সংজ্ঞা: জোসেফ নাই (Joseph Nye) প্রবর্তিত 'Soft Power' বা 'নরম শক্তি' হলো এমন এক মতা, যেখানে কোনো রাষ্ট্র জোর-জবরদস্তি (সামরিক শক্তি) বা প্রলোভন (অর্থনৈতিক চাপ) ছাড়াই কেবল তার সংস্কৃতি, আদর্শ, রাজনৈতিক মূল্যবোধ এবং বৈদেশিক নীতির আকর্ষণ ব্যবহার করে অন্য দেশের মানুষের পছন্দ ও আচরণকে নিজের অনুকূলে প্রভাবিত করতে পারে।
উদাহরণ: দক্ষিণ কোরিয়ার 'K-Pop' বা 'K-Drama' সারা বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তাদের দেশের প্রতি এক ধরণের ইতিবাচক আকর্ষণ তৈরি করেছে, যা তাদের সফট পাওয়ার।
Related Question
View AllIAEA মানে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (International Atomic Energy Agency)। এটি একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা, যা পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের প্রচার এবং পারমাণবিক শক্তিকে সামরিক বা অস্ত্র বানানোর কাজে ব্যবহার থেকে বিরত রাখার জন্য নজরদারি ও তত্ত্বাবধান করে। এটি জাতিসংঘের আওতাভুক্ত হলেও স্বাধীন একটি সংস্থা হিসেবে কাজ করে। সম্প্রতি ইরান আইএইএর সঙ্গে একাধিক সহযোগিতা স্থগিত ঘোষণা করেছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিয়মিত সহযোগিতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে, যার ফলে তারা আইএইএর কার্যক্রম থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ইরান IAEA থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যায় ২ জুলাই ২০২৫।
PL 480 (Public Law 480) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা বিশ্বজুড়ে 'ফুড ফর পিস' (Food for Peace) কর্মসূচি নামে পরিচিত। এটি মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে খাদ্য সাহায্য পাঠানোর একটি আইনি কাঠামো। ১৯৫৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার এই আইনে স্বাক্ষর করেন। এই আইনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্য (বিশেষ করে গম) উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে সহায়তা, ঋণ বা স্বল্পমূল্যে প্রদান করত। উদ্দেশ্য ছিল একদিকে মানবিক সহায়তা দেওয়া, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা।
সার্ক (SAARC): ১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশ নিয়ে সার্ক গঠিত হয়। তবে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে বর্তমানে এর কার্যক্রম অনেকাংশে স্থবির হয়ে পড়েছে।
আসিয়ান (ASEAN): ১৯৬৭ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশ নিয়ে গঠিত আসিয়ান পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সফল জোট হিসেবে পরিচিত।
প্রধান পার্থক্য: সার্ক যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পারস্পরিক বিরোধে দুর্বল, সেখানে আসিয়ান আসিয়ান ওয়ে (A-হস্তক্ষেপ নীতি) অনুসরণ করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক সংহতি ও সহযোগিতা গড়ে তুলেছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে একটি বড় সামরিক অভিযান চালায়, এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যায়। এই হামলার সরকারি যুক্তি হল মাদক পাচার, নিরাপত্তা হুমকি ও অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, কিন্তু অনেক বিশ্লেষক মনে করেন এর পেছনে ভেনেজুয়েলার বিশাল কাঁচা তেলের মজুত ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার একটি মূল কারণ ছিল।
সম্ভাব্য পরিণতি:
- এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং সার্বভৌমত্বের ওপর বড় প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা বাড়তে পারে।
- তেলের বাজার ও বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যেও প্রভাব পড়তে পারে, কারণ ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ”
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!