# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
জুসিয়া তার বাচ্চাদের জামা নিজেই তৈরি করেন। তবে জামা তৈরি করার সময় চূড়ান্ত সেলাইয়ের আগে ভিন্ন একটি ফোঁড় ব্যবহার করে সেলাই করেন।
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী লিমার বড় বোন কলেজে পড়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি সে নিজের পোশাক নিজেই তৈরি করে। বোনের কর্মদক্ষতায় তার মা-বাবা খুব খুশি। বন্ধুরাও তার তৈরি পোশাকের যথেষ্ট প্রশংসা করে। লিমাও তার বোনের মতো কাজ করতে চায়। কিন্তু লিমার মা জানান যে, এখন তার জন্য যা প্রয়োজন তা হচ্ছে, সেলাইয়ের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা। পোশাক তৈরির কাজে বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়। এসব সরঞ্জাম ছাড়া পোশাক তৈরি করা সম্ভব হয় না। সেলাইয়ের সাজ-সরঞ্জাম যদি হাতের কাছে থাকে তবে কাজ করতে সুবিধা হয়, সময় বাঁচে ও বিরক্তি আসে না।
সেলাইয়ের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামের মধ্যে সবচেয়ে প্রধান হলো সেলাই মেশিন। মানুষের কল্যাণে আজ পর্যন্ত যেসব যন্ত্রপাতি আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে সেলাই মেশিন অন্যতম।

সেলাইয়ের অন্যান্য সাজ-সরঞ্জামের তুলনায় এই মেশিন বেশ বড় এবং এর দামও বেশি। বাজারে সাধারণত তিন ধরনের সেলাই মেশিন পাওয়া যায়, যেমন- হাত মেশিন, পা মেশিন ও বৈদ্যুতিক মেশিন। এসব মেশিনের সাহায্যে অনেক সুন্দর সুন্দর বৈচিত্র্যময় পোশাক ও গৃহসজ্জার সামগ্রী সেলাই করা যায়।
(১) হাত মেশিন- হাত মেশিন চালাতে বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন হয় না। বাম হাত দিয়ে কাপড় ধরে, ডান হাত দিয়ে হাতল ঘুরিয়ে সেলাই কাজ করতে হয়। অন্যান্য মেশিনের তুলনায় এই মেশিনের দাম কম এবং যত্ন নেওয়াও সহজ।
(২) পা মেশিন- এই মেশিন চালাতেও বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন হয় না। পায়ের চাপের সাহায্যে প্যাডেল নাড়াচাড়া করে এই মেশিন চালানো হয়। এই মেশিন ব্যবহারের সময় আমরা দুই হাতের সাহায্যেই কাপড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। হাত মেশিনের মতো এই মেশিনেরও যত্ন নেওয়া সহজ।

(৩) বৈদ্যুতিক মেশিন- এই মেশিনে বিদ্যুৎশক্তির সাহায্যে অল্প পরিশ্রমে অনেক কাপড় সেলাই করা যায়। অন্যান্য মেশিনের তুলনায় এই মেশিনের দাম বেশি হলেও চালানোর মতো জ্ঞান থাকলে বিভিন্ন ধরনের সেলাইয়ের কাজ তা দিয়ে করা যায়। এই মেশিন ব্যবহার ও যত্ন নেওয়ার সময় দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

| কাজ-১ বিভিন্ন ধরনের মেশিনের সুবিধা-অসুবিধাগুলোর পার্থক্য উল্লেখ করো। |
সেলাই মেশিন ছাড়া সেলাই কাজে আনুষঙ্গিক আরও নানারকম সরঞ্জামের দরকার হয়। ব্যবহার অনুযায়ী এগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। এ সম্পর্কে পরবর্তী পাঠে আলোচনা করা হলো।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আমেনা সংসারের কাজের ফাঁকে সেলাই এর কাজ করেন। এর ফলে তিনি পরিবারের পোশাক তৈরি করা ছাড়াও কিছু উপার্জন করেন।
(ক) মাপ নেওয়ার সরঞ্জাম
যে কোনো সুন্দর মানানসই ফিটিং পোশাকের পূর্বশর্ত হচ্ছে সঠিকভাবে পরিধানকারীর দেহের মাপ নেওয়া। এই মাপের উপর ভিত্তি করে পোশাকের নকশা আঁকা হয়। দেহের বিভিন্ন অংশের মাপ নেওয়ার জন্য কিছু সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়। যেমন- মাপের ফিতা, স্কেল, গজ কাঠি ইত্যাদি।

(খ) কাটার সরঞ্জাম
উপযুক্ত সরঞ্জাম ছাড়া কোনো কাপড়ই সুন্দরভাবে কাটা যায় না। সুন্দরভাবে কাটা না গেলে পোশাকের নকশাও ঠিকমতো ফুটে ওঠে না। কাপড় ছাঁটার জন্য মাঝারি ধরনের ধারালো কাঁচি, সুতা কাটার জন্য ছোট কাঁচি এবং পোশাক প্রস্তুতের পর পোশাকের প্রান্তধার কাটার জন্য পিংকিং শিয়ার ব্যবহার করা হয়। এছাড়া সেলাই খোলার জন্য বডকিন এবং বোতাম ঘর কাটার জন্য বিশেষ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
উপযুক্ত সরঞ্জাম ছাড়া কোনো কাপড়ই সুন্দরভাবে কাটা যায় না। সুন্দরভাবে কাটা না গেলে পোশাকের নকশাও ঠিকমতো ফুটে ওঠে না। কাপড় ছাঁটার জন্য মাঝারি ধরনের ধারালো কাঁচি, সুতা কাটার জন্য ছোট কাঁচি এবং পোশাক প্রস্তুতের পর পোশাকের প্রান্তধার কাটার জন্য পিংকিং শিয়ার ব্যবহার করা হয়। এছাড়া সেলাই খোলার জন্য বডকিন এবং বোতাম ঘর কাটার জন্য বিশেষ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

(গ) দাগ দেওয়ার সরঞ্জাম
পোশাকের নকশা আঁকা ও নকশার বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় দাগ বা মাপের চিহ্ন দেওয়ার জন্য কিছু সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়। যেমন- পেন্সিল, টেইলারিং চক, কার্বন পেপার, বিভিন্ন রঙের সুতা, দাগ মোছার জন্য রাবার ইত্যাদি।

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নীলা একজন সফল 'বুটিক শপের মালিক। তিনি পোশাক তৈরিতে বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ব্যবহার করেন। তার বুটিক শপের পোশাক ক্রেতাদের নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয়।
মিতা 'ভালো সেলাই করতে পারে। সে বাড়ির প্রয়োজন মিটিয়ে সেলাই করে অর্থ উপার্জন করে। তার বোন মিতার-কাছ থেকে সেলাই শিখতে চায়। মিতা. তাকে বিভিন্ন উপকরণের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল এবং সঠিকভাবে মাপ নিতে বলল।
(ক) চাপ দেওয়ার সরঞ্জাম
পোশাকের বিভিন্ন অংশ ছাঁটার আগে ও সেলাই করার পর তাদের আকৃতি সঠিকভাবে প্রস্তুত করার জন্য ইস্ত্রি করা বা চাপ দেওয়ার প্রয়োজন হয়। পোশাকের বিভিন্ন অংশ যেমন- কলার, পকেট, বোতাম পট্টি, প্রভৃতি তৈরির পর ভালোভাবে ইস্ত্রি করে নিলে আকৃতি সুন্দর ও পরিপাটি হয়। এরপর অন্য অংশের সাথে সেলাই জুড়ে দিলে সম্পূর্ণ পোশাকটি দেখতে সুন্দর হয়। চাপ দেওয়ার জন্য সাধারণত সঠিক ওজনের ইস্ত্রি, সঠিক উচ্চতার টেবিল দরকার হয়।

(খ) হাতে সেলাই করার সরঞ্জাম
একটি পোশাক সেলাই করার সময় যদিও এর বেশির ভাগ অংশ মেশিনে সেলাই করতে হয়, তবুও বেশ কিছু অংশ পরিপাটিভাবে সমাপ্ত করার জন্য হাতে সেলাই করতে হয়। হাতে সেলাই করার জন্য ছোট বড় নানা সাইজের সুচ, নানা রঙের সুতা, ফ্রেম, ছোট কাঁচি ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।

সেলাইয়ের সরঞ্জামগুলোকে খুব যত্নের সাথে একটি বাক্সে রাখলে ভালো হয়। এগুলো গোছানো থাকলে প্রয়োজনে সহজেই পাওয়া যায় এবং এগুলোর সাহায্যে হাতের কাজ খুব ভালোভাবে করা যায়।
| কাজ- ৩ পোশাক তৈরির সময় কোন কোন সরঞ্জাম প্রয়োজন তার একটি তালিকা তৈরি করো। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পূর্বের পাঠে তোমরা সেলাই কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছ। এই পাঠে তোমরা সামান্য সুচ সুতা দিয়ে অতি সাধারণ একটি কাপড়কে কীভাবে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করা যায়, সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করবে। অর্থাৎ এই পাঠে তোমরা বিভিন্ন ফোঁড়ের মাধ্যমে সুচিশিল্পের দক্ষতা অর্জন করবে। এ কাজ করার সময় তোমাকে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। যেমন-
(ক) নকশাটি যেন কাপড়ের উপর ফুটে ওঠে সেদিকে লক্ষ রেখে কাপড় নির্বাচন করতে হবে।
(খ) সঠিক স্থানে সঠিক রঙের সুতা ব্যবহার করতে হবে।
(গ) এমব্রয়ডারি করার সময় চিকন সুচ ব্যবহার করতে হবে।
(ঘ) কাপড় যেন কুঁচকে না যায় সেদিকে লক্ষ রেখে সুতার টান ঠিক রাখতে হবে।
(ঙ) নকশা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের ফোঁড়ের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে।
(চ) চর্চার মাধ্যমে নিখুঁত ফোঁড় সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে।
হাতের সাহায্যে সুচ সুতা দিয়ে কিভাবে একটি কাপড়ে বিভিন্ন ধরনের ফোঁড় সৃষ্টি করা যায় এ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো-
রান ফোঁড়
সুতাসহ সুচ কাপড়ের নকশার মধ্যে ঢুকিয়ে কয়েকবার উপর নিচ করে ছোট ছোট ফোঁড় দিয়ে বের করে এনে রান ফোঁড় সম্পন্ন করা হয়। ফোঁড়গুলো সর্বত্র প্রায় সমান আকৃতির হতে হয়। এটা সবচেয়ে সহজ ফোঁড়। এই ফোঁড়ের সাহায্যে সাধারণ পোশাক তৈরি করা ছাড়াও নকশিকাঁথা, কুশন কভার, সোফা ব্যাক ইত্যাদি নকশা সেলাই করতে পারবে।

| কাজ- ১ সুচে সুতা ভরে গিঁট দাও এবং একটি কাপড়ে রান ফোঁড়ের মাধ্যমে নকশা তৈরি করো। |
| টাক দুই বা ততোধিক কাপড়ের টুকরা সাময়িকভাবে জোড়া দিতে রান ফোঁড়ের চেয়ে বড় বড় যে সেলাই অস্থায়ীভাবে করা হয় তাকে টাক সেলাই বলে। মেশিনে চূড়ান্ত সেলাই দেওয়ার পর এই টাক সেলাই খুলে ফেলতে হয়। | ![]() | ![]() |
টাক সেলাই
| কাজ- ২ সুচে সুতা ভরে গিট দাও এবং একটি কাপড়ে টাক সেলাইয়ের চর্চা করো। |
বখেয়া ফোঁড়
বখেয়া সেলাই করার সময় প্রথমে কাপড়ে সুতা আটকিয়ে সুচকে একটু পেছনে এনে আর একটি ফোঁড় দিতে হবে। এই দ্বিতীয় ফোঁড়ে সুচের অগ্রভাগ প্রথম ফোঁড় থেকে একটু সামনে উঠবে। পরবর্তী ফোঁড়ও একইভাবে তুলতে হয়, তবে প্রথম ফোঁড় যেখানে শেষ হয়েছে ঠিক সেখানেই সুচ তুলতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ফোঁড় পরস্পরের গায়ে লেগে থাকে। এই ফোঁড় বেশ মজবুত হয় এবং সোজা দিক দেখতে মেশিনের সেলাইয়ের মতো হয়। এই ফোঁড়ের উল্টোদিক ডাল ফোঁড়ের মতো দেখায়। নকশার ধার, গাছের ডাল, পাতা প্রভৃতিতে নকশার জন্য এই ফোঁড় ব্যবহার করা হয়।

| কাজ - ৩ বখেয়া ফোঁড়ের সাহায্যে একটি কাপড়ে ডিজাইন তৈরি করো। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
লাইজু সেলাই প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। আজ সে এমন একটি সেলাইয়ের ফোঁড় শিখেছে যা সোজা দিক থেকে দেখতে মেশিনের সেলাইয়ের মতো মনে হয়। এর প্রতিটি ফোঁড় পরস্পরের গায়ে লেগে থাকে।
হেম
গলায়, হাতের মুড়িতে, জামা বা ব্লাউজের নিচের ধারে, ট্রে ক্লথ, টেবিল ক্লথ ও রুমালের কিনারায় কাপড় ভাঁজ করে এই ফোঁড় ব্যবহার করা হয়। কাপড়ের উল্টো দিকে হেম সেলাই করা হয়। এই ফোঁড় দিতে হলে সুচে সুতা ভরে নিচের চিত্রের ন্যায় মূল কাপড়ে ছোট্ট একটি ফোঁড় দিয়ে ভাঁজ করা কাপড়ে তেরছাভাবে আর একটি ফোঁড় তুলে আনতে হয়।

| কাজ-১ একটি ট্রে ক্লথের কিনারায় কাপড় ভাঁজ করে হেম ফোঁড়ের সাহায্যে সেলাই করো। |
চেইন ফোঁড়
দেখতে শিকলের মতো হয় বলে একে চেইন ফোঁড় বলে। এ সেলাই করতে প্রথমে কাপড়ের পেছন থেকে সুতা তুলে সুচ দিয়ে বাম দিকে একটি ফোঁড় তোলা হয় এবং সুতা দিয়ে সুচের ঠিক আগায় একটি ফাঁস তৈরি করা হয়। তারপর সুচ টেনে বের করতে হয়। পরের বার ফোঁড় ওঠাবার সময় ঠিক আগের ফোঁড়ের মধ্য থেকে ওঠাতে হবে। নকশার কিনারা, ডাল, পাতা প্রভৃতি তৈরির কাজে এই ফোঁড় ব্যবহার করা হয়।

| কাজ- ২ চেইন ফোঁড়ের সাহায্যে নকশার কিনারা ফুটিয়ে তোলো। |
লেজি ডেজি ফোঁড়
| একটি বড় চেইন ফোঁড় তৈরি করে তার উপরের অংশে একটি ছোট ফোঁড় দিয়ে কাপড়ের সাথে আটকে দিলে লেজি ডেজি ফোঁড় তৈরি হয়। বিভিন্ন নকশায় ছোট ফুলের পাপড়ি এবং পাতা তৈরি করতে এই ফোঁড় ব্যবহার করা হয়। | ![]() |
| লেজি ডেজি ফোঁড় |
| কাজ-৩ লেজি ডেজি ফোঁড়ের সাহায্যে ফুলের নকশা তৈরি করো। |
ডাল ফোঁড়
এই সেলাই করার জন্য প্রথমে সুচকে কাপড়ের নিচ থেকে উপরের দিকে তুলবে। প্রথম ফোঁড়ে সুচের অগ্রভাগ যেখানে উঠবে সেখান থেকে দুই তিনটি সুতা ছেড়ে দিয়ে একটু বাঁকা করে দ্বিতীয় ফোঁড়টি তুলতে হবে। পরবর্তী ফোঁড়গুলো এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে। এই ফোঁড় দেখতে অনেকটা গাছের ডালের সঙ্গে জড়ানো লতার মতো হওয়ায় ডাল-পালার নকশা ফুটিয়ে তুলতে এই ফোঁড় ব্যবহার করতে পার।

| কাজ-৪ একটি কাপড়ে ডাল ও পাতার ছবি এঁকে ডাল ফোঁড় প্রয়োগ করো। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
তমা সুচি কর্মের সাহায্যে তার পোশাকে বিভিন্ন নকশা তৈরি করে। সে চেইন, লেজি ডেজি ও ডাল ফোঁড় বেশি ব্যবহার করে থাকে।
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১. দেহের মাপ নেওয়ার জন্য কোন সরঞ্জামটি ব্যবহার করা হয়?
ক. ট্রেসিং হুইল
খ. সিম রোল
গ. মাপের ফিতা
ঘ. টেইলারিং চক
২. ফ্রকের প্রান্তধার মুড়িয়ে সেলাই করতে কোন ফোঁড় ব্যবহার করা হয়?
ক. রান
খ. হেম
গ. বখেয়া
ঘ. টাক
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ো এবং ৩ নং ও ৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও:
জুলিয়া তার বাচ্চাদের জামা নিজেই তৈরি করেন। তবে জামা তৈরি করার সময় চূড়ান্ত সেলাইয়ের আগে ভিন্ন একটি ফোঁড় ব্যবহার করে সেলাই করেন।
৩. জুলিয়া কোন ফোঁড়টি ব্যবহার করে?
ক. রান
খ. টাক
গ. হেম
ঘ. চেইন
8. জুলিয়া পোশাক সেলাইয়ের সময় ভিন্ন একটি ফোঁড় ব্যবহার করেন। কারণ-
i. পোশাকের মাপ ঠিক করা
ii. পোশাকটি আকর্ষণীয় করা
খরচ বাঁচানো
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. i ও iii
গ. ii ও iii
ঘ. i, ii ও iii
সৃজনশীল প্রশ্ন
১. পোশাক সেলাইয়ের কাজ করে রুমাকে সংসার চালাতে হয়। সে একটি হাত মেশিন, কাঁচি ও গজ ফিতা দিয়ে এ কাজ করে। বুটিক শপের জন্য দোকানিরা তার তৈরি পোশাকগুলোর কলার, কাফ, পকেট, প্লিট, বোতাম ঘর ইত্যাদির ফিনিশিং দেখে সন্তুষ্ট না হয়ে পোশাকগুলো ফেরত দেয়। এ ছাড়াও পাড়ার লোকদের অর্ডার সঠিক সময়ে বুঝিয়ে দিতে না পেরে রুমা চিন্তিত হয়ে পড়ে।
ক. পিং কিং শিয়ারের কাজ কী?
খ. পোশাকে দাগ দেওয়ার সরঞ্জাম বলতে কী বোঝায়?
গ. সেলাই কাজের জন্য রুমার মেশিনটি নির্বাচন কি সঠিক হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উপযুক্ত সরঞ্জামের অভাবেই রুমা লাভবান হতে পারছে না। বুঝিয়ে লেখো।
২. নিরুপমা কিছুদিন হলো সুচি শিল্পের কাজ শিখেছে। তাই সে রুমালে সুচি কাজ করবে বলে ঠিক করল। রুমালের এক কোনায় ডালসহ একটি ফুলের নকশা এঁকে টাক ও হেম সেলাই দিয়ে নকশাটি করল। সেলাই শেষে দেখা গেল নকশাটি কুঁচকে আছে। রুমালটিও ছিদ্র হয়ে গেছে।
ক. বডকিন কোন কাজে ব্যবহার করা হয়?
খ. পরিধানকারীর দেহের মাপ নেওয়া বলতে কী বোঝায়?
গ. নিরুপমা রুমালের নকশায় সঠিক ফোঁড় ব্যবহার করেছে কি না? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুসরণ না করায় নিরুপমার রুমালের নকশাটি নষ্ট হলো। আলোচনা করো।


