উপভাষার অপর নাম-

Updated: 6 months ago
  • আঞ্চলিক ভাষা
  • চলিত ভাষা
  • কথ্যভাষা
  • লেখ্যভাষা
3.2k
ব্যাখ্যাঃ

উপভাষা বলতে একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের মানুষের মুখে প্রচলিত ভাষাকে বোঝায়। একটি মূল ভাষা থেকে এই আঞ্চলিক রূপটি ধ্বনি, শব্দভাণ্ডার ও বাক্য গঠনে ভিন্নতা লাভ করে। এই আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ভাষারূপকেই আঞ্চলিক ভাষা বলা হয়। তাই উপভাষার অপর নাম আঞ্চলিক ভাষা।

অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে:

        
  • চলিত ভাষা: এটি বাংলা ভাষার একটি প্রমিত কথ্য রূপ যা বর্তমানে সাহিত্য ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। এটি মূলত কলকাতার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের উপভাষা থেকে বিকশিত হয়েছে, কিন্তু এটি সব উপভাষাকে বোঝায় না।
  •     
  • কথ্যভাষা: এটি সাধারণভাবে মুখে বলা ভাষাকে বোঝায়, যা লেখার জন্য ব্যবহৃত ভাষাকে (লেখ্যভাষা) থেকে ভিন্ন। এটি উপভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হতে পারে কিন্তু এর প্রতিশব্দ নয়।
  •     
  • লেখ্যভাষা: এটি লেখার জন্য ব্যবহৃত ভাষারূপ। উপভাষা একটি মৌখিক বা কথ্য রূপ।
Sumaiya Mim
Sumaiya Mim
1 month ago

কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়। এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা। ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। আক্ষরিক অর্থে উপভাষা বলতে 'ভাষা'র চেয়ে একটু নিম্ন বা কিছুটা কম মর্যাদাসম্পন্ন ভাষাকে বোঝায়। পৃথিবীর সব ভাষারই উপভাষা আছে। সাধারণত ভৌগোলিক এলাকাভেদে বাংলা ভাষার নানা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ভাষার এ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বলা হয় উপভাষা।

আঞ্চলিক কথ্য রীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • ভৌগোলিক বিভাজন: অঞ্চল অনুযায়ী ভাষার ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা হয় ।

  • অনানুষ্ঠানিকতা: সাধারণত দৈনন্দিন আলাপচারিতায় ব্যবহৃত হয়।

  • বৈচিত্র্য: একই ভাষার ভিন্ন ভিন্ন রূপের (উপভাষা) উপস্থিতি থাকে ।

  • লেখ্য রূপে সীমাবদ্ধতা: সাহিত্য বা দাপ্তরিক কাজে এটি সচরাচর ব্যবহৃত হয় না ।

বাংলা ভাষার প্রধান কয়েকটি আঞ্চলিক রূপ :
  1. বাঙালি উপভাষা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ ও দক্ষিণ অঞ্চলে প্রচলিত।

  2. পূর্বি উপভাষা: বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা ও আসামের বরাক অঞ্চলে ব্যবহৃত।

  3. কামরূপি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল, বিহারের পূর্ব অঞ্চল ও বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলে প্রচলিত।

  4. রাঢ়ি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত।

  5. ঝাড়খণ্ডি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চলে ব্যবহৃত।

যদিও আঞ্চলিক ভাষা লেখ্য হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্য নয়, তবুও কথাসাহিত্যে চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরিতে (যেমন- হাসান আজিজুল হকের 'আগুনপাখি' উপন্যাসে) এটি সার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Related Question

View All
  • বিহারের পূর্ব অঞ্চল
  • আসামের বরাক অঞ্চল
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • ঝাড়খন্ডের পূর্ব অঞ্চল
66
Updated: 6 months ago
  • রাঢ়ী
  • ঝাড়খণ্ডী
  • কামরূপী
  • সিংহলী
154
Updated: 6 months ago
  • "পূবালী বাতাসে"
  • "আমার পরাণে যাহা চায়"
  • "ধনধান্য পুষ্পভরা"
  • "আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানিরে"
92
  • মোখাব্বের
  • মোদাব্বের
  • মোদাচ্ছের
  • মোকাব্বের
116
  • মুর্শিদাবাদ
  • কলকাতা
  • দক্ষিণ দিনাজপুর
  • রংপুর
155
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই