গ্রীনিচ মানমন্দির অবস্থিত ----

Updated: 3 months ago
  • যুক্তরাজ্য
  • যুক্তরাষ্ট্রে
  • ফ্রান্সে
  • জার্মানিতে
1.6k
উত্তরঃ গ্রীনচ মানমন্দির অবস্থিত যুক্তরাজ্যে । ১৬৭৫ সালে রাজা দ্বিতীয় চার্লস লন্ডনের গ্রিনউইচে একটি মানমন্দির নির্মাণের নির্দেশ দেন। এর নকশা তৈরি করেন স্যার ক্রিস্টোফার রেন। পৃথিবীর সময়শূন্য স্থান এ গ্রিনউইচ মানমন্দির এবং গ্রিনিচ মান সময় ( Greenwich Mean Time  - GMT )  তা মেনে নেয়া হয় ১৮৮৪ সালে।

দ্রাঘিমারেখা (Lines of longitude) বা মধ্যরেখা (Meridian):

নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগবিন্দুর ওপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।

মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। মূল মধ্যরেখার দ্রাঘিমা ০° ।

দ্রাঘিমা (Longitude):

গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে বা পশ্চিমে যে কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমা বলা হয়।

দ্রাঘিমা নির্ণয়ের পদ্ধতি: ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের দ্রাঘিমা দুই ভাবে নির্ণয় করা যায়:

১) স্থানীয় সময়ের পার্থক্য

২) গ্রিনিচের সময়ের মাধ্যমে।

যে স্থানটির অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০°:

যেখানে নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে সেখানে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০°। এ স্থানটি গিনি উপসাগরে অবস্থিত।

সমাক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পার্থক্য

সমাক্ষরেখা (Parallels)

দ্রাঘিমারেখা (Meridians)

১. রেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল১. রেখাগুলো সমান্তরাল নয়
২. রেখাগুলো পূর্ণবৃত্ত২. রেখাগুলো অর্ধবৃত্ত
৩. রেখাগুলোর দৈর্ঘ্য সমান নয়; অক্ষাংশ বাড়লে সমাক্ষরেখার পরিধি কমে৩. প্রত্যেক দ্রাঘিমা রেখার দৈর্ঘ্য সমান
৪. রেখাগুলো পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত৪. রেখাগুলো উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত
৫. সর্বোমোট সমাক্ষরেখা ১৮১ টি৫. সর্বমোট দ্রাঘিমারেখা ৩৫৯টি
৬. সর্বোচ্চ অক্ষাংশ ৯০°৬. সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা ১৮০°
স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়

স্থানীয় সময়: কোনো স্থানের সূর্য যখন মাথার উপর থাকে, তখন ঐ স্থানে মধ্যাহ্ন এবং সময় দুপুর ১২টা ধরা হয়। এ মধ্যাহ্ন সময় থেকে দিনের অন্যান্য সময় স্থির করা হয়। একে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় বলা হয়। ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট। কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা বেশি হবে এবং পশ্চিমে হলে স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কম হবে।

প্রমাণ সময়: প্রত্যেক দেশেই সেই দেশের মধ্যভাগের কোনো স্থানের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ণয় করা হয়, সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে। অনেক বড় দেশ হলে সে দেশে কয়েকটি প্রমাণ সময় থাকে। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী। ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত।

Related Question

View All
Updated: 6 months ago
  • যুক্তরাজ্যে
  • যুক্তরাষ্ট্রে
  • ফ্রান্সে
  • ইটালিতে
1.5k
  • ৩ ঘণ্টা
  • ৪ ঘণ্টা
  • ৬ঘণ্টা
  • ৮ ঘণ্টা
1.5k
  • ৬ ঘণ্টা
  • ৮ ঘণ্টা
  • ১০ ঘণ্টা
  • ১২ ঘণ্টা
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই