মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ছিলেন বাঙালি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব। নিজের ঐকান্তিক চেষ্টায় বিপুল ধনসম্পদের অধিকারী হন। কিন্তু নিজে কৃষ্ণসাধন করে জনহিতকর কাজে লিপ্ত হন। তিনি শিক্ষাবিস্তারের জন্য টোল, পাঠশালা, গ্রন্থাগার, হোস্টেল, নারী শিক্ষার জন্য বিদ্যা নিকেতন, ছাত্রীনিবাস এবং দরিদ্রের জন্য আশ্রম, ধর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আজও সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

সোনার তরী' কবিতায় শ্রাবণ মাসের উল্লেখ রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা'- চরণটির মধ্য দিয়ে বর্ষার জলস্রোতবেষ্টিত ছোটো জমিটুকুর বিলীন হওয়ার আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি
ব্যক্ত হয়েছে।
'সোনার তরী' কবিতায় কবি নানা রূপক এবং দৃশ্যের অবতারণা ঘটিয়েছেন। উদ্ধৃত অংশের মধ্য দিয়ে তেমনই অসাধারণ একটি দৃশ্যকল্প তৈরি হয়েছে। কবিতায় ধানখেতটি ছোটো দ্বীপের মতো কল্পিত। তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা। নদীর 'বাঁকা জলস্রোত' পরিবেষ্টিত ছোট্ট জমিটুকুর আশু বিলীন হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে এ অংশে। এখানে বাঁকা জল কালস্রোতের প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্যের ব্যক্তিজীবনের মধ্য দিয়ে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সোনার ধান ফলানোর দিকটি ফুটে উঠেছে।
'সোনার তরী' কবিতায় কৃষক, ধান, সোনার তরী ইত্যাদি রূপকের মাধ্যমে এক গভীর জীবনদর্শন প্রকাশ পেয়েছে। কৃষক যেন কীর্তিমান মানুষের প্রতিচ্ছবি, ধান তাঁর কর্মকৃতি এবং সোনার তরী হচ্ছে পৃথিবী। পৃথিবী নামক তরীতে মানুষের ধান স্থান পেলেও নিজেকে নিশ্চিতভাবে হতে হয় মহাকালের নিষ্ঠুর কালগ্রাসের শিকার। তাই জীবনে সোনা ফলানোর মতো কর্ম করে নিজের স্বাক্ষর রেখে যাওয়াই প্রকৃত মানুষের কর্তব্য।
উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য একজন কীর্তিমান বাঙালি। প্রকৃত ধনসম্পদ অর্জন করলেও তিনি তা ব্যক্তিগত ভোগবিলাসে ব্যয় না করে শিক্ষাবিস্তার ও দারিদ্র্য দূরীকরণসহ নানাবিধ সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করেন। ফলে তিনি মৃত্যুবরণ করলেও মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছেন। প্রায় একই রকম চিত্র 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সোনার ধান ফলানোর মাঝে লক্ষ করা যায়। তাই উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এবং কবিতার কৃষক যেন একই জীবন চেতনার ব্যক্তিত্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্যের কর্মময় জীবনের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান ফলানো কৃষকের জীবনের তুলনা করে আলোচ্য মন্তব্যটিকে যৌক্তিক বলা যায়।
'সোনার তরী' কবিতায় নিবিড়ভাবে মিশে আছে কবির জীবনদর্শন। কৃষক, সোনার ধান, সোনার তরী ইত্যাদি রূপকের মাধ্যমে তিনি এক মহাসত্য তুলে ধরেছেন। সোনার ধান ফলানো কৃষকের স্থান সংকুলান হয় না সোনার তরীরূপ পৃথিবীতে। সোনার ধান তথা কৃষকের কীর্তিসমূহের মাঝেই তাঁর বেঁচে থাকা; তাঁর ব্যক্তিসত্তা ও শারীরিক অস্তিত্বকে নিশ্চিতভাবে হতে হয় মহাকালের নিষ্ঠুর কালগ্রাসের শিকার।
উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য সমাজের সফল মানুষদের একজন। তিনি প্রচুর বিত্তশালী হলেও ব্যক্তিগত সুখ-সুবিধার কথা চিন্তা করেননি। তিনি দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষাবিস্তারসহ নানা রকম সমাজসেবামূলক কাজ করেন। ফলে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর কৃতিত্বে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন। 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের মাঝেও এমন কর্মকুশলতা দেখা যায়। কৃষক সোনার ধান ফলিয়ে বিশ্বকে করেছে সমৃদ্ধ, যদিও সোনার তরী নামক পৃথিবীতে তিনি স্থান পাননি।
উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতায় যথাক্রমে মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ও কৃষকের কীর্তিমান হয়ে ওঠার বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে। উভয়ের কর্মধারা একই ধারায় বহমান। মানবকল্যাণ ও সোনার ধান তাই একে অপরের পরিপূরক। মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ও কৃষক তাঁদের কর্মগুণে চিরস্মরণীয়। তাই প্রশ্নোল্লিখিত 'মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে।'- উক্তিটিকে যথার্থ বলে প্রতীয়মান হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
50


গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। 
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। 
রাশি রাশি ভারা ভারা
 ধান কাটা হলো সারা,
 ভরা নদী ক্ষুরধারা 
খরপরশা-
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ৷৷ 
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা- 
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা ॥ 
পরপারে দেখি আঁকা 
তরুছায়ামসী-মাখা 
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা- 
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ৷৷ 
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! 
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে । 
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ৷।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? 
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যারে খুশি তারে দাও -
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে ॥
যত চাও তত লও তরণী-পরে ।
আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে ॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে- 
এখন আমারে লহো করুণা করে ৷৷
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী 
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।

Related Question

View All
106
139
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews