আমরা কেন পদার্থবিজ্ঞান পড়ব- এ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

উত্তর: প্রতিবেদন: পদার্থবিজ্ঞানের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রকৃতির রহস্য উদঘাটন তথা প্রকৃতির নিয়মগুলো অনুধাবন করা। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে পদার্থবিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, পরমাণু ধনাত্মকভাবে আহিত নিউক্লিয়াস দ্বারা গঠিত যার চার পাশে ইলেকট্রন ঘোরে। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে পাওয়া যায় নিউক্লিয়াস প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত। বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করছেন প্রোটন ও নিউট্রন আরও ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত।
পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণা প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোকে ভালোভাবে বুঝতে এবং ব্যাখ্যা করতে যেমন সাহায্য করে তেমনি বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায় তার প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায় পদার্থবিজ্ঞানের ব্যবহারই পদার্থবিজ্ঞানকে বর্তমান বিজ্ঞানের যুগে এর কেন্দ্রে পরিণত করেছে। উনিশ শতকের শেষার্ধে ইলেকট্রনের আবিষ্কারই ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের উদ্ভাবন ঘটিয়েছে যা বস্তুবিজ্ঞান ও কোষ-জীববিদ্যায় বিপ্লব এনেছে।
একদিকে পদার্থবিজ্ঞানে যেমন তত্ত্ব সৃষ্টি, ও গণিতের প্রয়োগ আছে অপরদিকে এতে ব্যবহারিক উন্নয়ন রা বিকাশে প্রকৌশলশাস্ত্রও রয়েছে। রসায়ন, ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, আবহাওয়াবিজ্ঞান ইত্যাদি সম্পর্কে মৌলিক ব্যাখ্যা ও ধারণা গঠনে পদার্থবিজ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এছাড়া জীববিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে পদার্থবিজ্ঞানের পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতির প্রভৃত ব্যবহার রয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞান পাঠে আমরা নতুন ধারণা লাভ করতে পারি। কী করে চিন্তা করতে হয়, কারণ দর্শাতে হয়, যুক্তি দিতে হয়, কীভাবে যুক্তিবিজ্ঞান ও গণিতকে কাজে লাগাতে হয় পদার্থবিজ্ঞান তা আমাদের শিখিয়ে থাকে। এটি আমাদের কল্পনাকে উদ্দীপ্ত করে এবং চিন্তা শক্তির বিকাশ ঘটায়।
পদার্থবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে আমরা আমাদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারি। কী' করে সঠিক পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ করতে হয়, পদার্থবিজ্ঞান পাঠে তা আমরা জানতে পারি।

Satt Team 10
Satt Team 10
9 months ago
131

বিজ্ঞান বলতেই হয়তো তোমাদের চোখে বিজ্ঞানের নানা যন্ত্রপাতি, আবিষ্কার, গবেষণা, ল্যাবরেটরি- এসবের দৃশ্য ফুটে ওঠে, বিজ্ঞানের আসল বিষয় কিন্তু যন্ত্রপাতি, গবেষণা বা ল্যাবরেটরি নয়, বিজ্ঞানের আসল বিষয় হচ্ছে তার দৃষ্টিভঙ্গি। এই সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে বিজ্ঞান আর সেটি এসেছে পৃথিবীর মানুষের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। বিজ্ঞানের রহস্য অনুসন্ধানের জন্য কখনো সেটি যুক্তিতর্ক দিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়, কখনো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, আবার কখনো প্রকৃতিতে এই প্রক্রিয়াটিকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অসংখ্য বিজ্ঞানী মিলে বিজ্ঞানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই অধ্যায়ে পদার্থবিজ্ঞানের এই ক্রমবিকাশের একটি ধারাবাহিক বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। 

পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাস পড়লেই আমরা দেখব এটি তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক বিজ্ঞানীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে। ল্যাবরেটরিতে গবেষণা করতে হলেই নানা রাশিকে সুক্ষ্মভাবে পরিমাপ করতে হয়। পরিমাপ করার জন্য কীভাবে এককগুলো গড়ে উঠেছে, সেগুলো কীভাবে পরিমাপ করতে হয় এবং পরিমাপের জন্য কী ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয় সেগুলোও এই অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভার্নিয়ার ধ্রুবক : স্লাইড ক্যালিপার্স প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের চেয়ে ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগ যতটুকু ছোট তার পরিমাণকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক বলে। 

Eva Khanom
Eva Khanom
1 year ago
759
উত্তরঃ

কোনো ভৌত রাশির পরিমাণ সঠিকভাবে প্রকাশ এবং এর সুস্পষ্ট অর্থ প্রদান করার জন্য এককের প্রয়োজন হয়। একক ছাড়া শুধুমাত্র সংখ্যা দ্বারা কোনো রাশির পরিমাপ প্রকাশ করলে তা অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন থেকে যায়, কারণ একই সংখ্যা বিভিন্ন ধরনের রাশিকে নির্দেশ করতে পারে।

একক পরিমাপের একটি নির্দিষ্ট ও প্রামাণ্য মান নির্ধারণ করে, যা দ্বারা ওই রাশির পরিমাণকে সহজে তুলনা করা যায় এবং সকলের কাছে বোধগম্য করে তোলা যায়। যেমন, '5' বললে বোঝা যায় না কী বোঝানো হচ্ছে, কিন্তু '5 মিটার' বললে দৈর্ঘ্যের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বোঝা যায়। তাই, পরিমাপকে সার্বজনীন ও সুনির্দিষ্ট করার জন্য এককের ব্যবহার অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
950
উত্তরঃ

ভর হলো কোনো বস্তুর মধ্যে মোট পদার্থের পরিমাণ যা একটি মৌলিক রাশি এবং এর মান স্থানভেদে পরিবর্তিত হয় না। অন্যদিকে, ওজন হলো কোনো বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে, যা একটি লব্ধ রাশি এবং এর মান অভিকর্ষজ ত্বরণ (gravitational acceleration)-এর উপর নির্ভরশীল হওয়ায় স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। এই মৌলিক পার্থক্যগুলোর কারণে ওজন ও ভর একই ধরনের রাশি নয়।

ভর একটি স্কেলার রাশি, এর শুধুমাত্র মান আছে, কোনো দিক নেই এবং এর একক কিলোগ্রাম (kg)। পক্ষান্তরে, ওজন একটি ভেক্টর রাশি, এর মান ও দিক উভয়ই আছে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) এবং এর একক নিউটন (N)। উদাহরণস্বরূপ, চাঁদে বস্তুর ভর পৃথিবীর সমান থাকলেও অভিকর্ষজ ত্বরণের ভিন্নতার কারণে বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের প্রায় এক-ষষ্ঠাংশ হয়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
804
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews