অনুচ্ছেদে বর্ণিত গল্পটি 'সুবর্ণ হংস' জাতকের.. সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুবর্ণ হংস জাতকের বর্ণনানুসারে একদা বোধিসত্ত্বের অতীত জন্মে তার সাথে বিয়ে হয় এক ব্রাহ্মণীর। বোধিসত্ত্বের অকাল মৃত্যুতে তাদের সংসার চরম অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বোধিসত্ত্ব পরবর্তী জন্মে সুবর্ণ হংস বা সোনার হংসরূপে জন্মগ্রহণ করে। তখন তার সংসারের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনে খুব ব্যথিত হন তিনি। সংসারের অভাব মেটাতে তিনি কিছুদিন পর পর একটি করে সোনার পালক দিয়ে যেতেন। কিন্তু লোভী ব্রাহ্মণী উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম ফেরিওয়ালার মতো পালকের মূল্য বুঝতে পেরে অতি সহজে সব পালক পাওয়ার জন্য ফন্দি আঁটে। তাদের এ অতি লোভের কারণে তাদের লাভতো হয়নি - বরং যা পেত তাও হারাতে হয়েছে।
Related Question
View Allজাতকের সংখ্যা ৫৫০টি।
একদা হিমালয়ের পাদদেশে অনাবৃষ্টিতে সব জল শুকিয়ে যায়। তৃষ্ণায় পশুপাখি সব কাতর হয়ে পড়লে ভিক্ষুর মায়া হলো। তিনি গাছের ডাল দিয়ে ডোঙ্গা তৈরি করে তা জলপূর্ণ করে দিলেন। বনের পশুপাখিরা সেই ডোঙ্গার জল খেয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। এভাবে তিনি তৃষ্ণার্ত প্রাণীদের জন্য জলপানের ব্যবস্থা করেন।
শশক তার বন্ধুদের 'দান করা উচিত', 'উপোসথ পালন করা উচিত', 'শীল রক্ষা করা উচিত' এরূপ ধর্মোপদেশ দিতেন।
মশকটি বৃদ্ধের মাথায় হুল ফুটিয়ে রক্ত পান করছিল।
জাতক শব্দটি 'জাত' শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। 'জাত' শব্দের 'অর্থ হলো উৎপন্ন, উদ্ভূত, জন্ম ইত্যাদি। সুতরাং জাতক শব্দের অর্থ যিনি উৎপন্ন বা জন্ম লাভ করেনে। বৃদ্ধ যে বিভিন্ন জন্ম অতিক্রান্তে মাধ্যমে বুদ্ধ হয়ে ওঠেন সেই কাহিনিগুলোকে বলা হয় জাতক।
জন্ম-জন্মান্তরে গৌতম বুদ্ধ নানা কূলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মানবকুলে রাজা, মন্ত্রী, ব্রাহ্মণ, বণিক, দেবকুলসহ পশুপাখি হয়ে জন্ম নিয়েছিলেন এবং প্রতিটি জন্মে বোধিসত্ত্ব নামে অভিহিত হন। আর এই বোধিসত্ত্বরূপে গৌতম বুদ্ধের জীবনবৃত্তান্ত ও ঘটনাবলিকে 'জাতক কাহিনি' বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!