কোনটি জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ নয়?
কোনটি জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ নয়?
-
ক
একাত্তরের দিনগুলি
-
খ
ক্যান্সারের সাথে বসবাস
-
গ
নিসঙ্গ পাইন
-
ঘ
আমি বিজয় দেখেছি
আমি বিজয় দেখেছি মূলত এম আর আখতার মুকুলের আত্মকাহিনী ভিত্তিক গ্রন্থ, যেটি মূলত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্ভর। বইটিতে লেখক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলেছেন। বইটিকে লেখক শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের সময়ের মধ্যে (২৬ মার্চ - ১৬ ডিসেম্বর) সীমাবদ্ধ রাখেননি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কিংবা বামপন্থী রাজনীতি সহ আরও অনেক কিছুই আলোচনা করেছেন।
শহিদ জননী জাহানার ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'। তার অন্যান্য গ্রন্থ হলো: গজকচ্ছপ, সাতটি তারার ঝিকিমিকি, ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস, প্রবাসের দিনগুলি। আমি বিজয় দেখেছি মূলত এম আর আখতার মুকুলের আত্মকাহিনী ভিত্তিক উপন্যাস, যেটি মূলত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্ভর। বইটিতে লেখক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলেছেন।
শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের আগামী সৈনিক 'শহিদ জননী' জাহানারা ইমাম ছিলেন একাত্তরের ঘাতক-দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী। একাত্তরে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র শাফী ইমাম রুমী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সফল গেরিলা অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রুমী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন এবং নির্মম নির্যাতনের ফলে মৃত্যুবরণ করেন। রুমীর শহিদ হওয়ার সূত্রেই তিনি 'শহিদ জননী'র মর্যাদায় ভূষিত হন।
- জাহানারা ইমাম (ডাকনাম: জুড় ৩ মে, ১৯২৯ সালে ভারতের পশ্চিবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বড়ঞ্চা থানার অন্তর্গত সুন্দরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর স্বামী প্রখ্যাত স্থপতি শরিফুল আলম ইমামও মুক্তিযুদ্ধের সময় মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর নেতৃত্বে ১৯ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট 'একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি' গঠিত হয়।
- তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ৭০টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি'র আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।
- তিনি 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার' (১৯৯১), 'স্বাধীনতা পুরস্কার' (১৯৯৭), 'রোকেয়া পদক' (১৯৯৮) লাভ করেন।
- তিনি ২৬ জুন, ১৯৯৪ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ডেট্রয়েট, মিশিগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন। ৫ জুলাই, মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোঃ
'একাত্তরের দিনগুলি' (১৯৮৬): বইটি ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ডায়েরি আকারে লেখা, যার শুরু ১ মার্চ, ১৯৭১ সাল থেকে ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। এ দিনলিপি বা ডায়েরিই ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ সালে 'একাত্তরের দিনগুলি' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকা শহরের অবস্থা ও গেরিলা তৎপরতার চিত্র উঠে এসেছে।
'বীরশ্রেষ্ঠ' (১৯৮৫)।
তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থগুলোঃ
'গজকচ্ছপ' (১৯৬৭), 'সাতটি তারার ঝিকিমিকি' (১৯৭৩), 'বিদায় দে মা ঘুরে আসি' (১৯৮৯)।
তাঁর অনুবাদ গ্রন্থগুলোঃ
'জাগ্রত ধরিত্রী' (১৯৬৮), 'নদীর তীরে ফুলের মেলা' (১৯৬৬), 'তেপান্তরের ছোট্ট শহর' (১৯৭১)।
তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোঃ
'বুকের ভিতর আগুন' (১৯৯০): মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস।
'অন্য জীবন' (১৯৮৫), 'জীবন মৃত্যু', (১৯৮৮), 'শেক্সপীয়রের ট্রাজেডি' (১৯৮৯), 'চিরায়ত সাহিত্য' (১৯৮৯), 'নাটকের অবসান' (১৯৯০), 'নিঃসঙ্গ পাইন' (১৯৯০), 'দুই মেরু' (১৯৯০), 'নয় এ মধুর খেলা' (১৯৯০), 'ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস' (১৯৯১), প্রবাসের দিনগুলি (১৯৯২), 'বাংলা উচ্চারণ অভিধান' (১৩৭৫)।
Related Question
View All-
ক
রাজিয়া মাহবুব
-
খ
সুফিয়া কামাল
-
গ
জাহানারা ইমাম
-
ঘ
নুসরাত জাহান
-
ক
স্বাধীনতা আমার রক্তঝরা দিন
-
খ
রক্তের অক্ষরে
-
গ
একাত্তরের দিনগুলি
-
ঘ
হাঙর নদীর গ্রেনেড
-
ক
গল্প
-
খ
দিনলিপি
-
গ
প্রবন্ধ
-
ঘ
উপন্যাস
-
ক
স্বদেশ রায়
-
খ
সুফিয়া কামাল
-
গ
শওকত ওসমান
-
ঘ
জাহানারা ইমাম
-
ক
বেগম নুরজাহান
-
খ
সেলিনা হোসেন
-
গ
জাহানারা ইমাম
-
ঘ
নীলিমা ইব্রাহীম
-
ক
জসীমউদ্দীন
-
খ
সুফিয়া কামাল
-
গ
জাহানারা ইমাম
-
ঘ
আলাওল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন