ইনস্যুলিন এক ধরনের পলিপেপটাইড, যা গ্লুকোজকে রক্ত থেকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের প্রধান হরমোন।
ইনসুলিনের অভাবে যেসকল রোগ হতে পারে:
১. ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
২. ডায়াবেটিস হওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরণের চোখের অসুখ হতে পারে। যেমন: চোখে ছানি পরা। ইনসুলিনের অভাবে যেসকল রোগ হতে পারে:
৩. স্নায়ু পেশীর অসুস্থতা, প্যারালাইসিস, স্নায়ুবিক দুর্বলতা সহ বিভিন্ন রোগ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে দেখা যায় ।
৪. ডায়াবেটিস এর প্রভাবে মুখের বিভিন্ন রোগ দেখা যায় । যেমন: মাড়ির ক্ষয়, মুখে ঘা, দাঁত পড়ে যাওয়া, দাঁতের ক্ষয় ইত্যাদি।
Related Question
View All১. ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
২. ডায়াবেটিস হওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরণের চোখের অসুখ হতে পারে। যেমনঃ চোখে ছানি পরা ।
৩. স্নায়ু পেশীর অসুস্থতা, প্যারালাইসিস, স্নায়ুবিক দুর্বলতা সহ বিভিন্ন রোগ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে দেখা যায় ৪. ডায়াবেটিস এর প্রভাবে মুখের বিভিন্ন রোগ দেখা যায়। যেমনঃ মাড়ির ক্ষয়, মুখে ঘা, দাঁত পড়ে যাওয়া, দাঁতের ক্ষয় ইত্যাদি।
ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
ডায়াবেটিস (বহুমূত্ররোগ) একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যেখানে শরীর রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। এর প্রধান কারণ হলো ইনসুলিন হরমোনের অভাব বা ইনসুলিনের কার্যকারিতার ঘাটতি।
ডায়াবেটিসের প্রধান কারণগুলো হলো:
টাইপ-১ ডায়াবেটিস: এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলো ধ্বংস করে। ফলে ইনসুলিন উৎপাদন একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এটি সাধারণত শিশু ও কিশোরদের মধ্যে দেখা যায়।
টাইপ-২ ডায়াবেটিস: এই ধরনের ডায়াবেটিসে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা তৈরি হওয়া ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা: শরীরে অতিরিক্ত চর্বি ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা হ্রাস করে।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস: গর্ভাবস্থায় কিছু নারীর রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নামে পরিচিত।
অন্যান্য কারণ:
হরমোনজনিত সমস্যা: কিছু হরমোনের অতিরিক্ত উৎপাদন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ, যেমন স্টেরয়েড, রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।
চাপ ও মানসিক স্ট্রেস: দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!