পৃথিবীর সকল ভাষারই আছে--

Updated: 1 year ago
  • চলিত ভাষা
  • সাধু ভাষা
  • উপ ভাষা
  • A+B
654
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর প্রতিটি ভাষারই উপভাষা (Dialect) রয়েছে। উপভাষা হলো একটি ভাষার আঞ্চলিক রূপভেদ বা বৈচিত্র্য যা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা, সামাজিক গোষ্ঠী বা পেশার মানুষের মধ্যে প্রচলিত। মানুষ বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে এবং তাদের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক অবস্থান, সামাজিক পরিবেশ ভাষার ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে একই ভাষার মধ্যে উচ্চারণ, শব্দচয়ন, বাক্য গঠন ইত্যাদিতে ভিন্নতা দেখা দেয়। এই ভিন্নতাগুলোই উপভাষা হিসেবে পরিচিত। ভাষা যত বিস্তৃত হয়, উপভাষার সংখ্যাও তত বেশি হয়। এটি ভাষার একটি প্রাকৃতিক ও অনিবার্য বৈশিষ্ট্য।

অন্যদিকে, সাধু ভাষা এবং চলিত ভাষা হলো বাংলা ভাষার দুটি সুনির্দিষ্ট রীতি (Style) এবং এটি সব ভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বাংলা ভাষা ও এর মতো কিছু ভারতীয় ভাষার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহ্যবাহী লিখিত রূপ (সাধু ভাষা) এবং একটি আধুনিক কথ্য ও লিখিত রূপ (চলিত ভাষা) পাশাপাশি বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য ভাষার ক্ষেত্রে সাধারণত এমন স্বতন্ত্র দুটি লিখিত ও কথ্য রীতির প্রচলন দেখা যায় না। তাই 'চলিত ভাষা' বা 'সাধু ভাষা'কে পৃথিবীর সকল ভাষার বৈশিষ্ট্য বলা যায় না।

Satt AI
Satt AI
2 months ago

কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়। এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা। ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। আক্ষরিক অর্থে উপভাষা বলতে 'ভাষা'র চেয়ে একটু নিম্ন বা কিছুটা কম মর্যাদাসম্পন্ন ভাষাকে বোঝায়। পৃথিবীর সব ভাষারই উপভাষা আছে। সাধারণত ভৌগোলিক এলাকাভেদে বাংলা ভাষার নানা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ভাষার এ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বলা হয় উপভাষা।

আঞ্চলিক কথ্য রীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • ভৌগোলিক বিভাজন: অঞ্চল অনুযায়ী ভাষার ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা হয় ।

  • অনানুষ্ঠানিকতা: সাধারণত দৈনন্দিন আলাপচারিতায় ব্যবহৃত হয়।

  • বৈচিত্র্য: একই ভাষার ভিন্ন ভিন্ন রূপের (উপভাষা) উপস্থিতি থাকে ।

  • লেখ্য রূপে সীমাবদ্ধতা: সাহিত্য বা দাপ্তরিক কাজে এটি সচরাচর ব্যবহৃত হয় না ।

বাংলা ভাষার প্রধান কয়েকটি আঞ্চলিক রূপ :
  1. বাঙালি উপভাষা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ ও দক্ষিণ অঞ্চলে প্রচলিত।

  2. পূর্বি উপভাষা: বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা ও আসামের বরাক অঞ্চলে ব্যবহৃত।

  3. কামরূপি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল, বিহারের পূর্ব অঞ্চল ও বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলে প্রচলিত।

  4. রাঢ়ি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত।

  5. ঝাড়খণ্ডি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চলে ব্যবহৃত।

যদিও আঞ্চলিক ভাষা লেখ্য হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্য নয়, তবুও কথাসাহিত্যে চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরিতে (যেমন- হাসান আজিজুল হকের 'আগুনপাখি' উপন্যাসে) এটি সার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Related Question

View All
  • বিহারের পূর্ব অঞ্চল
  • আসামের বরাক অঞ্চল
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • ঝাড়খন্ডের পূর্ব অঞ্চল
102
Updated: 7 months ago
  • রাঢ়ী
  • ঝাড়খণ্ডী
  • কামরূপী
  • সিংহলী
179
Updated: 7 months ago
  • "পূবালী বাতাসে"
  • "আমার পরাণে যাহা চায়"
  • "ধনধান্য পুষ্পভরা"
  • "আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানিরে"
116
  • মোখাব্বের
  • মোদাব্বের
  • মোদাচ্ছের
  • মোকাব্বের
129
  • মুর্শিদাবাদ
  • কলকাতা
  • দক্ষিণ দিনাজপুর
  • রংপুর
175
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই