সোনার তরী' কবিতায় আপাতদৃষ্ট ভাবটি হলো- বর্ষাকালীন বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ ও বিপন্ন এক কৃষকের অসহায়ত্ব।
'সোনার তরী' একটি রূপক কবিতা। কবি গ্রামীণ পটভূমিতে এক কৃষকের দুরবস্থার মধ্য দিয়ে কবিতাটির ভাবসত্যকে উপস্থাপন করেছেন। সংগত কারণেই কবিতাটি দুই রকম ভাবের দ্যোতনা দেয়। উদ্দীপকের বক্তব্য অনুযায়ী এর একটি সাধারণ ভাব বা আপাতদৃষ্ট ভাব; অন্যটি কবিতাটির গূঢ়ার্থ।
উদ্দীপকে রূপক বা প্রতীকধর্মী কবিতার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। সেখানে বর্ণিত রূপক কবিতার দুই ধরনের ভাবের মধ্যে আপাতদৃষ্ট ভাব একটি। আলোচ্য কবিতাটিকে সাধারণভাবে চিন্তা করলে এখানে একটি সরল কাহিনি বিধৃত হয়েছে। যেখানে বর্ষাকালীন পরিবেশে এক কৃষক তাঁর ছোটো খেতের রাশি রাশি ধান কেটে বসে আছেন। কাটা ধান ঘরে তোলাই কৃষকের লক্ষ্য। এমন সময় তাঁর প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক অচেনা মাঝির আগমন ঘটে। কৃষকের অনুনয়ে তাঁর সমস্ত ধান সে নৌকায় তুলে নেয়। কিন্তু ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের সেখানে স্থান হয় না। ফলে মনঃকষ্ট নিয়ে তাঁকে শূন্য নদীর তীরেই গড়ে থাকতে হয়। এভাবে বর্ষার চিত্রকল্পের মধ্য দিয়ে উদ্দীপকে te উল্লিখিত আপাতদৃষ্ট ভাবটি আলোচ্য কবিতায় রূপায়িত হয়েছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!