উদ্দীপকের A সংকেতটি এনালগ সংকেত এবং B সংকেতটি ডিজিটাল সংকেত। এনালগ সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াটি এনালগ-টু-ডিজিটাল কনভার্সন নামে পরিচিত। এ প্রক্রিয়ায় একটি ক্রমাগত পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল রূপে রূপান্তর করা হয়। প্রক্রিয়াটি তিনটি মূল ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়:
১। স্যাম্পলিং (Sampling): এনালগ সংকেত ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়। তাই প্রথমে, নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে এই সংকেতের মানগুলো সংগ্রহ করা হয়। এই সময়ের ব্যবধানকে স্যাম্পলিং রেট বলা হয়। স্যাম্পলিং রেট যত বেশি হয়, তত বেশি সঠিক ডিজিটাল, সংকেত তৈরি করা সম্ভব।
২। কোয়ান্টাইজেশন (Quantization): স্যাম্পলিং এর মাধ্যমে প্রাপ্ত মানগুলোকে ডিজিটাল স্তরে রূপান্তর করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি স্যাম্পলকে নির্দিষ্ট কিছু স্তরে রূপান্তর করা হয়। এ ধাপে কিছু তথ্য নষ্ট হতে পারে, যাকে কোয়ান্টাইজেশন ইরর, (Error) বলা হয়।
৩। এনকোডিং (Encoding): কোয়ান্টাইজড মানগুলোকে বাইনারি কোডে রূপান্তর করা হয়। এই বাইনারি কোডই মূলত ডিজিটাল সংকেত। এই ধাপে প্রতিটি কোয়ান্টাইজড স্তরের জন্য নির্দিস্ট একটি বাইনারি সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
এই তিনটি ধাপ সম্পন্ন করার মাধ্যমে এনালগ সংকেত একটি ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়।
Related Question
View Allপরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে
নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে
পরমাণুর ব্যাসার্ধ নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধের প্রায় এক লক্ষ গুণ
পরমাণুর ভর আসলে নিউক্লিয়াসের ভর
প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়
প্রতি সেকেন্ডে একটি তেজস্ক্রিয় বিভাজনকে এক বেকেরেল বলে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
