ম্যাগনেসিয়াম ধাতুর যোজ্যতা ও যোজ্যতা ইলেকট্রন উভয়ই 21 অপরদিকে অক্সিজেন অধাতব মৌল বিধায় যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা 4 হলেও সর্বশেষ কক্ষপথে দুইটি বিজোড় ইলেকট্রনের অবস্থানের কারণে এর যো জজুতা হয় 2।
উপরোক্ত ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায় ক্লোরিন পরমাণুর সর্বশেষ কক্ষপথে 7টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। অষ্টক পূর্ণতার জন্য দুটি ক্লোরিন পরমাণুর প্রত্যেকে একটি করে ইলেকট্রন প্রদান করে এক জোড়া ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে সমযোজী বন্ধন গঠনের মাধ্যমে একটি ক্লোরিন অণু (Cl2) গঠন করে। ফলে প্রতিটি ক্লোরিন পরমাণু নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে।
আমরা জানি, সকল পদার্থই অনু এবং পরমাণু দিয়ে গঠিত। এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত 118টি মৌলের 118টি ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু রয়েছে। এদের মধ্য থেকে এক বা একাধিক মৌলের পরমাণু দিয়েই সকল পদার্থের অণু গঠিত হয়। পদার্থের অণুতে পরমাণুসমূহ এলোমেলো বা বিক্ষিপ্তভাবে থাকে না। পরমাণুসমূহ সুবিন্যস্ততাৰে থাকে। যে আকর্ষণ শাস্তির মাধ্যমে অণুতে দুটি পরমাণু পরস্পর যুদ্ধ থাকে তাকে রাসায়নিক ৰখন বলে। এই ৰখন বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন—আয়নিক বন্ধন, সমযোজী কখন কিংবা খাত বন্ধন। এ অঞ্চায়ে আয়নিক, সমযোর্থী বা ধাতব বন্ধন বিশিষ্ট যৌগের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া ও তাদের ধর্ম নিয়ে আলোচনা করা হবে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -
যোজ্যতা ইলেকট্রনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
মৌলের প্রতীক, যৌগমূলকের সংকেত ও এগুলোর যোজনী ব্যবহার করে যৌগের সংকেত লিখতে পারব।
নিষ্ক্রিয় গ্যাসের স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে পারব। • অষ্টক ও দুইয়ের নিয়মের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
রাসায়নিক বন্ধন এবং তা গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
আয়ন কীভাবে এবং কেন সৃষ্টি হয় তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
আয়নিক বন্ধন গঠনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব।
সমযোজী বন্ধন গঠনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব।
আয়নিক ও সমযোজী বন্ধনের সাথে গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক, দ্রাব্যতা, বিদ্যুৎ পরিবাহিতা এবং কেলাস গঠনের ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
ধাতব বন্ধনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
ধাতব বন্ধনের সাহায্যে ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
স্থানীয়ভাবে সহজপ্রাপ্য দ্রব্যের মধ্যে আরনিক ও সমযোজী যৌগ শনান্ত করতে পারব।