রাইবোজোমের নামকরণ কোন সালে করা হয়?
-
ক
১৯৪৩
-
খ
১৯৬৫
-
গ
১৯৫৮
-
ঘ
১০৭৫
রোমানিয়ান কোষ বিজ্ঞানী জর্জ প্যালেড (George Palade) ১৯৫৫ সালে কোষের ভারী পদার্থরূপে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন । পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে ইলেকট্রন আণুবীক্ষণিক চিত্রে মাইক্রোসোমের দুটি অংশ পৃথকযোগ্য দেখা যায়, একটি হলো অন্তঃপ্লাজমীয় ঝিল্লি এবং অপরটি হলো ক্ষুদ্রাকার কণা । এ কণাকেই পরবর্তীতে রাইবোসোম নাম দেয়া হয় । ১৯৫৮ সালে রিচার্ড বি. রবার্টস (Rechard B. Roberts) রাইবোসোম নামকরণ করেন ।
রাইবোজোমঃ জীবকোষের সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজ করে বা এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম এর গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কনায় প্রোটিন সংশ্লেষণ করে তাকে রাইবোসোম বলে। জর্জ প্যালেড ১৯৫৫ সালে এটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯৫৮ সালে রিচার্জ বি.রবার্টস একে Ribosome বা Ribonucleoprotein particle of microsomes নাম দেন।
রাইবোজোম এর গঠনঃএরা দ্বিস্তরী ঝিল্লী দ্বারা আবৃত।এদের ব্যাস ১৫০-২০০ Å।এরা হিস্টোন জাতীয় প্রোটিন এবং রাইবোনিউক্লিয়িক এসিড দ্বারা তৈরী।এতে প্রোটিন ও RNA ১:১ অণুপাতে থাকে। প্রতিটি রাইবোসোম অসম দুইটি উপএকক দিয়ে গঠিত।70S রাইবোসোমে 50S ও 30S এই দুইটি উপএকক থাকে এবং ৩টি RNA ও ৫২ প্রকারের প্রোটিন অণু থাকে। 80S রাইবোসোমে 60S ও 40S এই দুইটি উপএকক থাকে এবং ৪ টি RNA ও ৮০ প্রকারের প্রোটিন অণু থাকে।70S রাইবোসোম থাকে আদিকোষে আর 80S রাইবোসোম থাকে প্রকৃতকোষে।মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টে 70S রাইবোজোম থাকে।
রাইবোজোম এর কাজঃ
*রাইবোসোমের প্রধান কাজ হল প্রোটিন সংশ্লেষ করা।এজন্য একে জীবদেহের প্রোটিন ফ্যাক্টরী বলে
*স্নেহজাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন করা।
Related Question
View All-
ক
পলিজোম
-
খ
মনোজোম
-
গ
সাইটোরাইবোজোম
-
ঘ
মাইটোরাইবোজোম
-
ক
80s
-
খ
70s
-
গ
90s
-
ঘ
60s
-
ক
70S ও 80S
-
খ
80S ও 70S
-
গ
70S ও 70S
-
ঘ
80Sও 80S
-
ক
70S
-
খ
80S
-
গ
90S
-
ঘ
100S
-
ক
Bacillus
-
খ
Pseudomonas
-
গ
Aspergillus
-
ঘ
Streptomyces
-
ক
60s ও 40s
-
খ
50s ও 30s
-
গ
60s ও 20s
-
ঘ
50s ও 40s
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন