উদ্দীপকের কাগজি মুদ্রা সহজে বহনযোগ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সহজলভ্যতার কারণে ব্যাপক প্রসার লাভ করে।
মুদ্রা হিসেবে প্রথমে কড়ি, হাঙ্গরের দাঁত, হাতির দাঁত, পাথর, ঝিনুক, তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। তবে এসব ধাতব মুদ্রার কিছু অসুবিধা ছিল। ফলে উনবিংশ শতাব্দীতে কাগজি মুদ্রার প্রচলন শুরু হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে নোট বা কাগজি মুদ্রা দেখানো হয়েছে। ধাতব মুদ্রার চেয়ে এই মুদ্রার ব্যবহার সহজলভ্য। এছাড়া কাগজি মুদ্রা সহজে বহন করা যায়। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এর জালিয়াতি বা প্রতারণার সুযোগ কম। এসব কারণে কাগজি মুদ্রার প্রসার লাভ করছে।
Related Question
View Allভব্যের বিনিময়ে দ্রব্য লেনদেন করে চাছিদা পূরণ করাই হলো দ্রব্য।
মুদ্রাকে ব্যাংক বাবসায়ের জননী বলা হয়।
মুদ্রা প্রানান হবার পরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাংক মুদ্রার মাধ্যমে আমানর সংগ্রহ করে ও ঋণ দেয়। এ কারণেই মুদ্রা ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এককথায় ব্যাংক সাবস্থার উৎপরি ও ক্রমবিকাশ হয়েছে মুদ্রাকে ঘিরে। মুদ্রা ছাড়া ব্যাংক ব্যবসায় অচল। আবার ব্যাংক স্বাড়া মুদ্রার ব্যবহারও সীমিত। অর্থাৎ একটি আরেকটির সাথে প্রতপ্রোতভাবে জড়িত
ব্যাংকির ও ব্যাংকার। একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত'-বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলে। ব্যাংকিং ব্যবসায় যারা পরিচালনা করেন তাদেরকে বলা হয় ব্যাংকার।
উদ্দীপকে আজমি নর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাধা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যয়ের কর্মকর্তী। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যয় বাতেন এক্ষেত্রে আজমির বানা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলে হলো ব্যাকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা বাহ ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাবা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এক্ষেত্রে আজমির বাবা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলো হলো ব্যাংকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
