আকবর দাদির কাছে জানতে চায়, মানুষ আত্মরক্ষার জন্য কী ধরনের পোশাক পরে? দাদি তাকে বিষয়টি সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলেন।
মানুষ বিভিন্ন ধরনের আঘাত ও ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষার জন্য পোশাক পরে। কলকারখানার শ্রমিকেরা বিশেষ ধরনের পোশাক, হেলমেট ও -জুতা পরে। নার্স, ডাক্তার এবং রসায়নবিদরা রোগ-জীবাণু ও রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- অ্যাপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে। অগ্নি প্রতিরোধক সংস্থার কর্মীরা এসবেসটস তন্তুর পোশাক পরে, যেন গায়ে আগুন না লাগে। সৈনিকেরা বুলেট প্রতিরোধক জ্যাকেট পরে। শিকারিরা আঁটসাঁট লম্বা প্যান্ট, ফুলশার্ট ও হাঁটু পর্যন্ত লম্বা জুতা এবং মাথায় হ্যাট পরে। এছাড়া ডুবুরিরা জীবন রক্ষাকারী ভাসমান জ্যাকেট ব্যবহার করে।
Related Question
View Allমানুষের জীবনে মৌলিক চাহিদা পাঁচটি। যথা: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা।
নার্সরা আত্মরক্ষার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরিধান করে। তারা রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য এ ধরনের পোশাক পরিধান করে। এ পোশাকগুলো সাধারণত জীবাণুমুক্ত হয়।
সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকের। এ ধরনের ফেব্রিক বয়ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। এ প্রক্রিয়ায় এক সেট সুতা লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে। এর সাথে আরও একসেট সুতা আড়াআড়িভাবে সাজিয়ে বস্ত্র বোনা হয়। যেমনঃ লং ক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি, জিন্স, গ্যাবার্ডিন ইত্যাদি। ওভেন ফেব্রিক সাধারণত নরম হয়, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে, ধুয়ে দিলে তাড়াতাড়ি শুকায় ও পরিধানের পর বেশিরভাগ সময় কুঁচকে থাকে। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো সোভার পরিধেয় বস্ত্রের সাথে মিল রয়েছে। সুতরাং, সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকে তৈরি।
সোভা ও রেবার পরিধেয় কাপড়গুলো যথাক্রমে ওভেন ও নিটেড ফেব্রিকের। উভয় ফেব্রিকের বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
ওভেন ফেব্রিক | নিটেড ফেব্রিক |
১. ওভেন ফেব্রিক তাঁতে বোনা। | ১. নিটেড ফেব্রিক হাতে বা মেশিনে তৈরি। |
২, লংক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি ইত্যাদি এর উদাহরণ। | ২. টি-শার্টের কাপড়, হোসিয়ারির কাপড় ইত্যাদি এর উদাহরণ। |
৩. এগুলো নরম, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে এবং তাড়াতাড়ি শুকায়। কিন্তু এগুলো সহজেই কচকে কুচকে যায়। | ৩. এ ফেব্রিক টানলে বেশি প্রসারিত হয়। এদের পানি শোষণ ক্ষমতা বেশি এবং সহজে কুঁচকায় না। |
নিটেড ফেব্রিক হলো হাতে বা মেশিনে নিটিং প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত এক প্রকার বস্ত্র।
নানা রকম প্রতিকূল অবস্থা থেকে নিজেকে রক্ষা, করাই হলো আত্মরক্ষা।
বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা তাদের প্রয়োজনে আত্মরক্ষামূলক পোশাক পরে থাকে। যেমন- নার্স, ডাক্তার ও রসায়নবিদরা রাসায়নিক দ্রব্যাদি থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!