ঈশিতা বাংলা বিভাগের উচ্ছল প্রাণবন্ত মেয়ে। আড্ডার আসরকে সে মাতিয়ে রাখে। বাংলা বিভাগ প্রতিবারের মতো এবারও বসন্ত উৎসব পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। ঈশিতা বরাবরই এই ধরনের আয়োজনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। উৎসবের দিন রূপময় প্রকৃতির নান্দনিকতা ও উৎসব প্রাঙ্গণের বর্ণিল বিন্যাস একাকার হয়ে অভূতপূর্ব আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অথচ এই কোলাহলমুখর আনন্দঘন পরিবেশে প্রাণবন্ত ঈশিতা যেন প্রাণহীন, ছন্দহীন, গম্ভীর ও বিষণ্ণ। জানা গেল, তিন বছর আগে হারানো মায়ের স্মৃতিই আজ তার অন্তরকে বেদনাচ্ছন্ন করে রেখেছে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' সংলাপনির্ভর কবিতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

কবিতার আলোচ্য চরণটির অর্থ হলো ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ ও বন্দনা করার জন্য গাছে গাছে নিশ্চয়ই ফুলে ফুটেছে।
প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবির মনজুড়ে আছে শীতের রিক্ত ও বিষণ্ণ ছবি। কবির মন দুঃখ ভারাক্রান্ত। তাঁর কণ্ঠ নীরব। শীতের করুণ বিদায়কে তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না। বসন্তের আগমনে কবি-ভক্তের অনুযোগ- কবি বসন্তকে বরণ না করায় বসন্তের আবেদন গুরুত্ব হারিয়েছে। কবি তখন প্রকৃতির পরিবর্তন দেখিয়ে বলতে চেয়েছেন যে, ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ ও বন্দনা করার জন্য গাছে গাছে ফুল ফোটেনি? আলোচ্য চরণটি দ্বারা তা-ই বোঝানো হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রিয়জন হারানোর বেদনায় বিহ্বলতা উদ্দীপকের ঈশিতার সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিসত্তার ঐক্য লক্ষ করা যায়।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় প্রকৃতি বসন্তের আগমনে ফুলের সাজে সাজলেও কবির মনজুড়ে আছে শীতের রিক্ততার ছবি। বসন্তের সৌন্দর্য তাঁর মনে কোনো সাড়া জাগাতে পারছে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কবির প্রথম স্বামী ও কাব্যসাধনার প্রেরণা-পুরুষের আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর অন্তরে জেগে ওঠা বিষণ্ণতাই এর মূল কারণ।
উদ্দীপকের ঈশিতা উচ্ছল প্রাণবন্ত মেয়ে হলেও এবারের বসন্ত উৎসবে তাকে বিষণ্ণ দেখা গেছে। এই কোলাহলমুখর আনন্দঘন পরিবেশে প্রাণবন্ত ঈশিতাকে মায়ের মৃত্যুর স্মৃতি বদলে দিয়েছে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়ও প্রায় একই ধরনের দৃশ্যকল্প দেখা যায়। প্রিয়জন হারানো বেদনায় আচ্ছন্ন কবি বসন্ত-বন্দনায় অনুপস্থিত। আর এখানেই কবি ও ঈশিতার মধ্যে ঐক্য তৈরি করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার রিক্ততার হাহাকারে আচ্ছন্ন কবিমনের সাদৃশ্যপূর্ণ চেতনা প্রকাশিত হওয়ায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবির মনজুড়ে আছে শীতের রিক্ত ও বিষণ্ণ ছবি। কবির মন দুঃখ ভারাক্রান্ত এবং তাঁর
কণ্ঠ নীরব। শীতের করুণ বিদায়কে তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না। তাই বসন্তের সৌন্দর্য তাঁর কাছে অর্থহীন। বস্তুত, কবির প্রথম স্বামী ও
কাব্যসাধনার প্রেরণা-পুরুষের আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর অন্তরে এহেন বিষণ্ণতা জেগে উঠেছে।
উদ্দীপকের ঈশিতা একজন উচ্ছল প্রাণবন্ত মেয়ে। তবে বসন্ত উৎসব পালনে তার স্বাভাবিক উচ্ছলতা অনুপস্থিত। কোলাহলমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সে আজ যেন প্রাণহীন, ছন্দহীন, গম্ভীর ও বিষণ্ণ। তার এমন আচ্ছন্নতা মূলত তার মাতৃমৃত্যুজনিত কষ্টের স্মৃতি রোমন্থন। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়ও কবির ক্ষেত্রে একই রকম দৃশ্য দেখা যায়। বসন্তের আগমন কবিকে উদ্দীপ্ত করতে পারে না। উদ্দীপকের ঈশিতা এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়েই স্মৃতিকাতর হওয়ায় আনন্দের অনুষঙ্গ সামনে থাকতেও তাদের মন বিষণ্ণতায় ভরা। উভয়েরই ব্যক্তিজীবনে পাওয়া কষ্টের স্মৃতি তাঁদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ফলে উভয়েই আনন্দ-উৎসব থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন। বসন্তের আগমন তাঁদেরকে পরিবর্তন করতে পারে না। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় একই জীবন-সত্যের পরিচয় উদ্‌ঘাটিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
35

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

“দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?”

“এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ

এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”

কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-

“অলখের পাথার বাহিয়া

তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান? ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।”

কহিলাম, “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি ।”

কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে-

“নাই হলো, না হোক এবারে-

আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া-

রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।”

কহিলাম : “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” 

কহিল সে পরম হেলায়- 

"বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় 

ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?

মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” 

“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” 

কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”

কহিল সে কাছে সরে আসি -

“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-

গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে

রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে ।”

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews