একই পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা কিন্তু ভিন্ন পারমাণবিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট মৌলসমূহই পরস্পরের আইসোটোপ।
বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। অন্যদিকে জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। মোটর তড়িৎবাহী তারের উপর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়। অন্যদিকে জেনারেটর তড়িৎ চৌম্বক আবেশ নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। দেখা যায় একটির কার্য প্রণালি অন্যটি অপেক্ষা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই মোটরকে জেনারেটরের বিপরীত যন্ত্র বলা হয়।
উদ্দীপকের A সংকেতটি এনালগ সংকেত এবং B সংকেতটি ডিজিটাল সংকেত। এনালগ সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াটি এনালগ-টু-ডিজিটাল কনভার্সন নামে পরিচিত। এ প্রক্রিয়ায় একটি ক্রমাগত পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল রূপে রূপান্তর করা হয়। প্রক্রিয়াটি তিনটি মূল ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়:
১। স্যাম্পলিং (Sampling): এনালগ সংকেত ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়। তাই প্রথমে, নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে এই সংকেতের মানগুলো সংগ্রহ করা হয়। এই সময়ের ব্যবধানকে স্যাম্পলিং রেট বলা হয়। স্যাম্পলিং রেট যত বেশি হয়, তত বেশি সঠিক ডিজিটাল, সংকেত তৈরি করা সম্ভব।
২। কোয়ান্টাইজেশন (Quantization): স্যাম্পলিং এর মাধ্যমে প্রাপ্ত মানগুলোকে ডিজিটাল স্তরে রূপান্তর করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি স্যাম্পলকে নির্দিষ্ট কিছু স্তরে রূপান্তর করা হয়। এ ধাপে কিছু তথ্য নষ্ট হতে পারে, যাকে কোয়ান্টাইজেশন ইরর, (Error) বলা হয়।
৩। এনকোডিং (Encoding): কোয়ান্টাইজড মানগুলোকে বাইনারি কোডে রূপান্তর করা হয়। এই বাইনারি কোডই মূলত ডিজিটাল সংকেত। এই ধাপে প্রতিটি কোয়ান্টাইজড স্তরের জন্য নির্দিস্ট একটি বাইনারি সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
এই তিনটি ধাপ সম্পন্ন করার মাধ্যমে এনালগ সংকেত একটি ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়।
উদ্দীপক থেকে দেখা যায় A ও B চিত্র হচ্ছে যথাক্রমে এনালগ ও ডিজিটাল সংকেত। এদের অনেক সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। এনালগ ও ডিজিটাল সংকেতের মধ্যে কোনটি উত্তম তা তিনটি বিষয় দিয়ে বিচার করা যায়। এগুলো হলো সংকেতের গুণগত মান, প্রক্রিয়া চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় মালমশলা ও দাম বা ব্যয়।
অধিক দূরত্বে সংকেত প্রেরণের জন্য ডিজিটাল সংকেত উত্তম। কারণ দূরত্ব বেশি হলে এনালগ সংকেতের ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। একে বাঁচিয়ে রাখতে পুনর্বিবর্ধন করতে হয়। কিন্তু এতে নয়েজ বেড়ে যায় ফলে সংকেতের মান হ্রাস পায় বা সংকেত বিকৃত হয় এবং এক সময় হারিয়েও যেতে পারে। কিন্তু ডিজিটাল সিগন্যাল যেতে যেতে বিবর্ধিত হয়। ফলে সংকেত একই রকম থাকে। অপটিক্যাল ফাইবার দ্বারা সংকেত প্রেরণে ডিজিটাল সংকেত ব্যবহার করা হয়। কারণ সর্বশেষ সংকেতটিরও উত্তম গুণগত মান বজায় থাকে। এছাড়া প্রতি সেকেন্ডে অনেক বেশি সংকেত প্রেরণ করা যায়। এনালগ ডিভাইসের চেয়ে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যয়বহুল হলেও ডিজিটাল সার্ভিসের বেলায় সর্বসমেত ব্যয় কম। এনালগ ডিভাইসে ক্রস কানেকশন হতে পারে, ডিজিটালে তা হয় না।
Related Question
View Allপরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে
নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে
পরমাণুর ব্যাসার্ধ নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধের প্রায় এক লক্ষ গুণ
পরমাণুর ভর আসলে নিউক্লিয়াসের ভর
প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়
প্রতি সেকেন্ডে একটি তেজস্ক্রিয় বিভাজনকে এক বেকেরেল বলে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
