রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের?
রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের?
-
ক
বিসর্জন
-
খ
রক্তকরবী
-
গ
মুক্তধারা
-
ঘ
ডাকঘর
| নাম (চরিত্র) | নাম (চরিত্র) | নাম (চরিত্র) |
| পোস্টমাস্টার (রতন) | ডাকঘর (অমল, সুধা) | খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন (রাইচরণ) |
| মেঘ ও রৌদ্র (শশী ভূষণ) | অপরিচিতা (কল্যাণী) | রক্তকরবী (নন্দিনী, রঞ্জন, কিশোর) |
| কাবুলিওয়ালা (রহমত, খুকী) | দিদি (শশীমুখী) | ল্যাবরেটরি (মোহিনী, নন্দ কিশোর) |
| জীবিত ও মৃত (কাদম্বিনী) | নষ্টনীড় (চারুলতা, অমল) | প্রকৃতির প্রতিশোধ (বালিকা পথিক, সন্ন্যাসী) |
| পয়লা নম্বর (অনিলা) | না-মঞ্জুর (গিরিবালা) | বিসর্জন (অপর্ণা, রঘুপতি, জয়সিংহ |
'রক্তকরবী'-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। মানুষের প্রবল লোভ কীভাবে জীবনের সমস্ত সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্রে ও উৎপাদনের উপকরণে পরিণত করেছে এবং তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কী রূপ ধারণ করছে তারই রূপায়ণ এই নাটকে। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনে রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ। ১৩৩১ সনে প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় নাটকটি।
রক্তকরবীর সংক্ষিপ্ত কাহিনি- যক্ষপুরীর রাজার রাজধর্ম প্রজাশোষণ; তার অর্থলোভ দুর্দম। তার সে লোভের আগুনে পুড়ে মরে সোনার খনির শ্রমিকরা। রাজার দৃষ্টিতে খনি শ্রমিকরা মানুষ নয়, তারা স্বর্ণলাভের যন্ত্রমাত্র, তারা যন্ত্রকাঠামোর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র্র অঙ্গ মাত্র, মানুষ হিসেবে তাদের কোনো মূল্য নেই। এখানে মনুষ্যত্ব, মানবতা এ যন্ত্রবন্ধনে পীড়িত ও অবমাননায় পতিত। জীবনের প্রকাশ যক্ষপুরীতে নেই। জীবনের প্রকাশের সম্পূর্ণরূপ-প্রেম ও সৌন্দর্য, 'নন্দিনী' চরিত্রটি তার প্রতীক। এ নন্দিনীর আনন্দস্পর্শ যক্ষপুরীর রাজা পাননি তার লোভের মোহে, সন্ন্যাসী পাননি তার ধর্মসংস্কারের মোহে, মজুররা পাননি অত্যাচার ও অবিচারের লোহার শিকলে বাঁধা পড়ে, পণ্ডিত পাননি দাসত্বের মোহে। যক্ষপুরীর লোহার জালের বাইরে প্রেম ও সৌন্দর্যের প্রতীক নন্দিনী সবাইকে হাতছানি দিয়ে ডাকল; এক মুহূর্তে মুক্ত জীবনানন্দের স্পর্শে যেন সবাই চঞ্চল হয়ে উঠল। রাজা নন্দিনীকে পেতে চাইলেন যেমন করে তিনি সোনা আহরণ করেন, শক্তির বলে কেড়ে নিয়ে। কিন্তু প্রেম ও সৌন্দর্যকে এভাবে লাভ করা যায় না। তাই রাজা নন্দিনীকে পেয়েও পাননি। একইভাবে মোড়ল, পণ্ডিত, কিশোর, কেনারাম সবাই প্রাণপ্রাচুর্যের মধ্যে বাঁচার জন্য ব্যাকুল হয়ে জালের বাইরের দিকে হাত বাড়াল। কিন্তু নন্দিনী রঞ্জনকে ভালোবাসে তাই তার মধ্যে প্রেম জাগিয়ে তুলেছে। কিন্তু রঞ্জন যক্ষের বন্ধনে বাঁধা। এ যন্ত্র তার প্রেমকে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিল- এটাই যান্ত্রিকতার ধর্ম এবং কবি তা বিশ্বাস করেন। নন্দিনীর প্রেমাস্পদ যান্ত্রিকতার যূপকাষ্ঠে নিঃশেষিত হলো এবং আবার যেন প্রেমকে ফিরে পাওয়া যায় সে লক্ষ্যে জীবন জয়ী হলো। এই দৃষ্টিভঙ্গি রবীন্দ্রনাথের বহু কবিতায়, গানে, নাটকে, গল্পে পরিস্ম্ফুট হয়েছে। কবি রক্তকরবী নাটকটিতে জড় যান্ত্রিকতা ও জীবনধর্মের মধ্যে সেই সামঞ্জস্য সন্ধান করেছেন।
নন্দিনীকে কেন্দ্র করে ‘রক্তকরবী’ নাটকে যেন দুটি প্রেমের ত্রিভুজ অঙ্কিত হয়েছে। প্রথম ত্রিভুজটি নির্মিত নন্দিনী রাজা ও রঞ্জনকে নিয়ে। দ্বিতীয় ত্রিভুজটিতে আছে নন্দিনী রঞ্জন ও বিশু
'রক্তকরবী'-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। এই নাটকের চরিত্রগুলো হলো রঞ্জন, নন্দিনী, রাজা ও বিশু।
Related Question
View All-
ক
হৈমন্তী
-
খ
চারুলতা
-
গ
রায়
-
ঘ
আশালতা
-
ক
হাছন রাজা
-
খ
লালন শাহ
-
গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
ঘ
কাজী নজরুল ইসলাম
-
ক
শান্তি
-
খ
ছুটি
-
গ
ফটিক
-
ঘ
মহেশ
-
ক
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
-
খ
প্রমথ চৌধুরী
-
গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
ঘ
টেকচাঁদ ঠাকুর
-
ক
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
খ
দীনবন্ধু মিত্র
-
গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
ঘ
প্যারীচাঁদ মিত্র
-
ক
বঙ্গসুন্দরী
-
খ
সেঁজুতি
-
গ
প্রেম ও ফুল
-
ঘ
শেষের কবিতা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
