একক ভেক্টর: যে ভেক্টরের দৈর্ঘ্য। একক তাকে একক ভেক্টর বলে। কোনো ভেক্টরের মান যদি শূন্য না হয় তাহলে সেই ভেক্টরকে তার মান দিয়ে ভাগ করলে ভেক্টরটির দিকে একটি একক ভেক্টর পাওয়া যায়।
অবস্থান ভেক্টর: প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বস্তুর বা বিন্দুর অবস্থান যে সরলরেখা দ্বারা নির্দেশ করা হয় তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।

চিত্রে, P বিন্দুর অবস্থান ভেক্টর .
Related Question
View Allযে রাশি কেবলমাত্র এককসহ পরিমাণ দ্বারা অথবা পরিমাণের পূর্বে + বা চিহ্নযুক্ত করে সম্পূর্ণরূপে বুঝানো যায়, তাকে স্কেলার রাশি বলে। অর্থাৎ, যে রাশির শুধু মান আছে কিন্তু কোনো দিক নেই তাকে স্কেলার রাশি বলে। যেমন: দৈর্ঘ্য, ভর, আয়তন, দ্রুতি, তাপমাত্রা ইত্যাদি প্রত্যেকেই স্কেলার রাশি।
যে রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য তার পরিমাণ ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়, 'তাকে ভেক্টর রাশি বলে। অর্থাৎ যে রাশির মান এবং নির্দিষ্ট দিক উভয়ই রয়েছে, তাকে ভেক্টর রাশি বলে। যেমন: বেগ, সরণ, ত্বরণ, ওজন, বল ইত্যাদি প্রত্যেকেই ভেক্টর রাশি।
কোনো রেখাংশের এক প্রান্তকে আদিবিন্দু এবং অপর প্রান্তকে অন্তবিন্দু- হিসেবে চিহ্নিত করলে ঐ রেখাংশকে একটি দিক নির্দেশক রেখাংশ বলে। কোনো দিক নির্দেশক রেখাংশের আদি বিন্দু A এবং অন্তবিন্দু B হলে ঐ দিক নির্দেশক রেখাংশকে দ্বারা সূচিত করা হয়।
কোনো ভেক্টর (দিক নির্দেশক রেখাংশ) যে অসীম সরলরেখার অংশ বিশেষ, তাকে ঐ ভেক্টরের ধারক রেখা বা শুধু ধারক বলা হয়। যেমন: একটি অসীম সরলরেখা যেকোনো দুটি বিন্দু A ও B নিয়ে গঠিত ভেক্টর এর ধারক রেখা হবে ঐ অসীম সরলরেখাটি।
একটি ভেক্টর কে অপর একটি ভেক্টর এর সমান বলা হয় যদি-
(ক) || - || ( এর দৈর্ঘ্য এর দৈর্ঘ্যের সমান)
(খ) এর ধারক, এর ধারকের সঙ্গে অভিন্ন অথবা সমান্তরাল হয়।
(গ) এর দিক এর দিকের সঙ্গে একইমুখী হয়।

চিত্রে, = ও = উভয় ভেক্টর একে অপরের সমান ভেক্টর।
একটি ভেক্টর কে অপর একটি ভেক্টর এর বিপরীত ভেক্টর বলা হয় যদি-
(ক)
(খ) এর ধারক, এর ধারকের সঙ্গে অভিন্ন অথবা সমান্তরাল হয়।
(গ) এর দিক এর দিকের বিপরীত হয়।

চিত্রে, পরস্পর বিপরীত ভেক্টর যেখানে এবং
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!