আবিদ ও সাকিব দুজন বন্ধু। তারা একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। আবিদের একটা সমস্যা ছিল সে সবসময় অযৌক্তিক যুক্তি উপস্থাপন করত। কিন্তু তার যুক্তিগুলো যে অযৌক্তিক তা সে কিছুতেই মানতে রাজি নয়। ফলে সে সামাজিক জীবনে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে লাগল। অন্যদিকে সাকিব যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে ভালোই জ্ঞান রাখে। সে আবিদের এ রকম অবস্থা দেখে তাকে যুক্তিবিদ্যা অনুসরণ করার পরামর্শ দেয়। | আবিদ সাকিবের পরামর্শে নিজেকে নতুনরূপে গড়ে তুলল।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তির পার্থক্য নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি ও নীতিসমূহের একটি বিশেষ বিদ্যা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যা ও বিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রতিটি বিজ্ঞান তাদের নিজ নিজ পারিভাষিক শব্দের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন ঘটনা ও বিষয়কে শ্রেণিকরণ করে। যুক্তিবিদ্যাও সংজ্ঞা, পদ ও শ্রেণিকরণ নিয়ে আলোচনা করে। যুক্তিবিদ্যা অন্যান্য বিজ্ঞানের ভিত্তিমূল হিসাবে কাজ করে। যুক্তিবিদ্যা হলো সকল বিজ্ঞানের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সাধারণ। এজন্য যুক্তিবিদ্যা থেকে বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান থেকে যুক্তিবিদ্যাকে পৃথক ও আলাদা করা যায় না, উভয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আবিদ নিজেকে নতুনরূপে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যার আদর্শ প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে। উদ্দীপকে লক্ষণীয়, আবিদ ও সাকিব দুজন বন্ধু। তারা একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। আবিদের একটা সমস্যা হলো সে সবসময় অযৌক্তিক যুক্তি উপস্থাপন করত। কিন্তু তার যুক্তিগুলো যে অযৌক্তিক তা সে কিছুতেই মানতে রাজি ছিল না। ফলে সামাজিক জীবনে সে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতো। অন্যদিকে, সাকিবের যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রয়েছে। সে আবিদের এরকম অবস্থা দেখে তাকে যুক্তিবিদ্যা অনুসরণ করার পরামর্শ দেয়। আবিদ সাকিবের পরামর্শে নিজেকে নতুনরূপে গড়ে তোলে। অর্থাৎ যুক্তিবিদ্যার আদর্শগত দিক পাঠের মাধ্যমে আবিদ অযৌক্তিক যুক্তি পরিহার করে সঠিক ও শুদ্ধ যুক্তি উপস্থান করতে শিখে। আমরা জানি, যুক্তিবিদ্যা পাঠ না করে যুক্তি উপস্থাপন করলে যুক্তির ত্রুটি ধরা যায় না এবং যুক্তির উৎপত্তি কোথা থেকে তা জানা সম্ভবপর হয় না। কারণ, যুক্তিবিদ্যা মানুষের স্বাভাবিক যুক্তির ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি যুক্তিবিদ্যা মানুষকে অনুমানের নিয়মাবলিকে সঠিকভাবে অনুসরণ করতে শেখায় এবং সঠিক নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জ্ঞানদান করে। এর ফলে মানুষ তার বাস্তব জীবনের আচরণ সংক্রান্ত ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করে ত্রুটিপূর্ণ আচরণ পরিহার করতে শেখে এবং বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে চলতে পারে। আবিদের ক্ষেত্রেও যুক্তিবিদ্যার উপর্যুক্ত ভূমিকাগুলো প্রযোজ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে বিদ্যা পাঠ করলে যুক্তি সম্পর্কীয় জ্ঞান অর্জন করা যায় তাকে যুক্তিবিদ্যা বলে। যুক্তিবিদ্যা মূলত বৈধ যুক্তি ও অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করে থাকে এবং সঠিক নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জ্ঞানদান করে। এর ফলে মানুষ তার বাস্তব জীবনে বিভিন্ন আচরণের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করে ত্রুটিপূর্ণ আচরণ পরিহার করতে শেখে এবং বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে চলতে' পারে। কাজেই দৈনন্দিন জীবনে যুক্তিবিদ্যা পাঠের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ বিষয়গুলো উদ্দীপকে বর্ণিত আবিদের ক্ষেত্রেও লক্ষণীয়। এছাড়া যুক্তিবিদ্যা মানুষের ভাবাবেগ ও উচ্ছ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যথাযথ বিচার-বিশ্লেষণ দ্বারা সত্য জ্ঞানকে অনুসন্ধান করতে সাহায্য করে। যুক্তিবিদ্যা মানুষের মানসিক নিয়মানুবর্তিতা বৃদ্ধি করে, মানুষের ধীশক্তি ও মেধাশক্তি প্রখর করে। ফলে মানুষ যেকোনো কঠিন ও জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে পায়। মানুষ বস্তু বিষয়ের পাশাপাশি বস্তুনিরপেক্ষ বিষয় যেমন- আত্মা, আত্মার অমরত্ব, দেশ, কাল ইত্যাদি সম্পর্কে চিন্তা করতে সমর্থ হয়। বিশুদ্ধ ও সত্য জ্ঞান লাভের জন্য যুক্তিবিদ্যা যুক্তির মৌলিক নিয়মাবলিকে প্রয়োগ করে এবং বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়কে বাস্তবতার উপযোগী করে তোলে। যুক্তিবিদ্যা জ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হিসাবে কাজ করে বলে বিজ্ঞানী, দার্শনিক, ধর্মতত্ত্ববিধ, সাধারণ মানুষ সবার জন্য যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান একান্ত প্রয়োজনীয়। কাজেই বলা যায়, "যুক্তিবিদ্যা মানুষের এক উত্তম সাহচার্য।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
191

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে যুক্তিবিদ্যা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
395
উত্তরঃ

অনুমান হলো জানা বিষয় থেকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অজানা বিষয়কে জানা। সুশৃঙ্খল চিন্তার মাধ্যমে অজানাকে জানা যায়। আর যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান। সুতরাং যুক্তিবিদ্যা অনুমাননির্ভর।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
296
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ নং দৃশ্যকল্পে যুক্তিবিদ্যা একটি বিজ্ঞান এই কথাটি ফুটে উঠেছে। অর্থাৎ যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানের দিকটি এখানে লক্ষণীয়। বস্তুগত বা আকারগতভাবে গবেষণাযোগ্য কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞানার্জন হলো বিজ্ঞান। আর ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান হলো যুক্তিবিদ্যা। বিজ্ঞান যেমন সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে তেমনি যুক্তিবিদ্যা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। বিজ্ঞানের মতো বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করতে না পারলেও যুক্তিবিদ্যা আকারগতভাবে বিষয়বস্তুর আলোচনা যথার্থভাবে করে থাকে। সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধভাবে আলোচনা করে নিয়মনীতি পণয়নের চেষ্টা করে যা বিজ্ঞানের সূত্র প্রবর্তনের মতো। সুতরাং বলা যায় যে আফতাব উন্নতজাতের ধান উৎপাদনের জন্য বিদেশে যান এবং এসম্পর্কীয় পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হন। তেমনি যুক্তিবিদ্যা অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি লাভের জন্য বিভিন্ন নীতি প্রণয়নের চেষ্টা করে যা বিজ্ঞানের মতোই সুশৃঙ্খল ও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
387
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ ও ২ এর সমন্বয়ে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ নির্ণয় করতে পারি। দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যাকে একটি বিজ্ঞান বলা যায়। কারণ চিন্তা সম্পর্কিত কতকগুলো নীতি ও নিয়মের নির্দেশ প্রদান করাই হলো যুক্তিবিদ্যার কাজ। এটাকে তাত্ত্বিক বিজ্ঞান বলা যায়। অর্থাৎ বিজ্ঞানের মতো যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করে। এই নিয়মনীতি অনুসরণ করে যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞানদান করে। উদ্দীপকে আফতাব উচ্চফলনশীল ধান উৎপাদনের পদ্ধতি জানার জন্যে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তেমনি যুক্তিবিদগণ অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করার বিভিন্ন নিয়ম প্রণয়ন করেন। আবার দৃশ্যকল্প-২ অনুযায়ী বলতে পারি যে, যুক্তিবিদ্যা কলার সাথে সম্পর্কযুক্ত। কলাবিদ্যা বিভিন্ন পদ্ধতি ও নিয়মকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কথা বলে। আক্কাস যেমন তার চিকিৎসা শিক্ষাকে বাস্তবে প্রয়োগ করে সফলভাবে অস্ত্রোপচার করেন, তেমনি যুক্তিবিদ্যা বাস্তবক্ষেত্রে তার নিয়মাবলিকে প্রয়োগ করে সত্যকে অর্জন করে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, দৃশ্যকল্প-১ ও ২ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ নির্ণয় করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
474
উত্তরঃ

চিন্তার ভাষায় প্রকাশিত রূপকে যুক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

আদিকাল থেকেই যুক্তির ধারণাটি বিদ্যমান। ভাষায় প্রকাশিত চিন্তাই হলো যুক্তি। মানুষ সামাজিক জীব হিসাবে আদিকাল থেকেই নিজের মতের পক্ষে যুক্তি দেখায়। যেমন-

সকল মানুষ মরণশীল

সক্রেটিস একজন মানুষ

সুতরাং সক্রেটিস মরণশীল।

এটি একটি যুক্তি। এই যুক্তিটি বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করাই মূলত যুক্তিবিদ্যার কাজ। যুক্তি হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
329
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews