উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতায় উল্লিখিত ব্যক্তিমানুষের মৃত্যুর বিপরী কর্মের অমরতার ভাবটি প্রকাশিত হয়েছে।
'সোনার তরী' কবিতায় কবি মহাকালের কাছে ব্যক্তিমানুষের অনিবার্য পরাজয়ের বিষয়টি মূর্ত করে তুলেছেন। কবি মনে করেন, কালস্রোতে সবকিছু ভেসে গেলেও, বেঁচে থাকে কেবল তার সুকীর্তিময় কর্ম। আর তাই কালের তরীতে ব্যক্তির কর্মফলের জায়গা হলেও ব্যক্তিমানুষের জায়গা হয় না। ব্যক্তিমানুষকে অনিবার্যভাবে অপেক্ষা করতে হয় বিলীন হওয়ার জন্য।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ক্ষণস্থায়ী জীবনে আমরা ভালোমন্দ ভুলে বিভিন্ন কাজে জড়িয়ে পড়ি। আমরা সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হই। অথচ কৃতকর্ম ছাড়া সবকিছুই একদিন ম্লান হয়ে যাবে। 'সোনার তরী' কবিতায়ও আমরা এই ভাবসত্যটি পাই। কৃষকের সোনার ধান নৌকাতে স্থান পেলেও ব্যক্তি কৃষকের স্থান সেখানে হয় না। ব্যক্তি শুধু তার কর্মের জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য কবিতার ব্যক্তিমানুষের মৃত্যুর বিপরীতে কর্মের অমরতার ভাবটি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!