সুনামীর কারণ হলো--
-
ক
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুপাত
-
খ
ঘূর্ণিঝড়
-
গ
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
-
ঘ
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
পৃথিবীর পৃষ্ঠতলে প্লেটগুলো রয়েছে এগুলো যখন কেঁপে ওঠে তখন একটি উপর আরেকটি উঠে যায় তখন এই পৃষ্ঠতলের উপরে যা থাকে তাও কেঁপে উঠে সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে থাকে পানি তখন পানিকে কম্পিত করে ঝড়ের মতো অনুকূলে আশ্রয় পড়ে এটাই হচ্ছে সুনামির কারণ ।
জলবায়ু (Climate)
বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন। মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব এখানে এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে এ জলবায়ু 'ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু' নামে পরিচিত। ঋতুভেদে এ জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য হয় কিন্তু কখনো এটি অন্যান্য শীতপ্রধান বা গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো চরমভাবাপন্ন হয় না।
বাংলাদেশের মোট ঋতু ৬ টি। যথা- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। বর্ষাকালকে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়।
গ্রীষ্ম = বৈশাখ + জ্যৈষ্ঠ
বর্ষা আষাঢ় শ্রাবণ,
শরৎ = ভাদ্র + আশ্বিন
হেমন্ত = কার্তিক-অগ্রহায়ণ
শীত = পৌষ + মাঘ
বসন্ত = ফাল্গুন + চৈত্র
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেমি (২০৩০ মি.মি.)। বার্ষিক বৃষ্টিপাতের এক পঞ্চমাংশ (২০%) হয় গ্রীষ্মকালে এবং অবশিষ্ট চার-পঞ্চমাংশ (৮০%) হয় বর্ষাকালে। কালবৈশাখী ঝড় (North Westerlies) গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে এ ঝড় হয়।
সিলেটের লালখানে (বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে। উত্তর-পূর্ব শুষ্ক মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে শীতকালে কম বৃষ্টিপাত হয়।
কালবৈশাখীর সময়কাল
| সময়কাল | সূত্র |
| চৈত্র-বৈশাখ | সামাজিক বিজ্ঞান (ষষ্ঠ শ্রেণি) |
| বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য | বাংলাপিডিয়া |
সময়কাল | গড় তাপমাত্রা |
| বার্ষিক | ২৬.০১° সে. |
| গ্রীষ্মকাল | ২৮° সে. |
| বর্ষাকাল | ২৭° সে. |
| শীতকাল | ১৭.৭° সে. |
বাংলাদেশের... | উষ্ণতম | শীতলতম |
| স্থান | নাটোরের লালপুর | শ্রীমঙ্গল, সিলেট |
| জেলা | রাজশাহী | সিলেট |
| মাস | এপ্রিল | জানুয়ারি |
ঘূর্ণিবাড়: এপ্রিল ও মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল প্রায়ই ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত হয়। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই ঘূর্ণিঝড়ের সময় ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী 'অপারেশন মান্না' সাংকেতিক নামে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে। মার্কিন সেনাবাহিনী পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রমের নাম 'অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল'। ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর (Sidr) বাংলাদেশে আঘাত হানে। 'সিডর' সিংহলী শব্দ যার অর্থ চোখ। ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় মার্কিন সেনাবাহিনী পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রমের সাংকেতিক নাম 'অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-২'। ২৫ মে, ২০০৯ ঘূর্ণিঝড় 'আইলা' বাংলাদেশে আঘাত হানে। আইলা অর্থ 'ডলফিন' বা শুশুক জাতীয় এক ধরনের প্রাণী। ১৬ মে, ২০১৩ ঘূর্ণিঝড় 'মহাসেন' বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে।
মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র (SPARRSO)
Space Research and Remote Sensing Organization মহাকাশ গবেষণাকারী সরকারী সংস্থা ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। এটি ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একমাত্র পূর্বাভাস কেন্দ্র। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।
Related Question
View Allসিত্রাং ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছিল কোন দেশ?
-
ক
সিঙ্গাপুর
-
খ
তাইওয়ান
-
গ
ভিয়েতনাম
-
ঘ
থাইল্যান্ড
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান কোনটি?
-
ক
লালখান
-
খ
লালপুর
-
গ
রাজশাহী
-
ঘ
বগুড়া
-
ক
দিনাজপুর
-
খ
বগুড়া
-
গ
শেরপুর গাজীপুর
-
ক
স্পারসো
-
খ
নাসা
-
গ
হু
-
ঘ
আই, ইউ.সি.এন
কোন অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়?
-
ক
মধ্যপ্রাচ্য
-
খ
দূরপ্রাচ্য
-
গ
আমেরিকা
-
ঘ
দক্ষিণ এশিয়া
-
ক
১৩
-
খ
২৪
-
গ
১৮
-
ঘ
১৫
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!