চর্যাপদের আবিষ্কারক কে?
-
ক
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
গ
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
ঘ
ডক্টর সুকুমার সেন
চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ।
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি । খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক । ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন । পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, বহুভাষাবিদ, দার্শনিক, পণ্ডিত, প্রত্নতত্ত্ববিদ, ঐতিহাসিক, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। ভারততত্ত্ব নিয়ে শাস্ত্রীকে আগ্রহী করেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের (১৯২১) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং 'এশিয়াটিক সোসাইটি'র সভাপতি ছিলেন (১৯১৯-১৯২১)।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস- খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- প্রকৃত নাম শরৎচন্দ্র ভট্টাচার্য। পারিবারিক পদবি- ভট্টাচার্য।
- তিনি বিএ ক্লাসে অধ্যয়নকালেই 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত 'ভারত মহিলা' প্রবন্ধটি রচনা করে 'হোলকার পুরস্কার' লাভ করেন।
- সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনিই একমাত্র প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ (১৮৭৭) হওয়ায় তাকে 'শাস্ত্রী' উপাধি দেওয়া হয়।
- উপাধি- মহামহোপাধ্যায় (১৮৯৮), সি.আ.ই (১৯১১)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট (১৯২৭) উপাধিতে ভূষিত হন।
- তিনি ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১ সালে মারা যান।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
উপন্যাস: 'কাঞ্চনমালা' (১৯১৬), 'বেণের মেয়ে' (১৯২০)।
'তৈল': এটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
'বাল্মীকির জয়' (১৮৮১), 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' (১৮৮২), 'মেঘদূত ব্যাখ্যা' (১৯০২), 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' (১৯১৬), 'প্রাচীন বাংলার গৌরব' (১৯৪৬), 'বৌদ্ধধর্ম' (১৯৪৮), 'সচিত্র রামায়ণ'।
Related Question
View All-
ক
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুকুমার সেন
-
ক
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
খ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
গ
রাজেন্দ্রলাল মিত্র
-
ঘ
সুকুমার সেন
-
ক
পণ্ডিত
-
খ
বিদ্যাসাগর
-
গ
শাস্ত্রজ্ঞ
-
ঘ
মহামহোপাধ্যায়
-
ক
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
দীনেশ চন্দ্র সেন
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
-
ক
সুকুমার রায়
-
খ
রমেশচন্দ্র মজুমদার
-
গ
শিবনারায়ণ রায়
-
ঘ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ক
বাবু
-
খ
অতি অগ্ন হইল
-
গ
শরৎ
-
ঘ
তৈল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন