‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস?
-
ক
দ্বন্দ্ব সমাস
-
খ
অব্যয়ীভাব সমাস
-
গ
বহুব্রীহি সমাস
-
ঘ
তৎপুরুষ সমাস
নঞ্ তৎপুরুষ সমাস[সম্পাদনা]
না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি।
খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল। এরূপ - আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি।
না - বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস = অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক = অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা = অকেশা (অল্পতা), ন সুর = অসুর (বিরোধ), ন কাল = অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট = অঘাট (মন্দ)। এরূপ - অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি।
অব্যয়ীভাব সমাস কাকে বলে
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমনঃ
জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় "আ") = আজানুলম্বিত (বাহু)
মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
সামীপ্য, বিপ্সা (পুনঃ পুনঃ অর্থে), অভাব, পর্যন্ত, সাদৃশ্য, অনতিক্রম্যতা, পশ্চাৎ, যােগ্যতা ইত্যাদি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। “অব্যয়” কথা থেকেই ‘অব্যয়ীভাব’ শব্দ এসেছে। ‘অব্যয়ীভাব’ মানে যা পূর্বে অব্যয় ছিল না, তার অব্যয় রূপ ধারণ।
Related Question
View All'আসমুদ্রহিমাচল' কোন সমাসের উদাহরণ?
-
ক
দ্বন্দ্ব
-
খ
বহুব্রীহি
-
গ
অব্যয়ীভাব
-
ঘ
দ্বিগু
আমূল শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
-
ক
নয় মূল
-
খ
মূল থেকে
-
গ
মূল পর্যন্ত
-
ঘ
ন মূল
'অতিমাত্রা' শব্দের ব্যাসবাক্য-
-
ক
অতি ও মাত্র
-
খ
অত্যন্ত মাত্র যা
-
গ
মাত্রাকে অতিক্রান্ত
-
ঘ
না অতি না মাত্রা
অতিমাত্রা কোন সমাস?
-
ক
প্রাদি সমাস
-
খ
নঞ্ তৎপুরুষ
-
গ
কর্মধারয়
-
ঘ
অব্যয়ীভাব
কোনটি অব্যয়ীভাব সমাস?
-
ক
দুর্ভিক্ষ
-
খ
সংবাদপত্র
-
গ
চন্দ্রসূর্য
-
ঘ
নীলকমল
'অবরোধ' কোন সমাস?
-
ক
অব্যয়ীভাব
-
খ
বহুব্রীহি
-
গ
তৎপুরুষ
-
ঘ
কর্মধারয়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন