প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পোশাকের যে পরিবর্তন এসেছে দাদার কাছে সেই গল্প শুনে আকবর অভিভূত হয়ে যায়।
আদিমযুগের মানুষেরা গাছের বাকল, পাতা, প্রাণীর চামড়া, পালক ইত্যাদি দেহের আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার করত। পরবর্তীতে তারা মৃত প্রাণীর চামড়ার সাথে সংযুক্ত পা বা খুর দুটো গলার পেছন দিকে বেঁধে বুক ও পিঠ ঢেকে রাখত। ধীরে ধীরে মানুষ সেলাই করার কৌশল আবিষ্কার করে। তারা মৃত পশুর শুকনো রগ দিয়ে সুতা এবং চিকন হাড় থেকে সুচ আবিষ্কার করে চামড়া সেলাই করে শরীর ঢেকে রাখত। পরবর্তীতে তারা চামড়া আরো 'প্রক্রিয়াজাত করে আরামদায়ক, উন্নত. ও স্থায়ী পোশাক তৈরি করতে সক্ষম হয়।
এছাড়া প্রাচীনকালে চরকার প্রচলন ছিল। অর্থাৎ সে যুগেও সুতা কেটে মানুষ বস্ত্র তৈরি করত। তখন বস্ত্রের জন্য তারা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল ছিল। এরপর এক সময় মানুষ উদ্ভিদের বাকল, আঁশ, প্রাণীর চুল বা. লোম, গুটিপোকার লালা ইত্যাদি থেকে সুতা বানিয়ে সেই সুতা দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে বস্ত্র তৈরি করে। সেই বস্ত্র থেকে তারা পোশাক তৈরি করা শুরু করে। আকবর দাদার কাছে এসকল তথ্য জানতে পারে এবং অভিভূত হয়ে যায়।
Related Question
View Allমানুষের জীবনে মৌলিক চাহিদা পাঁচটি। যথা: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা।
নার্সরা আত্মরক্ষার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরিধান করে। তারা রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য এ ধরনের পোশাক পরিধান করে। এ পোশাকগুলো সাধারণত জীবাণুমুক্ত হয়।
সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকের। এ ধরনের ফেব্রিক বয়ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। এ প্রক্রিয়ায় এক সেট সুতা লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে। এর সাথে আরও একসেট সুতা আড়াআড়িভাবে সাজিয়ে বস্ত্র বোনা হয়। যেমনঃ লং ক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি, জিন্স, গ্যাবার্ডিন ইত্যাদি। ওভেন ফেব্রিক সাধারণত নরম হয়, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে, ধুয়ে দিলে তাড়াতাড়ি শুকায় ও পরিধানের পর বেশিরভাগ সময় কুঁচকে থাকে। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো সোভার পরিধেয় বস্ত্রের সাথে মিল রয়েছে। সুতরাং, সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকে তৈরি।
সোভা ও রেবার পরিধেয় কাপড়গুলো যথাক্রমে ওভেন ও নিটেড ফেব্রিকের। উভয় ফেব্রিকের বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
ওভেন ফেব্রিক | নিটেড ফেব্রিক |
১. ওভেন ফেব্রিক তাঁতে বোনা। | ১. নিটেড ফেব্রিক হাতে বা মেশিনে তৈরি। |
২, লংক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি ইত্যাদি এর উদাহরণ। | ২. টি-শার্টের কাপড়, হোসিয়ারির কাপড় ইত্যাদি এর উদাহরণ। |
৩. এগুলো নরম, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে এবং তাড়াতাড়ি শুকায়। কিন্তু এগুলো সহজেই কচকে কুচকে যায়। | ৩. এ ফেব্রিক টানলে বেশি প্রসারিত হয়। এদের পানি শোষণ ক্ষমতা বেশি এবং সহজে কুঁচকায় না। |
নিটেড ফেব্রিক হলো হাতে বা মেশিনে নিটিং প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত এক প্রকার বস্ত্র।
নানা রকম প্রতিকূল অবস্থা থেকে নিজেকে রক্ষা, করাই হলো আত্মরক্ষা।
বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা তাদের প্রয়োজনে আত্মরক্ষামূলক পোশাক পরে থাকে। যেমন- নার্স, ডাক্তার ও রসায়নবিদরা রাসায়নিক দ্রব্যাদি থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!