"আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ জাতীয় সংগীত হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উদ্ধৃত হয়েছে?

Updated: 6 months ago
  • ৩য় অনুচ্ছেদ
  • ৪র্থ অনুচ্ছেদ
  • ৫ম অনুচ্ছেদ
  • ৬ষ্ঠ অনুচ্ছেদ
1k
ব্যাখ্যাঃ

"আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ জাতীয় সংগীত হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪র্থ অনুচ্ছেদে উদ্ধৃত হয়েছে । 

আমার সোনার বাংলা হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত হয়। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।

১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিলো। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ চরণ সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়। ১৯০৫ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ”বাউল” নামক গ্রন্থে গানটি অন্তর্ভুক্ত আছে।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা" কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন। এটি ১৩১১ বঙ্গাব্দে (১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে) লেখা হয়েছিল।

রচনা ও সুরারোপ

আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিলো ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না।সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিলো। এই বছরই ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের স্বাক্ষরে  গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিলো। তবে ৭ আগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিশিষ্ট রবীন্দ্রজীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থা প্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিলো।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা" একটি গভীর দেশপ্রেমমূলক গান, যা বাংলা ভাষায় রচিত এবং সংগীতায়িত। এটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা, যিনি ১৯০৫ সালে বাংলাকে ভেঙে দেওয়ার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় এটি লিখেছিলেন। গানটির প্রথম দশটি লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়।

রচনা ও পটভূমি:

"আমার সোনার বাংলা" গানটি ১৩১১ বঙ্গাব্দে (১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে) রচিত হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেন বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে। বঙ্গভঙ্গ ছিল বাংলার ঐক্য ভেঙে দেওয়ার একটি ব্রিটিশ সিদ্ধান্ত, যা অনেকের কাছে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। এই গানে বাংলাদেশের প্রকৃতি, সৌন্দর্য এবং জনগণের প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে।

মূল কবিতা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সম্পূর্ণ আমার সোনার বাংলা গানটি এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই গানের প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥

কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥

তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,
তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।
তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,
মরি হায়, হায় রে—
তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥

ধেনু-চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,
সারা দিন পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,
তোমার ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥

ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—
দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।
ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,
মরি হায়, হায় রে—
আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি

গানের প্রথম অংশ:

গানটির প্রথম অংশ হলো—

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।

জাতীয় সংগীত এর সুর

 

জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ:

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলে "আমার সোনার বাংলা" গানটির প্রথম দশটি লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়।

অর্থ ও প্রভাব:

"আমার সোনার বাংলা" শুধুমাত্র একটি গান নয়, এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, এবং স্বাধীনতার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক। গানটি দেশের জনগণকে একত্রিত করে এবং জাতীয় গর্ব ও দেশপ্রেমকে উদ্দীপ্ত করে।

সুর ও প্রভাব:

গানটির সুরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত। এর সুর অত্যন্ত মৃদু ও মনোরম, যা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

"আমার সোনার বাংলা" বাংলাদেশের জনগণের জন্য শুধুমাত্র একটি সংগীত নয়, এটি তাদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।

এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত করা নিয়ে বিরোধ ও সমালোচনা

"আমার সোনার বাংলা" বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর কিছু বিরোধ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছিল। যদিও এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই জনপ্রিয় ছিল, তবু কিছু বিতর্ক ও সমালোচনা উত্থাপিত হয়েছে, যা মূলত বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এসেছে।

১. ভাষা ও আঞ্চলিকতা:

  • ভারতীয় পটভূমি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ভারতীয় এবং তাঁর রচিত গান ভারতের জাতীয় সংগীত 'জন গণ মন'-ও। এ কারণে কিছু লোক মনে করেন যে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত অন্য কোনো স্থানীয় কবির লেখা হওয়া উচিত ছিল।
  • আঞ্চলিকতা ও বিকল্প প্রস্তাব: কিছু মানুষ মনে করেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানটির বদলে অন্য কোনো কবি বা সাহিত্যিকের গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হওয়া উচিত ছিল, যা শুধুমাত্র পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে।

২. ধর্মীয় মতভেদ:

  • ধর্মীয় রীতি: কিছু ইসলামপন্থী গোষ্ঠী দাবি করেছেন যে গানটি ইসলামি চেতনার সাথে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা মনে করেন, এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ গান যা ইসলামের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

৩. ভিন্নমত ও বিকল্প প্রস্তাব:

  • বিকল্প প্রস্তাব: কিছু লোক জাতীয় সংগীত হিসেবে "আমার সোনার বাংলা"-র পরিবর্তে কাজী নজরুল ইসলামের কোনো গান বেছে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, কারণ নজরুল ইসলামের গানগুলো বাংলাদেশি চেতনার সাথে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত বলে মনে করা হয়।

৪. রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

  • রাজনৈতিক বিরোধ: রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিরোধ দেখা গিয়েছে, যারা রবীন্দ্রনাথের রচিত গানকে নয়, বরং অন্য কোনো গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা বলেছেন। এটি বিশেষ করে তখন দেখা দেয়, যখন একটি দল মনে করে যে তাদের আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পূর্ণরূপে গানটির মধ্যে প্রতিফলিত হয়নি।

৫. বিভিন্ন সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব:

  • বঙ্গভঙ্গ ও জাতীয়তাবাদ: "আমার সোনার বাংলা" গানটি বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত হওয়ায় এটি তখনকার পূর্ববাংলা এবং পশ্চিমবাংলার উভয়কেই সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, কিছু লোক মনে করেন যে গানটি শুধুমাত্র পূর্ববাংলার বা বর্তমান বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিফলিত করে না।

সমাধান ও প্রভাব:

এই বিরোধ ও সমালোচনা সত্ত্বেও, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে বহাল থাকে এবং এটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত। অধিকাংশ মানুষ এই গানকে সম্মানের সাথে গ্রহণ করেছেন এবং এটি বাংলাদেশি পরিচয়ের অন্যতম প্রতীক হিসেবে স্থান পেয়েছে।

প্রথম ভাগ-প্রজাতন্ত্র

অনুচ্ছেদ

বিষয়

প্রজাতন্ত্র

প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা

২ক

রাষ্ট্রধর্ম

রাষ্ট্রভাষা

জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক

৪ক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপন

রাজধানী

নাগরিকত্ব

সংবিধানের প্রাধান্য

৭ক

সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ

৭খ

সংবিধানের মৌলিক বিষয়াবলী সংশোধন অযোগ্য।

দ্বিতীয় ভাগ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

অনুচ্ছেদ

বিষয়

মূলনীতিসমূহ

জাতীয়তাবাদ

১০

সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি

১১

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার

১২

ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা

১৩

মালিকানার নীতি

১৪

কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি

১৫

মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা

১৬

গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব

১৭

অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা

১৮

অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা

১৮ক

পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

১৯

সুযোগের সমতা

২০

অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম

২১

নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য

২২

নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ

২৩

জাতীয় সংস্কৃতি

২৩ক

উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি

২৪

জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন প্রভৃতি

২৫

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

তৃতীয় ভাগ- মৌলিক অধিকার

অনুচ্ছেদ

বিষয়

২৬

মৌলিক অধিকারের অসামঞ্জস্য আইন বাতিল

২৭

আইনের দৃষ্টিতে সমতা

২৮

ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

২৯

সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা

৩০

বিদেশি খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ

৩১

আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার

৩২

জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ

৩৩

গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ

৩৪

জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ

৩৫

বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষাকবচ

৩৬

চলাফেরার স্বাধীনতা

৩৭

সমাবেশের স্বাধীনতা

৩৮

সংগঠনের স্বাধীনতা

৩৯

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্ স্বাধীনতা

৪০

পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা

৪১

ধর্মীয় স্বাধীনতা

৪২

সম্পত্তির অধিকার

৪৩

গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ

৪৪

মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ

৪৫

শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন

৪৬

দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা

৪৭

কতিপয় আইনের হেফাজত

৪৭ক

সংবিধানের কিছু বিধান যেসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

চতুর্থ ভাগ - নির্বাহী বিভাগ

অনুচ্ছেদ

বিষয়

৪৮

রাষ্ট্রপতি

৪৯

রাষ্ট্রপতি ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার

৫০

রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ

৫১

রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি

৫২

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন

৫৩

অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ

৫৪

অনুপস্থিতি প্রভৃতির কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পিকার

৫৫

মন্ত্রিসভা

৫৬

মন্ত্রিগণ

৫৭

প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ

৫৮

মন্ত্রীর পদের মেয়াদ

৫৯

স্থানীয় শাসন

৬০

স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা

৬১

সর্বাধিনায়ক

৬২

প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি

৬৩

যুদ্ধ

৬৪

অ্যাটর্নি জেনারেল

পঞ্চম ভাগ- আইনসভা

অনুচ্ছেদ

বিষয়

৬৫

সংসদ-প্রতিষ্ঠা

৬৬

সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা

৬৭

সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া

৬৮

সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক

৬৯

শপথগ্রহণের পূর্বে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড

৭০

রাজনৈতিক দল হতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া

৭১

দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা

৭২

সংসদের অধিবেশন

৭৩

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী

৭৩ক

সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রিগণের অধিকার

৭৪

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার

৭৫

কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি

৭৬

সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ

৭৭

ন্যায়পাল

৭৮

সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি

৭৯

সংসদ সচিবালয় (Secretariat of Parliament)

৮০

আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি

৮১

অর্থবিল

৮২

আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ

৮৩

সংসদের আইন ব্যতীত কর আরোপ নিষিদ্ধ

৮৪

সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব

৮৫

সরকারি অর্থের নিয়ন্ত্রণ

৮৬

প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসেবে প্রদেয় অর্থ

৮৭

বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি

৮৮

সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়

৮৯

বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি

৯০

নির্দিষ্টকরণ হিসাব

৯১

সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী

৯২

হিসাব , ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট

৯৩

অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা

ষষ্ঠ ভাগ- বিচার বিভাগ

অনুচ্ছেদ

বিষয়

৯৪

সুপ্রীম কোর্টের প্রতিষ্ঠা

৯৫

বিচারক নিয়োগ

৯৬

বিচারকদের পদের মেয়াদ

৯৬(৩)

সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল

৯৬(৪)

সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের দায়িত্ব ও ক্ষমতা

৯৭

স্থায়ী প্রধান বিচারপতি

৯৮

সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক

৯৯

অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা

১০০

সুপ্রীম কোর্টের আসন

১০১

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার

১০২

হাইকোর্ট এর ক্ষমতা

১০৩

আপীল বিভাগের ক্ষমতা

১০৪

আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও প্রয়োগ

১০৫

আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা

১০৬

সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার

১০৭

সুপ্রিম কোর্টের বিধিপ্ৰণয়ন-ক্ষমতা

১০৮

“কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট

১০৯

আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধায়ন ও নিয়ন্ত্রণ

১১০

অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর

১১১

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক

১১২

সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা

১১৩

সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীগণ

১১৪

অধস্তন বা নিম্ন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা

১১৫

অধস্তন আদালতে নিয়োগ

১১৬

অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা

১১৬ক

বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা

১১৭

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

সপ্তম ভাগ - নির্বাচন

অনুচ্ছেদ

বিষয়

১১৮

নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

১১৯

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব

১২০

নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ

১২১

প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা

১২২

ভোটার হওয়ার যোগ্যতা

১২৩

নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

১২৪

নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

১২৫

নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা

১২৬

নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তা

অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

অনুচ্ছেদ

বিষয়

১২৭

মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা

১২৮

মহা হিসাব-নিরীক্ষকের দায়িত্ব

১২৯

মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ

১৩০

অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক

১৩১

প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষার আকার ও পদ্ধতি

১৩২

সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন

নবম ভাগ - বাংলাদেশের কর্ম বিভাগ

অনুচ্ছেদ

বিষয়

১৩৩

নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী

১৩৪

কর্মের মেয়াদ

১৩৫

অসামরিক সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি

১৩৬

কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন

১৩৭

কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা

১৩৮

সদস্য নিয়োগ

১৩৯

পদের মেয়াদ

১৪০

কমিশনের দায়িত্ব

১৪১

বার্ষিক রিপোর্ট

নবম ভাগ- জরুরী বিধানাবলী

অনুচ্ছেদ

বিষয়

১৪১(ক)

জরুরী অবস্থা ঘোষণা

১৪১(খ)

জরুরী অবস্থার সময় কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ

১৪১(গ)

জরুরি অবস্থায় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ

দশম ভাগ-সংবিধান সংশোধন

১৪২

সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা

একাদশ ভাগ- বিবিধ

অনুচ্ছেদ

বিষয়

১৪৩

প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

১৪৪

সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব

১৪৫

চুক্তি ও দলিল

১৪৫(ক)

আন্তর্জাতিক চুক্তি

১৪৬

বাংলাদেশের নামে মামলা

১৪৭

কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি

১৪৮

পদের শপথ

১৪৯

প্রচলিত আইনের হেফাজত

১৫০

ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী

১৫১

রহিতকরণ

১৫২

সংবিধানে ব্যবহৃত কয়েকটি শব্দের ব্যাখ্যা

Related Question

View All
  • অনুচ্ছেদ ২৪
  • অনুচ্ছেদ ২৫
  • অনুচ্ছেদ ২৬
  • অনুচ্ছেদ ২৭
24
  • ১০টি ভাগ ও ১০০টি অনুচ্ছেদ
  • ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ
  • ৫টি ভাগ ও ১৫০টি অনুচ্ছেদ
  • ৪টি ভাগ ও ১৪২টি অনুচ্ছেদ
27
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই