আমিন সাহেব বাজার থেকে পেয়ারা কিনে বিশেষ পদ্ধতিতে ধুয়ে নিলেন। দীর্ঘদিন পর গ্রামে বেড়াতে গিয়ে তিনি দেখলেন সেখানে পর্যাপ্ত টিউবওয়েল নেই। গ্রামের মানুষ খাবার পানি ও অন্যান্য কাজের জন্য পুকুর বা অন্য কোনো জলাশয়ের উপর নির্ভর করে এবং পায়খানাগুলো স্বাস্থ্যসম্মত না হওয়ায় গ্রামে নানা রকম সংক্রামক ব্যধি লেগেই থাকে। তিনি গ্রামের সবাইকে এ ব্যাপারে সাহায্য পেতে সরকারের একটি বিশেষ কমিটির কথা বললেন।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ফরমালিন এক ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যা মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।

উত্তরঃ

ভেজাল খাদ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। 

ভেজাল খাদ্য খেয়ে মানুষ পেটের পীড়া, অ্যালার্জি, চর্মরোগ থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে ক্যান্সার, পেপটিক আলসারের মতো বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়। এছাড়া ভেজাল খাদ্য লিভার, কিডনি, ফুসফুস, হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক ক্রিয়াকর্ম কমিয়ে সমস্ত শরীরকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে।

উত্তরঃ

আমিন সাহেব পেয়ারাগুলো বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য মুক্ত করার জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।

খাদ্যের রাসায়নিক দ্রব্যের অপব্যবহার আমাদের নিত্যব্যবহার্য খাদ্যদ্রব্যকে অস্বাস্থ্যকর ও বিপদজনক করেছে। তাই এই ক্ষতিকর বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলে খাদ্যদ্রব্যকে বিষমুক্ত করে খাবার উপযোগী করা সম্ভব।

উদ্দীপকে আমিন সাহেব বাজার থেকে পেয়ারা কিনে বিশেষ পদ্ধতিতে ধুয়ে নেন। কারণ তিনি জানেন ফলে কার্বাহাইডসহ নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত ফল নিয়মিত গ্রহণ করলে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ এমনকি মৃত্যু ঘটারও সম্ভাবনা থাকে। তাই ফল কেনার পর বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি সেগুলো বিষমুক্ত করেন। এক্ষেত্রে তিনি ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ২ কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে পেয়ারাগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নেন। এছাড়া তিনি পেয়ারাগুলো খাবার পূর্বে অন্তত ৩০ মিনিট লবণ মিশ্রিত বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখবেন। তারপর সেগুলো ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন। এভাবে আমিন সাহেব পেয়ারাগুলো বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত করেন।

উত্তরঃ

গ্রামের সমস্যা সমাধানে আমিন সাহেবের পরামর্শ বেশ সহায়ক হবে বলে আমি মনে করি।

অপর্যাপ্ত ও দুর্বল স্যানিটেশন এবং দূষিত পানি ব্যবহারের কারণে আমাদের দেশের মানুষ কলেরা, টাইফয়েড, ডায়রিয়া ও নানাবিধ পেটের পীড়া ইত্যাদি সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্যরক্ষায় স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানি গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমিন সাহেব দীর্ঘদিন পর গ্রামে বেড়াতে গিয়ে দেখেন সেখানে পর্যাপ্ত টিউবওয়েল নেই। মানুষ খাবার পানি ও অন্যান্য কাজে পুকুর বা অন্য কোন জলাশয়ের উপর নির্ভর করে। এছাড়া পায়খানাগুলো স্বাস্থ্যসম্মত না হওয়ায় গ্রামে নানারকম সংক্রামক ব্যাধি লেগেই থাকে। তাই তিনি এ ব্যাপারে সাহায্য পেতে ইউনিয়ন পরিষদ পল্লি পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশঢন স্ট্যান্ডিং কমিটির কথা বলেন। এ কমিটি বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করে। স্যানিটারি পায়খানা তৈরি ও ব্যবহারে জনগনকে উৎসাহ প্রদান এবং স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে এ স্ট্যান্টিং কমিটি। পানির উৎসসমূহ দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন দূষিত স্থানের পানি ব্যবহার না করার জন্য জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করে। এছাড়া এ কমিটি খাবার পানির জন্য সংরক্ষিত কুয়া, পুকুর ও অন্যান্য স্থানের পানিতে গোসল, কাপড় কাঁচা, গবাদি পশুর গোসল ও পাট পচানো নিষিদ্ধ করে। তাই আমিন সাহেবের গ্রামের লোকেরা এ স্ট্যান্ডিং কমিটির সহায়তায় তাদের স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্বাস্থ্যসম্মত করতে পারে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও তারা এ কমিটির সাহায্যে পাবে।

সুতরাং বলা যায়, আমিন সাহেবের পরামর্শে গ্রামের লোকেরা স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারবে।

301

Related Question

View All
উত্তরঃ

সিগেলা ব্যাকটেরিয়া ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রি নামক রোগের সৃষ্টি করে।

292
উত্তরঃ

কাঁচা মাংস, ডিম, দুধ, মাছ ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যগুলো দ্বারা তৈরি খাদ্যে স্যালমোনেলোসিস রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। স্যালমোনেলোসিস প্রতিরোধের উপায় হলো-

i. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে খাদ্যদ্রব্য নাড়াচাড়া করা।

ii. যথাযথ পদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্য রান্না ও সংরক্ষণ করা।

276
উত্তরঃ

সেমিনারে অংশগ্রহণ করে শরিফ খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিল।

খাদ্যে ভেজাল আমাদের জাতীয় সমস্যা। এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। বর্তমানে আমাদের দেশে ভেজাল খাদ্যের ব্যাপকতা মহামারী আকার ধারণ করেছে এবং জনগণের স্বাস্থ্য সমস্যাও প্রকট আকারে দেখা দিয়েছে।

বেশি দামের খাদ্যপণ্যের সাথে কম দামের খাদ্যপণ্য অথবা খাবারের সাথে খাবার অযোগ্য বস্তুর মিশ্রণই হলো খাদ্যে ভেজাল। বিভিন্ন গুঁড়া মসলায় ব্যবহৃত ভেজালের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ডায়রিয়া, পেপটিক আলসার, লিভারের ক্ষতি, কিডনির অসুখ ইত্যাদি। দুধ ও ভোজ্য তেলের ভেজাল শিশুদের কিডনি, লিভার, স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে, গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা ঘটায়। মেয়াদোত্তীর্ণ, পচা ও কৃত্রিম উপাদান সমৃদ্ধ বেকারি পণ্য পেটের পীড়া, বদহজম, কিডনি, পাকস্থলি ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা, চর্মরোগ ও অ্যালার্জির কারণ। এছাড়াও দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, জন্ডিস ও লিভারের অসুখ। এভাবে ভেজাল খাবার সাধারণ লোকের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে, কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।

227
উত্তরঃ

সেমিনারের আলোচিত বিষয় ছিল খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর দিক। ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাবে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা আমাদের জাতীয় সমস্যার অন্যতম। উদ্দেশ্যমূলকভাবে উৎকৃষ্ট খাদ্যসামগ্রীর সাথে নিম্নমানের সস্তা, খাওয়ার অযোগ্য অথবা বিষাক্ত পদার্থের মিশ্রণকে ভেজাল বলে।

এই সমস্যা সমাধানে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা অতীব জরুরি। যেমন-

i. খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে পত্রপত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশনে প্রচারণা চালাতে হবে।

ii. দেশের সকল পর্যায়ে সকল খাদ্য বিপণিবিতানে ও বাজারে ভেজাল শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করা, যাতে ক্রেতা পণ্য যাচাই করে নিতে পারে।

iii. খাদ্যপণ্য ক্রয়ে সচেতন হতে হবে। যেমন- বেশি সাদা চিনি, সেমাই, মুড়ি কেনা পরিহার করা উচিত।

iv. খাদ্যে ভেজাল ও ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও ভেজাল প্রদানকারীর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

v. এছাড়া ফল খাওয়ার পূর্বে ৩০ মিনিট লবণ মিশ্রিত বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে অথবা লেবুর রস ও গরম পানিতে ফল ধৌত করতে হবে।

এসকল পদক্ষেপ ভেজাল সমস্যা দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

261
উত্তরঃ

দুর্বল স্যানিটেশনের জন্য প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার শিশু ডায়রিয়ায় মারা যায়।

287
উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রাপ্ত স্যানিটেশন সেবাগুলো হলো- স্যানিটারি পায়খানা তৈরি ও ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ প্রদান ও স্থাপনে সহায়তা প্রদান। খাবারের পানির উৎসগুলো দূষণমুক্ত করা, দূষিত পানি ব্যবহার না করার জন্য জনগণকে সচেতন করা। খাবার পানির জন্য সংরক্ষিত স্থানে গোসল, কাপড় কাচা, গবাদি পশুর গোসল ও পাট পচানো নিষিদ্ধ করা।

265
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews