আকবরের দাদি তাকে আদিম যুগের মানুষের গল্প শোনায়। সে যুগে মানুষেরা এখনকার মত পোশাক পরত না; শুধু একটা আচ্ছাদন ব্যবহার করত। তখন থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত ধীরে ধীরে পোশাকের যে পরিবর্তন হয়েছে সেই গল্প শুনে আকবর অভিভূত হয়ে যায়। একদিন সে দাদিকে প্রশ্ন করে মানুষ আত্মরক্ষার জন্য কী ধরনের পোশাক পরে? দাদি হ তখন তাকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলেন।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

পোশাক পরিধানের উদ্দেশ্য হলো লজ্জা নিবারণ ও শালীনতা রক্ষা করা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

শালীনতা রক্ষার জন্য, মানুষ স্থানীয় সমাজ, সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় অনুশাসন অনুসারে বিভিন্ন ধরনের পোশাক পরিধান করে। এজন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষের পোশাকের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন: আমাদের দেশের মানুষের এবং জাপানিজদের পোশাকের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

আকবর দাদির কাছে জানতে চায়, মানুষ আত্মরক্ষার জন্য কী ধরনের পোশাক পরে? দাদি তাকে বিষয়টি সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলেন।
মানুষ বিভিন্ন ধরনের আঘাত ও ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষার জন্য পোশাক পরে। কলকারখানার শ্রমিকেরা বিশেষ ধরনের পোশাক, হেলমেট ও -জুতা পরে। নার্স, ডাক্তার এবং রসায়নবিদরা রোগ-জীবাণু ও রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- অ্যাপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে। অগ্নি প্রতিরোধক সংস্থার কর্মীরা এসবেসটস তন্তুর পোশাক পরে, যেন গায়ে আগুন না লাগে। সৈনিকেরা বুলেট প্রতিরোধক জ্যাকেট পরে। শিকারিরা আঁটসাঁট লম্বা প্যান্ট, ফুলশার্ট ও হাঁটু পর্যন্ত লম্বা জুতা এবং মাথায় হ্যাট পরে। এছাড়া ডুবুরিরা জীবন রক্ষাকারী ভাসমান জ্যাকেট ব্যবহার করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পোশাকের যে পরিবর্তন এসেছে দাদার কাছে সেই গল্প শুনে আকবর অভিভূত হয়ে যায়।
আদিমযুগের মানুষেরা গাছের বাকল, পাতা, প্রাণীর চামড়া, পালক ইত্যাদি দেহের আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার করত। পরবর্তীতে তারা মৃত প্রাণীর চামড়ার সাথে সংযুক্ত পা বা খুর দুটো গলার পেছন দিকে বেঁধে বুক ও পিঠ ঢেকে রাখত। ধীরে ধীরে মানুষ সেলাই করার কৌশল আবিষ্কার করে। তারা মৃত পশুর শুকনো রগ দিয়ে সুতা এবং চিকন হাড় থেকে সুচ আবিষ্কার করে চামড়া সেলাই করে শরীর ঢেকে রাখত। পরবর্তীতে তারা চামড়া আরো 'প্রক্রিয়াজাত করে আরামদায়ক, উন্নত. ও স্থায়ী পোশাক তৈরি করতে সক্ষম হয়।
এছাড়া প্রাচীনকালে চরকার প্রচলন ছিল। অর্থাৎ সে যুগেও সুতা কেটে মানুষ বস্ত্র তৈরি করত। তখন বস্ত্রের জন্য তারা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল ছিল। এরপর এক সময় মানুষ উদ্ভিদের বাকল, আঁশ, প্রাণীর চুল বা. লোম, গুটিপোকার লালা ইত্যাদি থেকে সুতা বানিয়ে সেই সুতা দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে বস্ত্র তৈরি করে। সেই বস্ত্র থেকে তারা পোশাক তৈরি করা শুরু করে। আকবর দাদার কাছে এসকল তথ্য জানতে পারে এবং অভিভূত হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
89

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানুষের জীবনে মৌলিক চাহিদা পাঁচটি। যথা: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
314
উত্তরঃ

নার্সরা আত্মরক্ষার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরিধান করে। তারা রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য এ ধরনের পোশাক পরিধান করে। এ পোশাকগুলো সাধারণত জীবাণুমুক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
131
উত্তরঃ

সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকের। এ ধরনের ফেব্রিক বয়ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। এ প্রক্রিয়ায় এক সেট সুতা লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে। এর সাথে আরও একসেট সুতা আড়াআড়িভাবে সাজিয়ে বস্ত্র বোনা হয়। যেমনঃ লং ক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি, জিন্স, গ্যাবার্ডিন ইত্যাদি। ওভেন ফেব্রিক সাধারণত নরম হয়, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে, ধুয়ে দিলে তাড়াতাড়ি শুকায় ও পরিধানের পর বেশিরভাগ সময় কুঁচকে থাকে। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো সোভার পরিধেয় বস্ত্রের সাথে মিল রয়েছে। সুতরাং, সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকে তৈরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
116
উত্তরঃ

সোভা ও রেবার পরিধেয় কাপড়গুলো যথাক্রমে ওভেন ও নিটেড ফেব্রিকের। উভয় ফেব্রিকের বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-

ওভেন ফেব্রিক

নিটেড ফেব্রিক

১. ওভেন ফেব্রিক তাঁতে বোনা।

১. নিটেড ফেব্রিক হাতে বা মেশিনে তৈরি।

২, লংক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি ইত্যাদি এর উদাহরণ।

২. টি-শার্টের কাপড়, হোসিয়ারির কাপড় ইত্যাদি এর উদাহরণ।

৩. এগুলো নরম, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে এবং তাড়াতাড়ি শুকায়। কিন্তু এগুলো সহজেই কচকে কুচকে যায়।

৩. এ ফেব্রিক টানলে বেশি প্রসারিত হয়। এদের পানি শোষণ ক্ষমতা বেশি এবং সহজে কুঁচকায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
123
উত্তরঃ

নিটেড ফেব্রিক হলো হাতে বা মেশিনে নিটিং প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত এক প্রকার বস্ত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
125
উত্তরঃ

নানা রকম প্রতিকূল অবস্থা থেকে নিজেকে রক্ষা, করাই হলো আত্মরক্ষা।

বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা তাদের প্রয়োজনে আত্মরক্ষামূলক পোশাক পরে থাকে। যেমন- নার্স, ডাক্তার ও রসায়নবিদরা রাসায়নিক দ্রব্যাদি থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
121
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews