উদ্দীপকের প্রথম তিনটি চরণের সাথে ১৮ বছর বয়স কবিতার আংশিক সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
'আঠারো বছর বয়স' কৈশোর থেকে যৌবনে উপনীত হওয়ার এক ক্রান্তিকালীন সময়। অন্যের উপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার তাড়না অনুভব করে তরুণরা। এ সময় তারা সমস্ত বন্ধন ভেঙে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠে। দেহ মনের স্থবিরতা, নিশ্চলতা ও জরাজীর্ণতা অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে তারুণ্য এগিয়ে চলে।
উদ্দীপকের প্রথম লাইনে তারুণ্যকে নতুন যৌবনের দূত বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তরুণদের যৌবনে প্রাপ্ত কর্ম উদ্দীপনার মাধ্যমেই সমাজে পরিবর্তন আসে। এই তারুণ্য চঞ্চল এবং অদ্ভুত, চিরাচরিত সামাজিক রূপের সাথে যাদের মিল নেই। সব শৃঙ্খল ভেঙে এগিয়ে যাওয়াই তারুণ্যের ধর্ম। এদিক থেকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাথে উদ্দীপকের আংশিক মিল পরিলক্ষিত হয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!