ম্যাগনা কার্টা হলো ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক ১২১৫ সালের ১৫ জুন স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক দলিল, যা রাজার স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে আইনের শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। অতিরিক্ত কর আরোপ, অন্যায়ভাবে সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও ন্যায়বিচার অস্বীকারের বিরুদ্ধে সামন্ত ও নাগরিক সমাজের চাপের ফলে রানীমেডে এই চুক্তি প্রণীত হয়। এর মূল শর্তগুলোর মধ্যে ছিল—স্থানীয় প্রতিনিধিদের অনুমোদন ছাড়া কর আরোপ করা যাবে না, কাউকে বেআইনিভাবে স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না এবং রাজাসহ সবাই আইনের অধীন থাকবে। ৬৩টি অনুচ্ছেদে বিভক্ত এই সনদ বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা জোরদার করে এবং ইংল্যান্ডের সাংবিধানিক বিকাশে মাইলফলক হয়ে ওঠে। ম্যাগনা কার্টার প্রভাব ইংল্যান্ডের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের বিল অব রাইটস, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা এবং অন্যান্য দেশের সংবিধানেও প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলাদেশে ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফাকে ম্যাগনা কার্টার সঙ্গে তুলনা করা হয়, কারণ উভয়ই শাসকের অন্যায় ক্ষমতা সীমিত করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দলিল হিসেবে বিবেচিত।
ম্যাগনাকার্টা (Magna Carta) হলো একটি ঐতিহাসিক দলিল, যা ইংল্যান্ডের রাজা জন (King John) ১২১৫ সালে স্বাক্ষর করেন। এটি রাজা ও প্রজাদের মধ্যে এক ধরনের চুক্তি ছিল, যার মাধ্যমে রাজাকে কিছু নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে বাধ্য করা হয়।
মূল বিষয়বস্তু:
রাজা ইচ্ছেমতো কর আদায় করতে পারবে না।
প্রজাদের ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার থাকবে।
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় – এমনকি রাজাও নয়।
গুরুত্ব: ম্যাগনাকার্টাকে আধুনিক গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। এটি ভবিষ্যতে ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থার এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সংবিধানের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১১ দফা
২১ দফা
৬ দফা
8 দফা