"খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচায় বন্দি চিরকাল

ডানার শক্তি ভুলেছে সে আজ, ভুলিয়াছে নভে নীল

বাহিরের আলো দেখেনি সে কভু, জানেনা কি তার তেজ

পিঞ্জরে বসে সাজায় সে আজ মিছে গয়নার রেশ।

মুক্তি যদি না লভে বিহগী আকাশ রহিবে শূন্য

ডানায় ডানা মেলা ছাড়া কি হয় জীবনের গান ধন্য?"

Updated: 15 hours ago
উত্তরঃ

নজম্-উল-ওলামা' এর অর্থ হলো 'পণ্ডিতগণের তারকা' বা 'আলেমগণের নক্ষত্র' (আলেম সমাজের জ্যোতিষ্ক)।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
উত্তরঃ

"স্ত্রীদের বিদ্যার দৌড় সচরাচর 'বোধোদয়' পর্যন্ত!"—উক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, একসময় বাঙালি সমাজে নারীদের শিক্ষার পরিসর অত্যন্ত সীমিত ছিল। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বোধোদয়' ছিল একটি প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক, যা শিশুদের অক্ষর জ্ঞান ও সাধারণ নৈতিকতা শেখানোর জন্য ব্যবহৃত হতো। এই উক্তিটি নির্দেশ করে যে, অধিকাংশ নারীর শিক্ষা কেবল এই ধরনের প্রাথমিক বই পড়া পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল এবং তারা উচ্চতর বা গভীর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পেত না।

এই মন্তব্যের তাৎপর্য হলো, তৎকালীন সমাজে নারীর প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে চরম অবহেলা ও বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীদের কেবল গৃহস্থালির কাজে সীমাবদ্ধ রাখা হতো এবং উচ্চশিক্ষাকে তাদের জন্য অপ্রয়োজনীয় বা অনুপযুক্ত মনে করা হতো। ফলে নারীরা জ্ঞানচর্চা, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ এবং সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে পিছিয়ে পড়ত। বেগম রোকেয়ার মতো সমাজসংস্কারকরা এই অবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।

Satt AI
Satt AI
12 hours ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের খাঁচার পাখির সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারীদের প্রধান মিল হলো উভয়েরই পরাধীনতা, স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা হারানোর বৈশিষ্ট্য। উভয়েই তাদের প্রকৃত ক্ষমতা ও পরিচিতি ভুলে গিয়ে একটি সীমাবদ্ধ জীবনে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।

বেগম রোকেয়ার 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে তৎকালীন বাঙালি মুসলিম সমাজের নারীদের সামাজিক, পারিবারিক ও মানসিক পরাধীনতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সমাজ ও পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে নারীরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। তাদের জীবন স্বামী ও সংসারের সেবায় সীমিত ছিল, যার ফলে তারা নিজেদের সত্তা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে পারতো না। এ কারণে তারা সমাজের একরকম "খাঁচায় বন্দি" জীবনযাপন করতো।

উদ্দীপকের খাঁচার পাখিটি সোনার খাঁচায় বন্দি থেকে যেমন নিজের ডানার শক্তি ভুলে গেছে, বাহিরের নীল আকাশ বা আলোর তেজ দেখেনি এবং মিছে গয়নার রেশ দিয়ে নিজেকে সাজিয়েছে, তেমনি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারীরাও সমাজের অদৃশ্য খাঁচায় আবদ্ধ হয়ে নিজেদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে পারেনি। তারা বাইরের জগত সম্পর্কে ছিল অনভিজ্ঞ এবং পুরুষের উপর নির্ভরশীল হয়ে কৃত্রিম জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল। তাই খাঁচার পাখির মতো মুক্তি না পেলে তাদের জীবনও অর্থহীন ও সীমাবদ্ধ থেকে যায়, যা উভয়ের পরাধীন জীবনের এক সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি।

Satt AI
Satt AI
12 hours ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে একটি খাঁচাবন্দি পাখির আর্তনাদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে কবি পাখির মুক্তির জন্য যে ব্যাকুলতা দেখিয়েছেন, তা 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারী জাগরণের মূল চেতনার যথার্থ প্রতিচ্ছবি। এই মন্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক ও যৌক্তিক।

উদ্দীপকের পাখিটি সোনার খাঁচায় বন্দি, বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। সে তার ডানা মেলতে ভুলে গেছে, আকাশ বা সূর্যের তেজ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। মিছে গয়নার রেশ দিয়ে সে নিজেকে সাজিয়ে তুষ্ট থাকতে চাইছে। কিন্তু কবির গভীর উপলব্ধি হলো, এই পাখি মুক্ত না হলে আকাশ শূন্য থাকবে, জীবনের গান পরিপূর্ণ হবে না। এই খাঁচাবন্দি পাখি মূলত সমাজের তথাকথিত সুবর্ণ খাঁচায় বন্দি নারীদের প্রতীক। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ তাদের বাইরে যেতে দেয় না, জ্ঞানার্জন ও আত্মপ্রকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখে। ফলে তারা নিজেদের শক্তি ও সম্ভাবনার কথা ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র গৃহবন্দি জীবনকে মেনে নেয়, অলংকার আর সৌন্দর্যচর্চাকেই জীবনের লক্ষ্য মনে করে। উদ্দীপকের কবির আকাঙ্ক্ষা তাই এই প্রতীকী খাঁচা থেকে নারীর মুক্তি।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারী সমাজের এই বঞ্চনা ও অবদমনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। রোকেয়া অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দেখিয়েছেন যে, পুরুষরা নারীকে তাদের সম্পত্তির মতো বন্দি করে রেখেছে, তাদের অর্ধাঙ্গী হওয়া সত্ত্বেও অর্ধেক অধিকার বা সুযোগ দেয় না। তারা নারীকে অজ্ঞ ও পরনির্ভরশীল রেখে নিজেদের সুবিধা বজায় রাখতে চায়। রোকেয়া আহ্বান জানিয়েছেন, এই বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে এসে নারীকে নিজেদের 'ডানা মেলতে' হবে, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে হবে এবং নিজেদের ন্যায্য অধিকার বুঝে নিতে হবে। উদ্দীপকের কবির পাখির মুক্তির আকুলতা ঠিক যেন রোকেয়ার এই নারী জাগরণের আন্দোলনেরই কাব্যিক রূপ। খাঁচা থেকে পাখির মুক্তি যেমন তার স্বাভাবিক অধিকার ও আত্মপ্রকাশের পথ খুলে দেবে, তেমনি সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন থেকে নারীর মুক্তিও তাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দেবে।

অতএব, বলা যায়, উদ্দীপকে কবির পাখিকে খাঁচা থেকে মুক্ত করার প্রবল ইচ্ছার মধ্য দিয়ে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নারী জাগরণের যে মূল চেতনা, তা অত্যন্ত সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই বন্দিদশা থেকে মুক্তির আকুলতা এবং আত্ম-বিকাশের মাধ্যমে জীবনের পূর্ণতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা প্রধান। তাই মন্তব্যটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
12 hours ago
4

Related Question

View All
উত্তরঃ সাত দিন

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থের অন্তর্গত 'বিড়াল' নামক রম্য রচনা থেকে প্রশ্নটি নেওয়া হয়েছে। এই রচনায় কমলাকান্ত আফিমের ঘোরে একটি বিড়ালের সঙ্গে কাল্পনিক কথোপকথনে লিপ্ত হন। বিড়ালটি মানুষের ভণ্ডামি ও অবিচারের সমালোচনা করে। বিশেষ করে, ধন-সম্পদ ও দারিদ্র্য নিয়ে মানুষের দ্বৈতসত্তা ফুটিয়ে তোলে। কমলাকান্ত যখন বিড়ালের দুধ চুরি নিয়ে অভিযোগ করেন, তখন বিড়ালটি মানুষের দরিদ্রের প্রতি শোষণের বিষয়টিকে তুলে ধরে। বিড়াল কমলাকান্তকে বিদ্রূপের ছলে সাত দিন (seven days) উপোস থাকতে বলে, যেন সে দরিদ্রদের ক্ষুধার যন্ত্রণা অনুভব করতে পারে। এর মাধ্যমে সমাজে ধনী-গরিবের বৈষম্য এবং দরিদ্রের প্রতি বঞ্চনার বিষয়টি তীব্র ব্যঙ্গের সাথে প্রকাশ পেয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
743
উত্তরঃ

“চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী তদপেক্ষা শতগুণ দোষী” – এই উক্তিটির মাধ্যমে সমাজের এক গভীর নৈতিক সত্য তুলে ধরা হয়েছে। একজন চোর ব্যক্তিগতভাবে অপরাধ করে বটে, কিন্তু তার অপরাধের কারণ অনেক সময় পরিস্থিতিগত বা অভাবজনিত হতে পারে। অন্যদিকে, একজন কৃপণ ধনী ব্যক্তি প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অন্যের প্রতি নির্দয় ও শোষণমূলক আচরণ করে, যা সামাজিক বৈষম্য ও মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রতি চরম অবহেলা নির্দেশ করে।

এই উক্তিটি ইঙ্গিত করে যে, সম্পদের অধিকারী হয়েও যখন কেউ তা কেবল নিজের ভোগ-বিলাসে আবদ্ধ রাখে এবং দরিদ্রের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা অনুভব করে না, তখন তার এই নিষ্ঠুরতা একজন চোরের সাময়িক অপরাধের চেয়েও অধিক নিন্দনীয়। কৃপণ ধনী ব্যক্তি সমাজের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং অভাবী মানুষের দুর্দশা বাড়িয়ে তোলে, যা বৃহত্তর অর্থে সমাজের জন্য অধিক ক্ষতিকর ও অমানবিক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.3k
উত্তরঃ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিড়াল' প্রবন্ধে সমাজের ধনীদের শোষণ ও দরিদ্রের বঞ্চনার চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রবন্ধে বিড়াল নিজের প্রাপ্য খাদ্যের অভাব পূরণ করতে দুধ চুরি করে এবং তার এই কাজকে যুক্তির নিরিখে বিচার করা হয়, যেখানে ক্ষুধার্তের খাদ্যের অধিকারকে প্রাধান্য দেওয়া হয় এবং ধনী ও শোষক শ্রেণির নির্মমতা ও অমানবিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়।

উদ্দীপকের সাজাহানও সমাজের এমনই এক বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণির প্রতিনিধি। দরিদ্র বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল সাজাহান অনেক বড় হবে, কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সে কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। সে কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে কাজ করে, যেখানে কঠোর পরিশ্রমের পরেও তার ভাগ্যে পর্যাপ্ত খাবার জোটে না। একসময় বাজারের টাকা বাঁচিয়ে লাড্ডু কিনে খাওয়ায় তাকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয়, যা তার অসহায়ত্বের চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত।

এই দিক থেকে সাজাহান ও 'বিড়াল' রচনার বিড়াল একই বিড়ম্বনার অংশীদার। বিড়াল যেমন ক্ষুধার্থ হয়েও তার ন্যায্য খাবার থেকে বঞ্চিত হয় এবং ক্ষুধার তাড়নায় দুধ চুরি করতে বাধ্য হয়, তেমনি সাজাহানও তার শ্রমের বিনিময়ে উপযুক্ত খাদ্য পায় না। ক্ষুধার্ত বিড়াল যেমন চুরি করে প্রহারের শিকার হয়, তেমনি সাজাহানও নিজের কষ্টের জমানো টাকায় লাড্ডু কিনে খাওয়ার 'অপরাধে' মালিকের মারের শিকার হয়। উভয় ক্ষেত্রেই শোষক শ্রেণির নির্মমতা এবং শোষিত শ্রেণির অসহায়ত্ব ও বঞ্চনার চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য সামান্য প্রয়াসও কঠোরভাবে দণ্ডনীয় হয়। তাদের এই দুর্দশা সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য ও মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে স্পষ্ট করে তোলে, যেখানে দুর্বলরা সব জেনেও অসহায়ত্বের কারণে অন্যায় সহ্য করতে বাধ্য হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
557
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিড়াল' প্রবন্ধের মূল ভাবসত্যের যেন এক প্রতীকী প্রতিচ্ছবি। 'বিড়াল' প্রবন্ধে লেখক ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হওয়া এবং সামাজিক অবিচারের প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিপাত করেছেন। ক্ষুধা নিবারণের জন্য বিড়ালের দুধ চুরিকে কেন্দ্র করে লেখক যে গভীর সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, উদ্দীপকে সাজাহানের ঘটনা তারই যেন বাস্তব ও মর্মস্পর্শী প্রকাশ।

উদ্দীপকে আমরা দেখি, সাজাহান দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের সন্তান। আর্থিক অভাব ও শিক্ষার অভাবে সে কিশোর বয়সেই কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে কাজে নামে। কঠোর পরিশ্রম করেও তার ভাগ্যে জুটছে না পর্যাপ্ত খাবার। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সে সামান্য একটি লাড্ডু কিনে খায়, যার জন্য তাকে নির্মম প্রহার সহ্য করতে হয়। সাজাহানের এই বঞ্চনা, শোষণ এবং শারীরিক নির্যাতন 'বিড়াল' প্রবন্ধে বর্ণিত সমাজের উচ্চবিত্ত কর্তৃক নিম্নবিত্তের শোষণ ও তাদের প্রতি অবিচারেরই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। বিড়ালের ক্ষুধার তাড়নায় দুধ চুরি এবং তার জন্য তিরস্কারের মতোই সাজাহানের সামান্য লাড্ডু কেনা ও তার জন্য শাস্তিলাভ একই ধরনের নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করে।

আলম সাহেবের নির্দয়তা এবং সাজাহানের "সে গরীব-অসহায়" ভেবে সব সহ্য করার বিষয়টি 'বিড়াল' প্রবন্ধের কেন্দ্রীয় বক্তব্যকে সমর্থন করে। বঙ্কিমচন্দ্র বিড়ালের উক্তির মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন একজন ক্ষুধার্ত মানুষ বা প্রাণী মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়, তখন তার পক্ষে অন্যের সম্পদ গ্রহণ করা কতটা গর্হিত? উদ্দীপকের সাজাহানের ঘটনা সেই প্রশ্নেরই প্রতিধ্বনি। তার পরিশ্রমে উপার্জিত অর্থ বাঁচিয়ে কেনা সামান্য লাড্ডুর জন্য তাকে যে শাস্তি পেতে হলো, তা সমাজের ধনী অংশের অমানবিকতা এবং দরিদ্রের প্রতি তাদের চরম উদাসীনতা ও অবিচারকেই প্রমাণ করে। তাই, উদ্দীপকের এই ঘটনা 'বিড়াল' রচনার সেই ভাবসত্য—সামাজিক বৈষম্য, শোষণ এবং নৈতিক অধিকারের প্রশ্নকে জোরালোভাবে প্রতীকায়িত করে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকটি 'বিড়াল' রচনার ভাবসত্যের যেন প্রতীকী রূপ—এই মত অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। সাজাহানের জীবন সংগ্রাম, শোষণ এবং নির্যাতনের চিত্র 'বিড়াল' প্রবন্ধের মূল বার্তা, অর্থাৎ ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য, শ্রমের মর্যাদা এবং মানবিক অধিকারের প্রশ্নকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। উভয় ক্ষেত্রেই শোষণ, বঞ্চনা এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার বেদনা একই সুরে বাঁধা।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
562
উত্তরঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার তাঁর বিখ্যাত নীতিমূলক কবিতা "নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল" (তাঁর 'সদ্ভাব শতক' কাব্যগ্রন্থের অংশ) এ নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এই কবিতায় তিনি নদী, বৃক্ষ, গাভী, কাষ্ঠ, স্বর্ণ, বংশী এবং শস্যসহ প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন, যারা নিজ নিজ কর্মের দ্বারা নিঃস্বার্থভাবে অপরের কল্যাণ সাধন করে।

নদী যেমন নিজের জল নিজে পান না করে অন্যকে জীবন দান করে, বৃক্ষ যেমন নিজ ফল নিজে না খেয়ে অপরকে দেয়, তেমনি গাভীও নিজের দুগ্ধ নিজে পান করে না। এই সকল উদাহরণ দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, পরোপকারই মনুষ্যত্বের শ্রেষ্ঠ গুণ। সাধু ব্যক্তিরা যেমন নিজেদের ঐশ্বর্য কেবল অপরের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করেন, ঠিক তেমনি প্রকৃতিও নিঃস্বার্থভাবে মানবজাতির সেবা করে। এই নিঃস্বার্থ পরোপকারী চরিত্রকে মনুষ্যত্বের আদর্শ প্রতীক হিসেবে দেখিয়ে কবি নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.2k
উত্তরঃ

“যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান” – উক্তিটি পরোপকারী ও নিঃস্বার্থ ব্যক্তির মহৎ গুণকে নির্দেশ করে। এর অর্থ হলো, যা কিছু অর্জন করা হয় বা লাভ করা হয়, তা নিজের জন্য ভোগ না করে অন্যের কল্যাণে উৎসর্গ করা। এই ভাবটি ত্যাগ ও সেবার মানসিকতাকে তুলে ধরে, যেখানে ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাপ্তি কেবল বিতরণের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে।

প্রদত্ত কবিতাটিতে এই চিরন্তন সত্যটি বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে। নদী যেমন নিজের জল পান করে না, গাছ যেমন নিজের ফল খায় না, গাভী যেমন নিজের দুধ নিজে পান করে না, এবং স্বর্ণ যেমন নিজের সৌন্দর্য অপরের জন্য বিকশিত করে – ঠিক তেমনি সাধু ব্যক্তিও নিজের ঐশ্বর্য্য কেবল পরের উপকারের জন্য ব্যবহার করেন। এসব দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, যা তাদের কাছে আছে বা যা তারা অর্জন করে, তার মূল উদ্দেশ্য হলো অপরের মঙ্গল সাধন করা, যা উপরের উক্তিটির মূল ভাবকে পূর্ণাঙ্গ রূপে ধারণ করে।

Satt AI
Satt AI
7 hours ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews