ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে পৃথিবীর একপ্রান্তে বসে অন্যপ্রান্তে কী ঘটছে তা জানা যাচ্ছে। ঢাকা শহরের একটি ছেলে লন্ডন নগরীতে কর্মরত তার ভাইয়ের সাথে কথা বলছে, মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠাচ্ছে। ব্লগাররা তাদের চিন্তাচেতনা জানিয়ে দিচ্ছে সবাইকে ব্লগে লিখে। ইন্টারনেটের সামনে বসে গোটা দেশের সাথে, পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে অনেকে। যার যে ধরনের সেবা প্রয়োজন তাকে তা অনলাইনে সরবরাহ করছে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

S.M.S-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Short Message Service.

উত্তরঃ

ইন্টারনেট হচ্ছে কম্পিউটারে পরস্পরের সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম। মূলত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কোটি কোটি কম্পিউটারগুলোকে এক সুতায় গাঁথাই ইন্টারনেটের কাজ। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, ফাইল ইত্যাদি পাঠাতে পারি। এছাড়া ইন্টারনেট থেকে আমরা সব ধরনের তথ্য, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও, অডিও এক কথায় দৈনন্দিন জীবনে চলার মতো সকল ধরনের সাপোর্ট পেয়ে থাকি।

উত্তরঃ

ক্রমেই ছোট হয়ে এসেছে পৃথিবী"- একথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে গোটা পৃথিবী আজ নাগালের মধ্যে চলে এসেছে। বর্তমানে পৃথিবীর কোনোকিছুই আমাদের নখদর্পণের বাইরে নয়। তথ্যপ্রযুক্তি দূরকে এনেছে চোখের সামনে। একবিংশ শতাব্দীর সকল সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ আবর্তিত হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তিকে ঘিরে। কম্পিউটার, মাইক্রো-ইলেকট্রনিক্স, টেলিকমিউনিকেশন ইত্যাদি সবই তথ্যপ্রযুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা মুহূর্তেই জানতে পারছি সারাবিশ্বের খবরাখবর। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে শ্রম, সময় এবংদূরত্বকে আমরা জয় করতে পেরেছি। আমরা ছুটে বেড়াচ্ছি পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে। গোটা বিশ্ব আজ গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত। হয়েছে। ক্রমেই ছোট হয়ে এসেছে পৃথিবী- একথাটি দ্বারা এটাই। বোঝানো হয়েছে যে, তথ্যপ্রযুক্তির বদৌলতে পুরো বিশ্বটাই ধীরে ধীরে আমাদের হাতের মুঠোয় চলে আসছে।

উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স। 

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌঁছানোকেই ই-গভর্ন্যান্স বলে। ই-গভর্ন্যান্স প্রশাসনিক কাজকর্মগুলো হয় মূলত প্রযুক্তিনির্ভর। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি অনলাইনে ও। কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। জনগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের। প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ করতে পারে। ই-গভর্ন্যান্সে প্রশাসনিক। কার্যাবলি পরিচালনার ক্ষেত্রে হস্তচালিত পদ্ধতির পরিবর্তে। ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। ই-গভর্ন্যান্সে জনগণ রাষ্ট্রীয় আইন ও নিয়মনীতিগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই জানতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি ও পরিচালনা পদ্ধতিও ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। প্রশাসনিক তথ্যগুলো ইন্টারনেট ও অনলাইনে সংরক্ষিত থাকে। ফলে জনগণ খুব সহজেই প্রশাসন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কী হচ্ছে, না হচ্ছে তা জানতে পারে। প্রশাসন লোকচক্ষুর অন্তরালে কিছুই করতে পারে না। যারা তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ তারা প্রশাসনিক অনিয়মগুলো খুব সহজেই ধরতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন ভর্তির আবেদনপত্র, চাকরির আবেদনপত্র, আর্থিক লেনদেন, আয়কর জমা দেওয়া ইত্যাদিও আজকাল অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। সুতরাং ই-গভর্ন্যান্স বলতে এমন এক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে সরকারি বিভিন্ন তথ্য ও সেবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

172

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।

323
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।

247
উত্তরঃ

সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।

221
উত্তরঃ

সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।

184
উত্তরঃ

ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)

339
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে

410
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews