ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায়কে বলা হয় ভারতের নবজাগরণের পথিকৃৎ। রামমোহনের সমকালীন সমাজে গোঁড়ামি, অন্ধবিশ্বাস ও জাতিভেদসহ নানা কুপ্রথা প্রচলিত ছিল। একটি মানবিক ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনের জন্য তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। তাঁর আন্দোলনের ফলে বৃটিশ সরকার সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করে আইন পাশ করে। এতে নারীকে স্বামীর চিতায় জীবন্ত দাহ করার অমানবিক প্রথার অবসান ঘটে।
বিদ্রোহ স্বতঃস্ফূর্ত, স্বতোৎসারিত, সর্বগ্রাসী ও সংক্রামক। বিদ্রোহ করতে হলে সকল অনিয়ম, অন্যায়, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জগতের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে বলতে হবে—'আমি কোনো অসত্যের কাছে মাথা নত করব না।'
জলাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে হরিপুর গ্রামের মানুষের জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়ে। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী কালাম সাহেব গ্রামের মানুষকে নিয়মিত দান-খয়রাত ও আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন। গ্রামের আরেক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জামাল সাহেব নিজস্ব অর্থে একটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে নতুন পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। এতে গ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যার অবসান ঘটে। সারা বছর চাষাবাদ করা সম্ভব হয় বলে এখন আর হরিপুর গ্রামের মানুষের আর্থিক সাহায্য গ্রহণের প্রয়োজন হয় না।
১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চের রাতের গণহত্যার জের ধরে ২৬ মার্চ দিনের বেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন এলাকায় আগুনের কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছিল। কারফিউয়ের মধ্যেও বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দলে দলে পালাতে শুরু করে। অনেকে পরিচিতজনদের খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করছিলেন। পুরো ঢাকায় ছড়িয়ে ছিল ধ্বংসযজ্ঞের নমুনা। যেখানে সেখানে পড়েছিল মৃতদেহ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?