উদ্দীপকের জনাব কামাল কোন ধরনের গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করেছেন? ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জনাব কামাল জনগণের অর্থ ও সময়ের অপচয় রোধে ই-সেবা কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে ই-গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারি কর্মকাণ্ড তথা রাষ্ট্র পরিচালনার যাবতীয় কর্মকান্ডে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ও উপকরণের ব্যবহার। শাসনকার্যে স্বীকৃতি ও দ্রুতগতি আনয়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটানোই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স। বর্তমান তথ্য। প্রযুক্তির যুগে ই-গভর্ন্যান্সের বিকল্প নেই। যেহেতু এই ব্যবস্থায়। কার্যক্রম ইলেকট্রনিক মাধ্যমে হয়ে থাকে সেহেতু এ ব্যবস্থায়। গ্রাহককে অথবা কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অন্যের দারস্থ হতে হয়। না বা কারো জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। ফলে দ্রুততম সময়ে কাজ করা যায়। এ ব্যবস্থায় সবাই অনলাইনে থাকেন বলে গোপন কিছু করাও এ ক্ষেত্রে প্রায় অসম্ভব। এ ব্যবস্থায় দ্রুততম সময়ে কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতাও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। অর্থাৎ এ ব্যবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গ্রাহকদের সঠিক সেবা প্রদানের সাথে সাথে নিজেদের কাজের ব্যাপারেও জবাবদিহি করে থাকেন। এ জবাবদিহিতা ব্যক্তিরকর্মকাণ্ডকে সঠিকভাবে পালন করতে উদ্বুদ্ধ করে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থায় যেকোনো প্রতিষ্ঠানেই কাজকে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পাদনের ব্যাপারে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। উদ্দীপকে জনাব কামাল ভূমি অফিসের কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের অর্থ ও সময়ের অপচয় রোধে যে কার্যক্রম চালু করেছেন তা উপরে বর্ণিত আলোচনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কাজেই উদ্দীপকে জনাব কামাল সাহেব ই-গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করেছেন।

95

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।

300
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।

234
উত্তরঃ

সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।

206
উত্তরঃ

সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।

166
উত্তরঃ

ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)

312
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে

379
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews