সাধু ভাষায় কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

Updated: 4 months ago
  • এখানে সে ফিরে আসেনি
  • সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
  • তিনি মূর্ছিত হয়ে পড়েছেন
  • তুমি তার কথা বিশ্বাস করো না
444
উত্তরঃ
সঠিক উত্তর হলো B. সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
এই বাক্যটি শুদ্ধ হওয়ার কারণসমূহ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
  • সঠিক উত্তর: B. সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
    সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। এখানে 'আসিবে' (আসবের বদলে), 'বলিয়া' (বলের বদলে) এবং 'করিতেছি' (করছি-র বদলে) ক্রিয়াপদগুলো সাধু রীতির নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণরূপে আছে।
  • ভুল অপশন: A. এখানে সে ফিরে আসেনি
    এখানে 'আসেনি' একটি চলিত রীতির ক্রিয়াপদ। সাধু ভাষায় এটি 'আসে নাই' বা 'আসিয়াছে না' (প্রসঙ্গভেদে) হওয়া উচিত ছিল।
  • ভুল অপশন: C. তিনি মূর্ছিত হয়ে পড়েছেন
    এই বাক্যে 'হয়ে' এবং 'পড়েছেন' শব্দ দুটি চলিত রীতির। সাধু ভাষায় এগুলো 'হইয়া' এবং 'পড়িয়াছেন' হওয়া আবশ্যক।
  • ভুল অপশন: D. তুমি তার কথা বিশ্বাস করো না
    এখানে 'করো' ক্রিয়াপদটি চলিত রীতির। সাধু ভাষায় এটি 'করিও' বা 'করহ' হওয়া উচিত ছিল।

পূর্বে সাহিত্য রচনা ও লেখালেখির জন্য তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সম্পন্ন যে গুরুগম্ভীর ভাষারীতি ব্যবহৃত হতো, তাকেই সাধু ভাষা বলে। এই ভাষা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর, দুরূহ এবং এতে দীর্ঘ পদ ব্যবহৃত হয় বলে এই ভাষা কথা বলার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক না। তাই এই ভাষায় কথাও বলা হয় না। এই ভাষা কেবল লেখ্য রীতিতে ব্যবহারযোগ্য। তাও বহু আগেই লেখ্য রীতি হিসেবে চলিত রীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় সাধু রীতি এখন লেখ্য ভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় না। কেবল সরকারি দলিল-দস্তাবেজ লেখা ও অন্যান্য কিছু দাপ্তরিক কাজে এখনো এই রীতি ব্যবহৃত হয়।

সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • তৎসম শব্দের ব্যবহার: এতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বাহুল্য থাকে ।

  • দীর্ঘ পদ: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ হয় (যেমন: খাইতেছে, গিয়াছিল, উহাদের)।

  • ব্যাকরণ অনুসারী: সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম অত্যন্ত কঠোরভাবে মেনে চলে।

  • গুরুগম্ভীর ও মার্জিত: এটি অত্যন্ত গম্ভীর ও কাব্যিক প্রকৃতির।

সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের উদাহরণ:
  • সাধু: তাহা হইলে তুমি কোথায় যাইবে?

  • চলিত: তাহলে তুমি কোথায় যাবে?

  • সাধু: আমি অদ্যই আসিব।

  • চলিত: আমি আজই আসব।

ইতিহাস ও ব্যবহার:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ বাংলা গদ্যের শুরুতে এই রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে লেখালেখিতে এর ব্যবহার কমে গেছে এবং চলিত রীতি বা প্রমিত রূপই (Standard Bengali) বেশি জনপ্রিয়।
সতর্কতা: সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে 'গুরুচণ্ডালী দোষ' বলা হয়।

Related Question

View All
Updated: 2 months ago
  • আজ
  • মিনতি
  • জল
  • জোসনা
43
Updated: 2 months ago
  • বিশেষ্য
  • সর্বনাম
  • অব্যয়
  • ক্রিয়া
55
  • কথ্য ভাষা
  • চলিত ভাষা
  • সাধু ভাষা
  • আঞ্চলিক ভাষা
35
Updated: 3 months ago
  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  • প্রমথ চৌধুরী
75
  • চলতি
  • সাধু রীতি
  • মিশ্র রীতি
  • আঞ্চলিক বীতি
456
  • উপভাষা
  • কথ্য ভাষা
  • সাধু ভাষা
  • চলিত ভাষা
271
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই