উদ্দীপকে Y হচ্ছে মিয়োসিস কোষ বিভাজন। এ প্রক্রিয়ায় ক্রোমোজোম একবার এবং নিউক্লিয়াস দুবার বিভাজিত হয়। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বংশগতির ধারা অব্যাহত থাকে। প্রক্রিয়াটি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
মিয়োসিস কোষ বিভাজনের ফলে জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। ফলে দুটি জননকোষ একত্রিত হয়ে যে জাইগোট গঠন করে তার ক্রোমোজোম সংখ্যা প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যার অনুরূপ থাকে। এতে নির্দিষ্ট প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যার ধ্রুবতা বজায় থাকে। আর এই ক্রোমোজোমই বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ ক্রোমোজোমের DNA অণুগুলোই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং জীবদেহে বৈশিষ্ট্যগুলো পুরুষাণুক্রমে বহন করে। ফলে সৃষ্ট জীবদেহে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে। মিয়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বংশগতির এ ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে সৃষ্ট জীবদেহে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে এবং মিয়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তা অব্যাহত থাকে।
পরিশেষে বলা যায় মিয়োসিস কোষ বিভাজন হয় বলেই প্রতিটি প্রজাতির বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় টিকে থাকে এবং বংশগতির ধারা অব্যাহত থাকে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!