকারপ্রাপ্তির সুযোগকে আইনের শাসন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের মূল তাৎপর্য আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসন বলতে আইনের প্রাধান্য বোঝায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের অর্থ আইনের প্রাধান্য স্বীকার করা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের মূল উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করলে সাম্য সৃষ্টি পাওয়া যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন ছাড়া সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা করা যায় না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইনের শাসনের দ্বারা শাসক ও শাসিতের সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক সাম্য, নাগরিক অধিকার, গণতান্ত্রিক সমাজ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আইনের শাসন অপরিহার্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সভ্য সমাজের মানদণ্ড আইনের শাসন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে স্বাধীনতা বলতে ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো কাজ করাকে বোঝায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সমাজে সীমাহীন স্বাধীনতার ফলাফল বিশৃঙ্খলা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সীমাহীন স্বাধীনতাস্বাধীনতা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অন্যের ক্ষতি না করে নিজের ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করাকে স্বাধীনতা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতা ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতার রূপ পাঁচটি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নোভা এমবিবিএস পাস করে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে। নোভার ইচ্ছার বাস্তবায়ন করা অর্থনৈতিক ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্বাধীনতা ভোগ করলে অন্যের কোনো ক্ষতি হয় না তাকে ব্যক্তিস্বাধীনতা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধর্মচর্চা ব্যক্তির ব্যক্তিস্বাধীনতা ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করা ব্যক্তিস্বাধীনতা ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তিস্বাধীনতা স্বাধীনতা ব্যক্তির, একান্ত নিজস্ব বিষয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন রক্ষা সামাজিক স্বাধীনতা ধরনের স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবনধারণের স্বাধীনতা সামাজিক ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমাজে বসবাসকারী মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য সামাজিক স্বাধীনতার প্রয়োজন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভোটদান নাগরিকদের রাজনৈতিক ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নির্বাচিত হওয়া রাজনৈতিক ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিদেশে অবস্থানকালীন নিরাপত্তা লাভ রাজনৈতিক ধরনের স্বাধীনতা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাজনৈতিক স্বাধীনতার মাধ্যমে ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় শাসন কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাগরিকরা আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে  ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাতীয় স্বাধীনতার ফলে একটি রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব মুক্ত থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে অন্যান্য স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক স্বাধীন রাষ্ট্র জাতীয় স্বাধীনতা ভোগ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতপক্ষে আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ রূপ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

"যেখানে আইন থাকে না, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"- উক্তিটি  জন লক

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন স্বাধীনতার অভিভাবক হিসেবে কাজ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন সকল প্রকার বিরোধীশক্তিকে প্রতিহত করে স্বাধীনতাকে রক্ষা করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

"আইনের নিয়ন্ত্রণ আছে বিধায় স্বাধীনতা হ্রাস পায়"- উক্তিটি - উইলোবি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইন নাগরিকের স্বাধীনতা সম্প্রসারিত করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হিটলারের আইন মানবতাবিরোধী ছিল ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্য মানে সমান ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাম্যের দ্বারা সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদান বোঝায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রীয় কাজে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ-সুবিধা থাকাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মতামত প্রকাশ রাজনৈতিক ধরনের সাম্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নির্বাচিত হওয়ার অধিকার রাজনৈতিক সাম্য ধরনের সাম্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভোট দেওয়ার অধিকার রাজনৈতিক সাম্যধরনের সাম্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক ধরনের সাম্য বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
73

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যাতে সুখে-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারে, রাষ্ট্র সে জন্য আইন প্ৰণয়ন করে । আইন ছাড়া সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব। আইনের শাসনের মূলকথা হচ্ছে, আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের আইনের বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ ও উৎস, স্বাধীনতার স্বরূপ, প্রকারভেদ, সংরক্ষণের উপায়, সাম্যের ধারণা, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্যের সম্পর্ক এবং নাগরিক জীবনে আইনের শাসনের গুরুত্ব ইত্যাদি জানা একান্ত আবশ্যক ।
এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-
♦ আইন, স্বাধীনতা ও সাম্যের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ আইনের উৎস বর্ণনা করতে পারব
♦ আইন, স্বাধীনতা ও সাম্যের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব
♦ আইনের শাসনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব
♦ আইনের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করব এবং আইন মেনে চলব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

'কমেনটরিজ অন দ্যা লজ অব ইংল্যান্ড' গ্রন্থটি ব্রিটিশ আইনজ্ঞ স্যার উইলিয়াম ব্লাকস্টোনের (Sir William Blackstone)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2k
উত্তরঃ

এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়, তাকে আন্তর্জাতিক আইন বলে।
বিভিন্ন রাষ্ট্র পরস্পরের সাথে কেমন আচরণ করবে, এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের সাথে কেমন ব্যবহার করবে, কীভাবে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধান করা হবে তা আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

জনাব শ্যামল মিত্র যেখানে বিল উত্থাপন করেন তা আইনের প্রধান উৎস আইনসভাকে নির্দেশ করে।
জনাব শ্যামল মিত্র একজন সংসদ সদস্য। তিনি তার এলাকার ইভটিজিং সমস্যা সমাধানের জন্য সংসদে একটি বিল উত্থাপন করলে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। আর জাতীয় সংসদ হলো বাংলাদেশের আইনসভা। আধুনিককালে আইনের শ্রেষ্ঠতম ও বৃহত্তম উৎস হচ্ছে আইনসভা। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন করে এবং প্রয়োজনবোধে আইনের রদবদল ও সংশোধন করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনসভার অপ্রতিহত ক্ষমতা রয়েছে। তার প্রভার সর্বত্র বিদ্যমান। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনসভা জনমতের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শ্যামল মিত্র তার এলাকার ইভটিজিং সমস্যা সমাধানের জন্য আইনসভায় বিল উত্থাপন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

জনাব অর্ক 'বড়ুয়ার বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রদান পদ্ধতিটি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস- উক্তিটি যথার্থ।
বিচারকের রায় আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বিচারকগণ সাধারণত দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে বিচার করেন। আদালতে উত্থাপিত মামলার বিচার কাজ সম্পাদন করার জন্য প্রচলিত আইন অস্পষ্ট হলে বিচারকগণ তাদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নতুন আইন তৈরি করে উক্ত মামলার রায় দেন এবং প্রয়োজনবোধে ঐ আইনের ব্যাখ্যা দেন। পরবর্তীকালে অন্যান্য বিচারকগণ সেসব রায় অনুসরণ করে বিচার করেন। এভাবে বিচারকের রায় আইনে পরিণত হয়। যেমন: যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক দুই প্রধান বিচারপতি জন মার্শাল (John Marshall) ও চার্লস হিউজেস (Charles Evans Hughes) বহু নতুন আইন সৃষ্টি করেছেন।
উদ্দীপকের জনাব অর্ক বড়ুয়ার ক্ষেত্রেও আমরা দেখতে পাই, তিনি একটি দেশের উচ্চ আদালতের প্রধান। একটি মামলায় অপরাধীর সাজা নির্ধারণের সময় প্রচলিত আইনের সাথে মিল না পেয়ে তিনি তার প্রজ্ঞা ও বিচার-বুদ্ধির ওপর ভিত্তি করে সাজা নির্ধারণ করেন। বিচারক অর্ক বড়ুয়ার এ কাজের সাথে আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বিচারকের রায়ের সাদৃশ্য রয়েছে।
আলোচনা শেষে বলা যায়, অর্ক বড়ুয়ার বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রদান পদ্ধতিটি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
708
উত্তরঃ

আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, সবাই আইনের অধীন।
আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমান অধিকার প্রাপ্তির সুযোগকে আইনের শাসন বলে। আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এর অর্থ জাতি-ধর্ম-বর্ণ- লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে আইনের সমান আশ্রয় লাভ করাকে বোঝায়। এ বিষয়টি সমাজে প্রতিষ্ঠা পেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews