ক' রাষ্ট্রে জনাব 'খ' সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে অবাধ তথ্য যাতে জনগণ পেতে পারে সে জন্য তিনি রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে তথ্য ও প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করলেন। ফলে জনগণ ঘরে বসেই কম্পিউটারের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে পারছে। যার ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতির মাত্রা কমে আসছে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্র বা Democracy হলো জনগণের শাসনব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

জনমতের দুটি বাহন হলো-

১. প্রতিবেশী ও বন্ধুবান্ধব: প্রতিবেশী ও বন্ধুবান্ধবের পরিবারের বাইরে শিশুদের শিক্ষা ও আদর্শ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ স্তর। প্রতিবেশী ও বন্ধুবান্ধবদের দ্বারা মানবশিশুর আচরণ ও ধ্যান-ধারণা দারুণভাবে প্রভাবিত। তাই প্রতিবেশী ও বন্ধুবান্ধব জনমত গঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: জনমত গঠনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের ছাত্র-ছাত্রীরা আগামী দিনের রাষ্ট্র ও জাতির কর্ণধার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যা পড়ানো হয়, শিক্ষার্থীদের মনে তা গভীরভাবে রেখাপাত করে। জাতীয় বিষয়াবলির আলোচনা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকায় শিক্ষার্থীদের মনে এসব বিষয় স্থায়ী
রেখাপাত করে এবং শক্তিশালী এক জনমত গড়ে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের উল্লিখিত রাষ্ট্রে ই-গভর্ন্যান্স (e-Governance) বিদ্যমান। আধুনিক যুগকে বলা হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) যুগ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ICT'র ব্যবহার মানুষকে দিয়েছে অবারিত সুযোগ, জীবনকে করেছে স্বাচ্ছন্দ্যময়। সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নান্দনিক ছোঁয়া যেন সবকিছুকে রাতারাতি পাল্টে দিয়েছে। ই-গভর্ন্যান্স ICT'র এরূপ একটি অংশ। সরকারি সেবা বণ্টন, তথ্য সরবরাহ এবং অন্যান্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)'র ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার ও জনগণ, সরকার ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের মধ্যকার বিভিন্ন সংস্থার আন্তঃযোগাযোগ প্রক্রিয়ায় পরিচালিত শাসনব্যবস্থাই হলো ই-গভর্ন্যান্স (e-Governance)। এটি ElectronicGovernance-
এর সংক্ষিপ্ত রূপ। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের জনাব 'খ' জনগণের অবাধ তথ্য প্রাপ্তির জন্য সরকারের সকল ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করে।ফলে জনগণ ঘরে বসেই কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে পারছে। এটিই হলো ই-গভর্ন্যান্স। ই-গভর্ন্যান্স হলো মূলত ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ যাতে সরকার ও জনগণের মাঝে অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সরকারের ভূমিকা সুশাসন নিশ্চিত করবো। উক্তিটি সঠিক ও যথার্থ।

সুশাসনের জন্য প্রয়োজন হলো প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রচলিত আইন প্রয়োগের চেয়ে ই-গভর্ন্যান্স বেশি কার্যকরী। কেননা ই-পদ্ধতিতে কোথাও কোনো অসামঞ্জস্যতা থাকলে তা খুব সহজেই খুঁজে বের করা সম্ভব আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতিগত 'গোঁজামিল' দেওয়ার কোনো সুযোগ ই-গভর্ন্যান্সে থাকে না। প্রত্যেকের কাজের প্রয়োজনীয় দলিল বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফাঁকি দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।
যে কারণে ই-গভর্ন্যান্সের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা করা সহজ, যা সুশাসনের জন্য আবশ্যক।
সুশাসনের প্রাণ হলো শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিপুল জনসংখ্যার কারণে সরাসরি অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়। প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থাতে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেও সবসময় জনমতের সুষ্ঠু প্রতিফলন ঘটে না। কিন্তু ই-গভর্ন্যান্সে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে মতামত প্রদানের সুযোগ পায়। এদিক থেকে ই-গভর্ন্যান্স হলো অংশগ্রহণমূলক একটি পদ্ধতি।
দুর্নীতি দমন হলো সুশাসনের অন্যতম প্রত্যয়। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বণ্টন করা যায় ই-শাসনের মাধ্যমে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
67
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
279
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
211
উত্তরঃ

সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
185
উত্তরঃ

সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
150
উত্তরঃ

ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
287
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
351
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews