দ্রব্যের বিনিময়ে দ্রব্য আদান-প্রদান করে নিজেদের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের ব্যবস্থাকে দ্রব্য বিনিময় প্রথা বলা হয়।
মুদ্রা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি বিনিময়ের মাধ্যম।
সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে মানুষের সামাজিক বন্ধন ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাড়ে। ফলে মানুষের মধ্যে লেনদেন এবং বিনিময় সৃষ্টি হয়।
পাশাপাশি বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে মুদ্রা প্রচলিত হয়। এই মুদ্রা প্রচলনের পরপরই ব্যাংক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যার জন্য মুদ্রাকে ব্যাংক ব্যবস্থার জননী বলা হয়।
উদ্দীপকের কাগজি মুদ্রা সহজে বহনযোগ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সহজলভ্যতার কারণে ব্যাপক প্রসার লাভ করে।
মুদ্রা হিসেবে প্রথমে কড়ি, হাঙ্গরের দাঁত, হাতির দাঁত, পাথর, ঝিনুক, তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। তবে এসব ধাতব মুদ্রার কিছু অসুবিধা ছিল। ফলে উনবিংশ শতাব্দীতে কাগজি মুদ্রার প্রচলন শুরু হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে নোট বা কাগজি মুদ্রা দেখানো হয়েছে। ধাতব মুদ্রার চেয়ে এই মুদ্রার ব্যবহার সহজলভ্য। এছাড়া কাগজি মুদ্রা সহজে বহন করা যায়। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এর জালিয়াতি বা প্রতারণার সুযোগ কম। এসব কারণে কাগজি মুদ্রার প্রসার লাভ করছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মুদ্রা পণ্য বা সেবার মূল্য নির্ধারণ করে মূল্যের পরিমাপক হিসেবে কাজ করে।
মুদ্রা একটি বিনিময়ের মাধ্যম। এটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। যেকোনো লেনদেন করার জন্য এটি ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে নোট বা. কাগজি মুদ্রা দেখানো হয়েছে। বিনিময় প্রথার সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করার জন্য মূলত মুদ্রার আবির্ভাব হয়েছিল। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো দ্রব্যের মূল্য পরিমাপ করা। বিনিময় প্রথায় একটি দ্রব্যের বিনিময়ে অন্য আরেকটি দ্রব্যের কতটুকু বিনিময় করা যায় তা নির্ধারণ করা জটিল ছিল। মুদ্রার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হয়।
কেনা-কাটা, লেনদেন, বিনিময়ের ক্ষেত্রে মূল্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন শ্রমিকের মজুরি কত হবে, একটি পণ্যের মূল্য কত হবে, একটি সেবার মান কত হবে ইত্যাদি মূল্যায়ন করার জন্য মূল্যের প্রয়োজন। মুদ্রা এক্ষেত্রে একক হিসেবে কাজ করে। ফলে আমরা সহজে পণ্যের মূল্য পরিমাপ করতে পারি।
এই অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মুদ্রার ইতিকথা, বিবর্তন এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। তাছাড়া মুদ্রার ব্যবহার, প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যাংকের সাথে মুদ্রার সম্পর্ক সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করবে।
এ অধ্যায় পাঠে শিক্ষার্থীরা মুদ্রার বহুল ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকের সৃষ্টি এবং ব্যাংকব্যবস্থা ও ব্যাংকার সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবে। এই অধ্যায়ে ব্যাংকের ব্যবসায়িক ইতিহাস এবং ক্রমবিকাশ আলোচনা করা হয়েছে এবং বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং তার ইতিকথা সম্পর্কে কিছুটা আলোচনা করা হয়েছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
- মুদ্রা এবং তাঁর ইতিহাস ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ব্যাংক, ব্যাংকিং ও ব্যাংকারের মধ্যে যোগসূত্র নির্ণয় করতে পারব।
- ব্যাংক ব্যবসায় ইতিহাস ও ক্রমবিকাশ বর্ণনা করতে পারব।
Related Question
View Allভব্যের বিনিময়ে দ্রব্য লেনদেন করে চাছিদা পূরণ করাই হলো দ্রব্য।
মুদ্রাকে ব্যাংক বাবসায়ের জননী বলা হয়।
মুদ্রা প্রানান হবার পরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাংক মুদ্রার মাধ্যমে আমানর সংগ্রহ করে ও ঋণ দেয়। এ কারণেই মুদ্রা ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এককথায় ব্যাংক সাবস্থার উৎপরি ও ক্রমবিকাশ হয়েছে মুদ্রাকে ঘিরে। মুদ্রা ছাড়া ব্যাংক ব্যবসায় অচল। আবার ব্যাংক স্বাড়া মুদ্রার ব্যবহারও সীমিত। অর্থাৎ একটি আরেকটির সাথে প্রতপ্রোতভাবে জড়িত
ব্যাংকির ও ব্যাংকার। একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত'-বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলে। ব্যাংকিং ব্যবসায় যারা পরিচালনা করেন তাদেরকে বলা হয় ব্যাংকার।
উদ্দীপকে আজমি নর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাধা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যয়ের কর্মকর্তী। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যয় বাতেন এক্ষেত্রে আজমির বানা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলে হলো ব্যাকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা বাহ ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাবা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এক্ষেত্রে আজমির বাবা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলো হলো ব্যাংকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!