যে খাদ্যে খাদ্যের সকল উপাদান ব্যক্তির দেহের চাহিদানুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান থাকে তাকে সুষম খাবার বলে।
বয়স, ওজন, পরিশ্রমভেদে ব্যক্তির চাহিদার ভিন্নতা থাকে। এ কারণেই ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিতে ভিন্ন ভিন্ন খাদ্য চাহিদা পরিলক্ষিত হয়। তাই সুষম খাদ্যেও ব্যক্তি বিশেষে ভিন্নতা দেখা যায়।
Related Question
View Allশিশুর পুষ্টি চাহিদা বলতে শিশুর স্বাভাবিক, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য যে ধরনের পুষ্টি উপাদান ও খাদ্য ব্যবস্থার প্রয়োজন তাকে বোঝায়। সাধারণত প্রথম ২ বছরে শিশু সর্বাধিক হারে বাড়তে থাকে। তাই এ সময় প্রতি একক ওজনে তার পুষ্টি চাহিদা বেশি হয়।
মৌলি তার সন্তানকে বিভিন্ন ধরনের বাড়তি খাবার দিতে পারে।
শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে দৈহিক বৃদ্ধির হার দ্রুত হয়। সেই সাথে তার পুষ্টি চাহিদাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই এই সময় শিশুকে দুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বাড়তি খাবার দিতে হয়। এক্ষেত্রে মৌলি তার শিশুকে নরম সিদ্ধ ডিমের কুসুম দিতে পারে। এছাড়া সবজি, আলু সিদ্ধ দিতে পারে। এগুলো তার শিশুকে ভিটামিন 'এ' সরবরাহ করবে। চাল, ডাল ও সবজি দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে মৌলি তার সন্তানকে খাওয়াতে পারে। এগুলো তার সন্তানের বাড়তি শক্তির চাহিদা পূরণ করবে। এর পাশাপাশি সে কলিজা সিদ্ধ, রান্না করা মাংস বা মাছ দিতে পারে। এ খাদ্যগুলো তার শিশুকে লৌহ ও প্রোটিন সরবরাহ করবে। এছাড়া দুধসহ চালের গুড়ার সুজি খাওয়াতে পারে। দুধসহ জাউভাত বা ডাল দিয়ে জাউড়াত দিতে পারে। এর পাশাপাশি ডাল দিয়ে সিদ্ধ আলু চটকানো খাওয়াতে পারে। বিভিন্ন মৌসুমি ফল খাওয়াতে পারে। কচি মুরগীর স্যুপ সে তার শিশুকে দিতে পারে। উপরিউক্ত খাবারগুলোর মধ্যে প্রতিদিন এক খাবার না দিয়ে যেদিন যে খাবারটি তৈরি করা যায় সেদিন সেটি দিতে পারে।
স্বাস্থ্যকর্মী মৌলিকে কতগুলো নিয়ম মেনে বাচ্চাকে বাড়তি খাবার দিতে বলেছেন। শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার খাওয়াতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। মৌলিকে ও এসকল নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নিয়মগুলো হলো-
প্রথমে একটি খাদ্য অল্প পাতলা করে সামান্য পরিমাণে বা ১-২ চামচ করে অভ্যাস করাতে হবে। শিশু কোনো খাবারের প্রতি অনীহা প্রকাশ করলে তাকে জোর করে খাওয়ানো যাবে না। বরং কিছুদিন পর আবার ঐ খাবারটি তৈরি করে তাকে খাওয়ানো যেতে পারে। একটি খাবার কিছুদিন দিয়ে তাকে অভ্যস্ত করতে হবে। ঘন ঘন খাবার পরিবর্তন করা যাবে না। এতে শিশুর পেট খারাপ করতে পারে। পাতলা ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে। শিশুর খাবারে অবশ্যই সবরকম পুষ্টি উপাদান থাকতে হবে। শিশুকে টাটকা ও তাজা খাবার খাওয়াতে হবে। বাসি খাবার দেয়া যাবে না। শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ে খেতে দিতে হবে। তাকে অল্প অল্প করে নির্দিষ্ট সময় পর পর খাওয়াতে হবে। শিশুকে খাওয়ানোর ব্যাপারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুকে বাইরের খাবার দেয়া যাবে না।
পরিশেষে বলা যায়, মৌলি তার সন্তানকে বাড়তি খাবার দেয়ার সময় উপরের বিষয়গুলো মেনে চলবে।
প্রসূতি অবস্থায় মোট ১.০ গ্রাম হতে ১.৫ গ্রাম ক্যালসিয়াম ধার্য করা হয়েছে।
যেসব খাদ্য আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ কার্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখে তাদের প্রতিরক্ষাকারী খাদ্য বলে।
বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি ও ফলমূল এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এসব খাদ্য থেকে আমরা ভিটামিন ও খনিজ লবণ পেয়ে থাকি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!