আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়'

হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়

তুমি ছাড়া এ জীবন শূন্য মনে হয়

'ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

পুষ্পারতি' শব্দটির অর্থ ফুলেল বন্দনা বা নিবেদন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির উদাসীনতার কারণ হলো তাঁর স্বামী ও কাব্য সাধনার প্রেরণাপুরুষের আকস্মিক মৃত্যু।
প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবির মন জুড়ে বিরাজ করছে শীতের রিক্ততা ও বিষণ্ণ রূপ। কবি শীত ঋতুকে ভুলতে পারছেন না। তাঁর এ ভুলতে না পারার কারণ প্রিয় স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যু। স্বামীর অকাল প্রয়াণে কবির হৃদয় দুঃখভারাক্রান্ত। আর এ কারণেই প্রকৃতিতে বসন্তের আগমন সত্ত্বেও কবি উদাসীন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে, প্রিয়জন বিচ্ছেদের বেদনা প্রকাশ পেয়েছে, যা 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির ব্যক্তিজীবনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের, আকস্মিক মৃত্যুতে কবির জীবনে নেমে আসে গভীর শূন্যতা। তাঁর ব্যক্তিজীবন ও কাব্যসাধনা তাই বিষণ্ণতার গাঢ় আঁধারে ঢেকে যায়। সেই গভীর দুঃখবোধই ফুটে উঠেছে আলোচ্য কবিতার পঙ্ক্তিমালায়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে স্বজন হারানোর বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। কবি যাঁকে খুব ভালোবাসতেন, তিনি কবিকে ছেড়ে চলে গেছেন। কবির কাছে এ জীবন তাই অর্থহীন মনে হয়। সবকিছুতেই তিনি কেবল শূন্যতাই খুঁজে পান। অতি প্রিয় মানুষের বিচ্ছেদ তাঁকে বড়ো নিঃসঙ্গ করে দিয়েছে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়ও একই অনুভূতির অনুরণন ঘটেছে। শীতের রিক্ততার স্মৃতি বারবার মনে পড়ায় কবি- ঋতুরাজ বসন্তের আগমনকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করতে পারেননি। অর্থাৎ, উদ্দীপকের কবিতাংশের কবির প্রিয়জন চলে যাওয়ার বিষাদময় অনুভূতির উপস্থাপনার
দিকটির সঙ্গে আলোচ্য কবিতার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কবির প্রিয়জন হারানোর বেদনা প্রকাশিত হয়েছে, যা 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির দুঃখবোধের অনুভূতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল উপজীব্য হলো প্রিয়জন হারানোর শোকানুভূতি। প্রিয়জন যখন অকালে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় তখন জীবন প্রকৃতপক্ষে অর্থহীন হয়ে পড়ে। এর প্রভাবে বিষাদ নেমে আসে চারপাশে। তখন আনন্দের উপকরণগুলোও বেদনাময় হয়ে যায়। মালোচ্য কবিতার কবি অসময়ে তাঁর স্বামীকে হারিয়ে বেদনাহত।
উদ্দীপকের, কবিতাংশের বর্ণনায় কবির শোকানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। কবি যাঁকে খুব ভালোবেসেছিলেন, তিনি কবিকে ছেড়ে চলে গেছেন। ফলে তাঁর কাছে সবকিছু শূন্য মনে হয়। কেননা, কবির চেতনাজুড়ে তাঁর প্রিয়জনের ছবি। সেই প্রিয়জন কবির অস্তিত্বের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনি আজ অনেক দূরে।
তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপক উভয়স্থানে দুঃখবোধের বেদনা ধ্বনিত হয়েছে। একদিকে কবি তাঁর স্বামীকে হারিয়ে এতটাই মর্মাহত হয়েছেন য, বসন্ত ঋতুর সৌন্দর্য তাঁর মনে প্রভাব ফেলতে পারছে না। অন্যদিকে আলোচ্য উদ্দীপকের কবিও তাঁর প্রিয়জনকে হারিয়ে আজ নিঃস্ব। প্রিয়জন ঘরিয়ে তাঁর কাছে সবকিছু শূন্য মনে হয়। উদ্দীপকের কবির এই বিষাদময় রিক্ততার সুর আলোচ্য কবিতায়ও অনুরণিত হয়েছে। প্রিয়জন হারানোর বদনা মানুষের মর্মমূলে কতটা গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে, তা উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় একইভাবে ফুটে উঠেছে। উভয়ক্ষেত্রেই বচ্ছিন্নতার বেদনাবোধ এবং প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের দিকটিই প্রাধান্য পেয়েছে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
14

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

“দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?”

“এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ

এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”

কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-

“অলখের পাথার বাহিয়া

তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান? ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।”

কহিলাম, “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি ।”

কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে-

“নাই হলো, না হোক এবারে-

আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া-

রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।”

কহিলাম : “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” 

কহিল সে পরম হেলায়- 

"বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় 

ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?

মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” 

“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” 

কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”

কহিল সে কাছে সরে আসি -

“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-

গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে

রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে ।”

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews