কবিতাটিতে 'নাহি ভরসা' বলতে ধান নিয়ে অপেক্ষমাণ, কৃষকের আশঙ্কার কথা বোঝানো হয়েছে।
ক্ষুরধারা বর্ষায় ভরা নদীর স্রোত দ্বীপসদৃশ ছোটো ধানখেতটির চারপাশে খেলা করছে, যেন মুহূর্তের মধ্যেই খেতটি ভাসিয়ে নেবে। এমনই স্তে পরিস্থিতিতে সেখানে রাশি রাশি সোনার ধান কেটে অপেক্ষা করছেন নিঃসঙ্গ কৃষক। মেঘাচ্ছন্ন দিনে সোনার ধানগুলো নিরাপদে পার করতে পারবেন কি না, সে আশঙ্কায় উদ্বেল হয়ে পড়েছিলেন কৃষক। 'নাহি ভরসা' উক্তিটির মাধ্যমে তাঁর সে আশঙ্কার কথাই ব্যক্ত হয়েছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!