এশার সালাতের পর এলাকার কয়েকজন মুসল্লি প্রতিদিনই মসজিদে বসে নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। আজ তারা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ সন্ত্রাস, সুদ, ঘুষ, অবিচার প্রভৃতির কারণে সমাজের অশান্তির কথা বলছিলেন। একজন বললেন- আসলেই কি এ অশান্তি থেকে মুক্তিলাভ সম্ভব? একথা শুনে সোবহান সাহেব বলেন, মুক্তিলাভ অবশ্যই সম্ভব। এর একমাত্র উপায় জিহাদ।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

'ইনতিহার' শব্দের অর্থ হলো আত্মহত্যা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

 নীতিবিরুদ্ধ কাজই দুর্নীতি। দুর্নীতি একটি নেতিবাচক বাংলা শব্দ। এর আরবি শব্দ 'ফাসাদ'। দুর্নীতি হলো নীতিবিবর্জিত কাজ, নীতিবিরুদ্ধ আচরণ। দুর্নীতি একটি ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ। দুর্নীতির সংজ্ঞা দেওয়া যায়, 'ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি নিজের স্বার্থ লাভের আশায় অন্যের ক্ষতি সাধনই দুর্নীতি।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আলোচ্য প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী মুসল্লিরা সমাজের অশান্তির কারণ হিসেবে যেসব সামাজিক অপরাধের কথা বললেন তা দূর করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জিহাদ গুরুত্বপূণ ভূমিকা রাখে। ইসলামি পরিভাষায়, ইসলমবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে এবং ইসলামের অনুকূলে যেকোনো পর্যায়ে শক্তি ও ক্ষমতা ব্যয়কে জিহাদ বলে। উল্লেখ্য, মানবকল্যাণ বিরোধী শক্তি মানেই ইসলাম বিরোধী শক্তি। তাছাড়া আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজিদে মানুষের জন্য ক্ষতিকর কাজগুলোর প্রতি স্পষ্ট ভাষায় বিধি-নিষেধ আরোপ করে রেখেছেন। সেই নিষিদ্ধ কাজগুলোকে মানুষের জীবন থেকে দূরে রাখার একমাত্র উপায় জিহাদ। আল্লাহ তায়ালা আদেশ দিয়েছেন- "আল্লাহদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত জিহাদ অব্যাহত রাখ, যতক্ষণ পর্যন্ত অশান্তি-বিশৃঙ্খলা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল না হয়"- [সূরা আনফাল: ৩৯]। তবে তা শুধু অন্যের বিরুদ্ধে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না বরং নিজের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে তা বহাল রাখতে হবে। এ জন্যই রাসুলুল্লাহ (স) তাবুক যুদ্ধে থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় বলেছিলেন- "আমরা একটি ক্ষুদ্র জিহাদ থেকে একটি বৃহৎ জিহাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করলাম।” সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন বৃহৎ জিহাদ কী? তিনি বললেন- "কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ” - [বায়হাকি)।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উল্লিখিত উদ্বিগ্ন মুসল্লিদের অশান্তি দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জিহাদের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পেতে জিহাদ কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। সীমাহীন অপরাধে জর্জরিত আমাদের সমাজ আজ অশান্তি আর বিশৃঙ্খলার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এ ক্রমবর্ধমান অপরাধের একমাত্র কারণ ন্যায়বিচারের অভাব। এ অভাব পূরণ করতে অর্থাৎ সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে জিহাদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। কেননা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন সততা, ন্যায়পরায়ণতার প্রয়োজন তেমনি কঠোরতা অবলম্বনও জরুরি। বলার অপেক্ষা রাখে না, আল্লাহ ভীতি বা ইমানহীন অপরাধী শুধু কঠোর শাস্তির ভয়েই অপরাধ করা থেকে বিরত থাকে। এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন- "তাদের (সন্ত্রাসী কাফিরদের) যেখানে পাবে সেখানেই বহিষ্কৃত করবে। ফিৎনা (অশান্তি বিশৃঙ্খলা) হত্যার চেয়ে ও জঘন্য"- [সূরা বাকারা; ১৯১] অপরদিকে ন্যায়বিচারের অন্যতম শর্ত সততা, ন্যায়পরায়ণতা হাসিলের জন্য ও নিজের কুপ্রবৃত্তির সাথে অনুক্ষণ জিহাদ করা প্রয়োজন- যা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে জিহাদ করার চেয়েও বেশি কঠিন, জরুরি। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স) তাবুক যুদ্ধে থেকে ফেরার সময় বলেছিলেন- আমরা একটি ক্ষুদ্র জিহাদ থেকে একটি বৃহৎ জিহাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করলাম।" সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন- বৃহৎ জিহাদ কী? তিনি বললেন- “কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ”। এভাবে কুপ্রবৃত্তির সাথে জিহাদ করে সমাজের বেশিরভাগ মানুষ যদি ভালো হয়ে যায় তাহলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কোনো অন্তরায়ই থাকবে না। সুতরাং বলা যায়, কেবল জিহাদই পারে উদ্দীপকে বর্ণিত উক্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
102
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আল্লাহর একত্ববাদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে ও পরিচালিত হয় বলে ইসলামি সমাজব্যবস্থাকে তাওহিদভিত্তিক সমাজব্যবস্থা বলা হয়। তাওহিদ ইসলামি সমাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা, আইনপ্রণেতা এবং সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে অন্তরে বিশ্বাস ও মুখে স্বীকার করাকে তাওহিদ বলে। তাওহিদে বিশ্বাস ছাড়া কোনো ব্যক্তিই মুমিন বা মুসলমান হতে পারে না। তাই ইসলামি সমাজের সব কর্মকাণ্ড এ মৌলিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
255
উত্তরঃ

জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও শিক্ষা বিস্তারে মুসলমানদের অবদান অপরিসীম। আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা বিস্তারের মহৎ কাজটি রাসুল (স) তাঁর নিজ গৃহ থেকে সর্বপ্রথম শুরু করেন। তিনি হযরত আরকাম (রা) এর বাড়িতে 'দারুল আরকাম' নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। রাসুল (স) মদিনায় হিজরতের পর মসজিদে নববিকে উন্মুক্ত শিক্ষাকেন্দ্রে রূপ দেন। সাহাবিরাও শিক্ষা বিস্তারে বিরাট ভূমিকা রাখেন। আবু বকর (রা) কুরআন শরিফকে গ্রন্থাবদ্ধ করেন। উসমান (রা) কুরআন সংকলন করেন। উমর (রা) শিক্ষকদের সম্মানী নির্ধারণ করেন এবং শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে সাহাবিদের বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রেরণ করেছেন। উমর বিন আব্দুল আজিজ (রা)-এর সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে হাদিস সংকলন, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন, ফিকহ সম্পাদনা পরিষদ গঠন করা হয়। আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে 'বায়তুল হিকমাহ' নামে একটি বিজ্ঞানাগার তৈরি করেন।

ইবনে সিনা, আল রাযি, ইবনে রুশদ, ইবনে আব্বাস, ইমাম গাযযালি (র) অসামান্য অবদান রাখেন। গণিতশাস্ত্রে মুসলমানদের অবদান অবিস্মরণীয়। বীজগণিতের জনক মুসা আল খারিযমি। পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষা-বিস্তার এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় মুসলমানগণ অবদান রেখে গেছেন। তাদের দেখানো পথে বর্তমান বিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন গবেষণা ও অধ্যয়ন করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতি সাধন করছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
283
উত্তরঃ

বর্তমানে ইমামগণ জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও শিক্ষা বিস্তারের কাজে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত হতে পারেন। মক্তবে পাঠদান, জুমার উদ্দীপকে শিক্ষক পাঠদানকালে শিক্ষার্জনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করছিলেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) শিক্ষা অর্জনের যে তাগিদ দিয়েছেন তা উল্লেখ করেন এবং বর্তমান সময়ে এরই ধারবাহিকতায় মসজিদের ইমামগণও আল্লাহ ও রাসুল (স) এর মিশন বিভিন্নভাবে সমাজে পরিচালিত করতে পারে তার দিকেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

ইমামগণ শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মক্তব প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যা মসজিদে অথবা মসজিদের বাইরেও পরিচালিত হতে পারে। যেখানে ছোট ছোট শিশুরা কুরআন, হাদিস, আদব-আখলাক, হালাল-হারাম ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারে। তাছাড়া বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র বা গণবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যার দ্বারা সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ হোক ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই শিক্ষা অর্জন করবে এবং নিরক্ষরতা দূর করবে। ইমাম সাহেব প্রতি শুক্রবার সমকালীন বিভিন্ন বিষয়ের ওপর খুতবায় আলোচনা করতে পারেন এবং কুরআন ও হাদিসের আলোকে সমস্যার সমাধান করতে পারেন। ইমামগণ সেমিনার সিম্পোজিয়াম, পত্র-পত্রিকা, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও এই মহান কাজটি করতে পারেন। এভাবে তারা মানুষকে সকল প্রকার অন্যায় কাজ থেকে যেমন বিরত রাখতে পারেন তেমনি শিক্ষা অর্জনে উৎসাহ প্রদান করে শিক্ষা বিস্তারে মূল্যবান ভূমিকা রাখতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
271
উত্তরঃ

মসজিদকে কেন্দ্র করে ইসলামি সমাজের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় একে ইসলামি সমাজের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয়। মসজিদকে কেন্দ্র করেই ইসলামি সমাজ গড়ে ওঠে ও পরিচালিত হয়। আল্লাহর ইবাদতের পাশাপাশি সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষকে ইমান-আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
450
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews