আমির ও আকবর দুজনই একাদশ শ্রেণির ছাত্র। তারা একদিন শক্তির উৎস নিয়ে আলোচনা করছিল। আমির তার যুক্তি দ্বারা প্রমাণ করার চেষ্টা করল যে, মানুষ সকল শক্তির উৎস। কারণ, মানুষ না চাইলে কোনো কিছু সংঘটিত হয় না। কোনো বস্তু তার স্থান পরিবর্তন করে না। আকবর তার যুক্তি দ্বারা প্রমাণ করল যে, সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। সূর্য আলো না দিলে পৃথিবীতে মানুষসহ অন্যান্য জীবের বেঁচে থাকাটা অসম্ভব ব্যাপার। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় শক্তির উৎস বিভিন্ন ধরনের কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করলে প্রকৃত বিষয়টি আমাদের কাছে প্রমাণিত হবে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পরিসর বলতে পরিধি, ক্ষেত্র বা বিষয়বস্তুকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যা হলো সকল কলার কলা। বিভিন্ন কলার উদ্দেশ্য হলো সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন যুক্তিসম্মত চিন্তা ও নির্ভুল প্রয়োগ বা তার ব্যবহার। সকল কলাবিদ্যাকেই যুক্তিবিদ্যার মূলনীতি, আদর্শ, যুক্তিবিন্যাস ও যুক্তিকৌশলকে অনুসরণ করতে হয়। কলাবিদ্যার নির্ভুলতা ও নিপুণতা নির্ভর করে যুক্তিপদ্ধতির উপর বা যুক্তিবিদ্যার উপর। এজন্য বলা হয়, যুক্তিবিদ্যা হলো সকল কলার কলা বা 'শীর্ষকলা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আমির ও আকবরের বিতর্ক যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক দিকটিকে ইঙ্গিত করে। কেননা যুক্তিবিদ্যাকে 'চিন্তার বিজ্ঞান' বলা হয়। কিন্তু মনের সব চিন্তাই যুক্তিবিদ্যার আলোচ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। যেমন- 'আবেগ', 'অনুভূতি', 'ইচ্ছা' এগুলো হচ্ছে মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু। কিন্তু যুক্তিবিদ্যার বিষয়বস্তু হলো 'চিন্তা'। সুসংহত ও সুসংবদ্ধ চিন্তা যখন ভাষায় প্রকাশ পায় তখন তাকে যুক্তি বলে। বিজ্ঞান হিসাবে যুক্তিবিদ্যা অনুমানমূলক বা যুক্তিমূলক চিন্তা- পদ্ধতির নীতিমালা আবিষ্কার করে। অনুরূপভাবে উদ্দীপকেও দেখা যায় একাদশ শ্রেণির ছাত্র আমির ও আকবর একদিন শক্তির উৎস নিয়ে আলোচনা করছিল। আমির তার যুক্তি দ্বারা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে, মানুষ সকল শক্তির উৎস। কারণ মানুষ না চাইলে কোনো কিছু সংঘটিত হয় না। আকবর তার যুক্তি দ্বারা প্রমাণ করে, সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। সূর্য আলো না দিলে পৃথিবীতে মানুষসহ অন্যান্য জীবের বেঁচে থাকাটা অসম্ভব ব্যাপার। সুতরাং বলা যায়, আমির ও আকবরের বিতর্ক যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক দিককে ইঙ্গিত করে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয়। সকল বিজ্ঞানের নিজস্ব নীতিমালা ও আবিষ্কার যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। নীতিমালা ও আবিষ্কারের মধ্যে যুক্তি কৌশল ও তার বৈধতর যুক্তি উপস্থাপিত হয়। বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রকৃতির বিভিন্ন বিভাগীয় সত্যকে অনুসন্ধান করে আবিষ্কার করতে চায়। আর এজন্য সকল বিজ্ঞানকে যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করতে হয়। এ বিষয়টি আমরা উদ্দীপকে বর্ণিত আমির ও আকবরের ক্ষেত্রেও দেখতে পাই। আমির ও আকবর শক্তির উৎস সম্পর্কে আলোচনা করছিল। এ আলোচনার ক্ষেত্রে তারা যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করেছে। তারা মুক্তি দ্বারা সকল শক্তির উৎস প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। এছাড়া প্রতিটি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেগুলো তাদের নিজ নিজ পারিভাষিক শব্দের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন ঘটনা ও বিষয়কে শ্রেণিকরণ করে। যুক্তিবিদ্যাও সংজ্ঞা, পদ, ব্যাখ্যা ও শ্রেণিকরণ নিয়ে আলোচনা করে এবং সাধারণ নিয়ম নির্দেশ করে। এভাবে সকল বিজ্ঞানকেই তার নিয়ম কাঠামোর জন্য যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করতে হয়। যুক্তিবিদ্যা অন্যান্য বিজ্ঞানের ভিত্তিমূল হিসাবে কাজ করে। এজন্য যুক্তিবিদ্যাকে 'সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান' বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
124
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে যুক্তিবিদ্যা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
348
উত্তরঃ

অনুমান হলো জানা বিষয় থেকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অজানা বিষয়কে জানা। সুশৃঙ্খল চিন্তার মাধ্যমে অজানাকে জানা যায়। আর যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান। সুতরাং যুক্তিবিদ্যা অনুমাননির্ভর।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
260
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ নং দৃশ্যকল্পে যুক্তিবিদ্যা একটি বিজ্ঞান এই কথাটি ফুটে উঠেছে। অর্থাৎ যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানের দিকটি এখানে লক্ষণীয়। বস্তুগত বা আকারগতভাবে গবেষণাযোগ্য কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞানার্জন হলো বিজ্ঞান। আর ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান হলো যুক্তিবিদ্যা। বিজ্ঞান যেমন সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে তেমনি যুক্তিবিদ্যা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। বিজ্ঞানের মতো বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করতে না পারলেও যুক্তিবিদ্যা আকারগতভাবে বিষয়বস্তুর আলোচনা যথার্থভাবে করে থাকে। সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধভাবে আলোচনা করে নিয়মনীতি পণয়নের চেষ্টা করে যা বিজ্ঞানের সূত্র প্রবর্তনের মতো। সুতরাং বলা যায় যে আফতাব উন্নতজাতের ধান উৎপাদনের জন্য বিদেশে যান এবং এসম্পর্কীয় পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হন। তেমনি যুক্তিবিদ্যা অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি লাভের জন্য বিভিন্ন নীতি প্রণয়নের চেষ্টা করে যা বিজ্ঞানের মতোই সুশৃঙ্খল ও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
351
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ ও ২ এর সমন্বয়ে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ নির্ণয় করতে পারি। দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যাকে একটি বিজ্ঞান বলা যায়। কারণ চিন্তা সম্পর্কিত কতকগুলো নীতি ও নিয়মের নির্দেশ প্রদান করাই হলো যুক্তিবিদ্যার কাজ। এটাকে তাত্ত্বিক বিজ্ঞান বলা যায়। অর্থাৎ বিজ্ঞানের মতো যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করে। এই নিয়মনীতি অনুসরণ করে যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞানদান করে। উদ্দীপকে আফতাব উচ্চফলনশীল ধান উৎপাদনের পদ্ধতি জানার জন্যে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তেমনি যুক্তিবিদগণ অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করার বিভিন্ন নিয়ম প্রণয়ন করেন। আবার দৃশ্যকল্প-২ অনুযায়ী বলতে পারি যে, যুক্তিবিদ্যা কলার সাথে সম্পর্কযুক্ত। কলাবিদ্যা বিভিন্ন পদ্ধতি ও নিয়মকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কথা বলে। আক্কাস যেমন তার চিকিৎসা শিক্ষাকে বাস্তবে প্রয়োগ করে সফলভাবে অস্ত্রোপচার করেন, তেমনি যুক্তিবিদ্যা বাস্তবক্ষেত্রে তার নিয়মাবলিকে প্রয়োগ করে সত্যকে অর্জন করে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, দৃশ্যকল্প-১ ও ২ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ নির্ণয় করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
430
উত্তরঃ

চিন্তার ভাষায় প্রকাশিত রূপকে যুক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

আদিকাল থেকেই যুক্তির ধারণাটি বিদ্যমান। ভাষায় প্রকাশিত চিন্তাই হলো যুক্তি। মানুষ সামাজিক জীব হিসাবে আদিকাল থেকেই নিজের মতের পক্ষে যুক্তি দেখায়। যেমন-

সকল মানুষ মরণশীল

সক্রেটিস একজন মানুষ

সুতরাং সক্রেটিস মরণশীল।

এটি একটি যুক্তি। এই যুক্তিটি বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করাই মূলত যুক্তিবিদ্যার কাজ। যুক্তি হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
296
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews