উদ্দীপকের কবিতাটি গীতিময়তার বৈশিষ্ট্য মেনে রচিত হওয়ায় তা গীতিময় এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি ভক্তের সাথে কথোপকথনের হলে রচিত হওয়ায় এখানে শোকের আতিশয্য বেশি।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবিহৃদয়ের রিক্ততার চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। স্বামী নেহাল হোসেনকে হারিয়ে তিনি শোকাচ্ছন্ন ফলে শীতের প্রকৃতির রিক্ততা যেন তাঁর জীবন থেকে কাটেনি। বসন্ত এসেছে কিন্তু কবি উদাসীন। বসন্তকে বরণ করা তাঁর হয়ে ওঠেনি। বিরহকাতর অতীত স্মৃতি তাঁকে বসন্ত-বন্দনা থেকে দূরে রেখেছে। প্রিয়জনের অনুপস্থিতি যেন তাঁকে অন্ধকারে নিক্ষেপ করেছে।
উদ্দীপকের কবিতাটিতেও শোকের প্রকাশ ঘটেছে। প্রিয়জনকে হারিয়ে বিরহব্যথায় 'দিন কাটছে তাঁর। তবে প্রিয়জনের সুর যেন কবির গানে ধরা দিয়ে যায়। প্রিয়জন যেন কবির চালিকাশক্তিতে আবির্ভূত হয়েছে। কবির কাছে প্রিয়জনের ছবি শুধুই ছবি নয়। তার চেয়েও বেশি কিছু হতে পারে। শোকের ছায়া থাকলেও কবিতাটিকে গীতিময় করতে কবি ভুলে যাননি।
উদ্দীপকে গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে বিরহকে মধুরতায় রূপদান করার মাধ্যমে কবিতাটি হয়ে উঠেছে গীতিময়। অর্থাৎ বিরহের কথা থাকলেও তা যেন রোমান্টিক বিরহের নামান্তর। অন্যদিকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ভক্তদের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে কবিতাটি রচিত হওয়ায় এখানে কবিতার শোক বেশি দৃষ্টিগোচর হয়, তাছাড়াও সমগ্র কবিতা জুড়ে কবির বিষাদময়তাই শুধু স্থান পেয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকটি গীতিময় এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি বিষাদময়।
Related Question
View Allকবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!