বোর পরমাণু মডেল উপস্থাপিত হয়?
-
ক
1910
-
খ
1911
-
গ
1912
-
ঘ
1913
1913। ডেনিশ পদার্থবিদ নিলস বোর 1913 সালে বোর পরমাণু মডেল উপস্থাপন করেন। এই মডেলটি রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের ত্রুটিগুলি সংশোধন করে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতিগুলির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল। বোর মডেল অনুসারে, ইলেকট্রনগুলি নিউক্লিয়াসের চারপাশে কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে, তবে এগুলি কেবল নির্দিষ্ট কৌণিক ভরবেগের সাথে কক্ষপথে থাকতে পারে। এই কৌণিক ভরবেগগুলিকে কোয়ান্টাম সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
বোর মডেল হাইড্রোজেন পরমাণুর জন্য বেশ সঠিক ছিল, তবে এটি জটিল পরমাণুগুলির জন্য সঠিক ছিল না। 1920-এর দশকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিকাশের সাথে সাথে বোর মডেলটি আরও উন্নত হয়েছিল, তবে এটি এখনও পরমাণুর মডেল সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসাবে রয়ে গেছে।
সুতরাং, বোর পরমাণু মডেল উপস্থাপিত হয়েছিল 1913 সালে।
রাদারফোর্ডের মডেলের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করার জন্য রাদারফোর্ডের পরীক্ষালব্ধ ফলাফলের সাথে প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব সমন্বয় করে ১৯১৩ সালে ডেনমার্কের পদার্থবিজ্ঞানী নীলস্ বোর পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটা নতুন মডেল উপস্থাপন করেন।
কোয়ান্টাম তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে বোরের মডেলের উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব বা স্বীকার্য হলো :
১. কৌণিক ভরবেগ সংক্রান্ত স্বীকার্য : পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে কতগুলো নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে পারে যেখানে ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ L হলো কোনো পূর্ণসংখ্যা n এবং এর গুণফল।
অর্থাৎ,
সুতরাং আবর্তনশীল ইলেকট্রনের কক্ষপথ ছিন্নায়িত ও অনুমোদিত।
২. শক্তিস্তর সংক্রান্ত স্বীকার্য : পরমাণুর ইরে কক্ষপথে নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে। এসব কাজ পথে আগর্তনের ইলেকট্রন কোনো শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না।
এ কক্ষগুলো শক্তি স্তর নামে পরিচিত। নিউক্লিয়াস থেকে ক্রমাগত দূরবর্তী শক্তিরসমূহকে ১ম, ২য়, আ ইত্যাদি শক্তি স্তর বলা হয়। প্রত্যেক শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের শক্তি নির্দিষ্ট।
৩। কম্পাঙ্ক সংক্রান্ত স্বীকার্য : কোনো ইলেকট্রন যখন এক স্থায়ী কক্ষপথ থেকে অন্য কোনো স্থায়ী কক্ষপথে যায় তখন এটি শক্তি নিঃসরণ বা শোষণ করে। নিঃসৃত বা শোষিত ফোটনের শক্তি হয় শক্তি দুটির শক্তির পার্থক্যের সমান।
কোনো ইলেকট্রন যদি উচ্চশক্তি স্তর Eu থেকে একটি নিম্নশক্তি স্তর El -এ গমন করে তাহলে নিঃসৃত ফোটনের
শক্তি হবে, hf = Eu - El….(9.2)
এখানে h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক এবং f হলো ফোটনের কম্পাঙ্ক।
বোরের এই স্বীকার্যগুলোকেই বোরের পরমাণু মডেল বলা হয়।
বোরের পরমাণু মডেলের সাফল্য :
রাদারফোর্ডের মডেলের সীমাবদ্ধতা অভিক্রমণ বোরের মডেলের সাহায্যে রাদারফোর্ড মডেলের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা সম্ভব হয়।
পরমাণুর স্থায়িত্ব এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। রাদারফোর্ডের মডেল পরমাণুর স্থায়িত্ব ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়। কোয়ান্টাম মডেল উপস্থাপন করে বোর এ সীমবদ্ধতা অতিক্রম করতে সক্ষম হন। এই মডেলের সাহায্যে হাইড্রোজেন পরমাণুর বর্ণালি রেখার উৎপত্তির ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হয় এবং কক্ষপথের ব্যাসার্ধ ও কক্ষপথে ইলেকট্রনের শক্তি পরিমাপ করাও এই মডেলের সাহায্যে সম্ভব হয়।
Related Question
View All-
ক
-
খ
1 : 2 : 3
-
গ
1 : 4 : 9
-
ঘ
1 : 8 : 27
-
ক
eh/4m
-
খ
-
গ
eh/m
-
ঘ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
480m
-
খ
490m
-
গ
500m
-
ঘ
1000m
-
ক
2.789
-
খ
3.789
-
গ
4.789
-
ঘ
3.125
-
ঙ
2.125
-
ক
E(n) = - k/n
-
খ
E(n) = k/n²
-
গ
E(n) = - k/n3
-
ঘ
কোনটিই নয়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন