প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে কৃষকরূপী কবির কর্মফল সোনার ধান দিয়ে মহাকালের তরী পরিপূর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
'সোনার তরী' একটি রূপক কবিতা। এ কবিতায় কৃষকরূপী শিল্পদ্রষ্টা কবি তাঁর সৃষ্টিকর্ম সোনার ধান নিয়ে মহাকালরূপী তরীর প্রতীক্ষায় ছিলেন। তরী আসার পর ধানরূপী তাঁর সমস্ত কর্ম সেখানে তুলে দেন। এ সময় তিনি উপলব্ধি করেন তাঁরই কর্মের ভারে পূর্ণ তরীতে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার মতো স্থান অবশিষ্ট নেই। অর্থাৎ তরীরূপী মহাকাল শুধু মানুষের কর্মকেই গ্রহণ করবে, ব্যক্তিমানুষকে নয়। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!