উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্যের ব্যক্তিজীবনের মধ্য দিয়ে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সোনার ধান ফলানোর দিকটি ফুটে উঠেছে।
'সোনার তরী' কবিতায় কৃষক, ধান, সোনার তরী ইত্যাদি রূপকের মাধ্যমে এক গভীর জীবনদর্শন প্রকাশ পেয়েছে। কৃষক যেন কীর্তিমান মানুষের প্রতিচ্ছবি, ধান তাঁর কর্মকৃতি এবং সোনার তরী হচ্ছে পৃথিবী। পৃথিবী নামক তরীতে মানুষের ধান স্থান পেলেও নিজেকে নিশ্চিতভাবে হতে হয় মহাকালের নিষ্ঠুর কালগ্রাসের শিকার। তাই জীবনে সোনা ফলানোর মতো কর্ম করে নিজের স্বাক্ষর রেখে যাওয়াই প্রকৃত মানুষের কর্তব্য।
উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য একজন কীর্তিমান বাঙালি। প্রকৃত ধনসম্পদ অর্জন করলেও তিনি তা ব্যক্তিগত ভোগবিলাসে ব্যয় না করে শিক্ষাবিস্তার ও দারিদ্র্য দূরীকরণসহ নানাবিধ সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করেন। ফলে তিনি মৃত্যুবরণ করলেও মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছেন। প্রায় একই রকম চিত্র 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সোনার ধান ফলানোর মাঝে লক্ষ করা যায়। তাই উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এবং কবিতার কৃষক যেন একই জীবন চেতনার ব্যক্তিত্ব।
Related Question
View Allচিকনাই শব্দের অর্থ কী
ব্যান্জনার্থে
উত্তর চাই
একজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'—কবির এমন অনুভূতির কারণ কী?
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!